বিশ্বমানের টেক্সটাইল ও আধুনিক পোশাক শিল্পের অন্যতম পথিকৃৎ জাবের অ্যান্ড জুবায়ের ফেব্রিকস লিমিটেড আয়োজন করতে যাচ্ছে তাদের জনপ্রিয় প্রদর্শনী ‘ফ্যাব্রিক উইক’-এর ১৭তম সংস্করণ। আগামী ১৩ জানুয়ারি থেকে ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত রাজধানীর গুলশান এভিনিউতে অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব ডিজাইন স্টুডিওতে এই বিশেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে। এবারের আয়োজনে মূলত ‘স্প্রিং/সামার ২০২৭’ মৌসুমের জন্য অত্যাধুনিক ও পরিবেশবান্ধব কাপড়ের সংগ্রহ উন্মোচন করা হবে।
ছয় দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এবারের ফ্যাব্রিক উইকে জাবের অ্যান্ড জুবায়ের মোট ২৮০টি ভিন্নধর্মী উচ্চমানের ফেব্রিক বা কাপড় প্রদর্শন করবে। এর মধ্যে ২২০টি সম্পূর্ণ নতুন উদ্ভাবন এবং ৬০টি উন্নত প্রযুক্তির টেক্সটাইল ইনোভেশন রয়েছে, যা বৈশ্বিক ফ্যাশন ট্রেন্ডের সঙ্গে তাল মিলিয়ে তৈরি করা হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটির এবারের সংগ্রহের মূল লক্ষ্য হলো টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা। এই লক্ষ্য অর্জনে তারা ১০০ শতাংশ রিসাইকেলড টেক্সটাইল, পাট ও আনারসের আঁশ থেকে তৈরি ফাইবার এবং লিনেন ও কলার ফাইবারের মতো প্রাকৃতিক উপাদানের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। এছাড়াও প্রদর্শনীতে স্থান পাবে রিসাইকেলড পলিয়েস্টার, টেনসেল™, ভিসকোস™, ইকোভেরো™ এবং সার্কুলোস™-এর মতো আধুনিক তন্তু। পোশাকের গুণগত মান ও স্থায়িত্ব বাড়াতে এতে ব্যবহার করা হয়েছে সিআইসিএলও (CiCLO™), রিসাইকেলড ইলাস্টেন এবং রিকো ভার্টেক্সের মতো বিশেষ প্রযুক্তি।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, গত বছর অটাম/উইন্টার প্রদর্শনীতে ৫০০-এর বেশি শিল্প বিশেষজ্ঞ অংশ নিলেও এবার সেই সংখ্যা ৭৫০ ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই প্রদর্শনীতে দেশি-বিদেশি ক্রেতা, শীর্ষস্থানীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ডের প্রতিনিধি, ডিজাইনার এবং পরিবেশবান্ধব পোশাক শিল্প বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত থাকবেন।
আয়োজন প্রসঙ্গে জাবের অ্যান্ড জুবায়ের ফেব্রিকস লিমিটেডের একজন মুখপাত্র জানান, ১৭তম ফ্যাব্রিক উইকের মাধ্যমে তারা মূলত ভবিষ্যৎমুখী ও দায়িত্বশীল ফ্যাশনকে তুলে ধরতে চান। নতুন ২২০টি উদ্ভাবনের মাধ্যমে কেবল পোশাকের বৈচিত্র্য নয়, বরং পরিবেশের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব কমিয়ে কীভাবে গুণগত মানসম্পন্ন টেক্সটাইল উৎপাদন করা সম্ভব, সেই দিশাই তারা দেখিয়েছেন।
টেক্সটাইল ও ফ্যাশন শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের এই প্রদর্শনীতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আধুনিক ও টেকসই পোশাক শিল্পের ভবিষ্যৎ রূপরেখা এবং নতুন উদ্ভাবন নিয়ে আলোচনার জন্য এই ফ্যাব্রিক উইক একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
রিপোর্টারের নাম 

























