ঢাকা ১১:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬

অভিনয়ের নতুন অধ্যায়: ‘রইদ’ সিনেমার জন্য নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করলেন নাজিফা তুষি

অভিনয় জগতে দ্রুত পরিচিতি পাওয়া নাজিফা তুষি ‘আইসক্রিম’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন এবং ‘হাওয়া’ সিনেমায় অভিনয় করে দর্শক মহলে সাড়া ফেলেন। সম্প্রতি তিনি ‘রইদ’ নামের নতুন একটি সিনেমার শুটিং শেষ করেছেন। এই সিনেমার মুক্তির আগমুহূর্তে তিনি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন এবং স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটি দেখার পর তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।

মেজবাউর রহমান সুমনের পরিচালনায় কাজ করাকে সৌভাগ্যের বলে উল্লেখ করে তুষি বলেন, পরিচালকের কাজের পদ্ধতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। তিনি অভিনেতাদের চরিত্রের গভীরে নিয়ে যান এবং বাস্তবতার কাছাকাছি এক অভিজ্ঞতা প্রদান করেন, যেখানে জোর করে কিছু করতে হয় না, বরং স্বাভাবিকভাবেই চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলা সম্ভব হয়।

‘রইদ’ সিনেমায় ‘সাধুর বউ’ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তুষি গ্রামীণ নারীর অবয়ব ফুটিয়ে তুলতে বিশেষ প্রস্তুতি নেন। শুটিংয়ের আগে থেকেই তিনি লোকাল বাজার থেকে ব্যবহৃত কাপড় কিনে পরতেন, যা চরিত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে বাহ্যিক রূপান্তরের চেয়ে চরিত্রের মনস্তত্ত্ব বোঝা তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

চরিত্রের জন্য বাহ্যিক রূপ পরিবর্তনের প্রতিকূলতা বা আত্মত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে তুষি জানান যে, কস্টিউম বা শারীরিক পরিবর্তন ছোট বিষয়। চরিত্রের মানসিক দিকটি অনুধাবন করা এবং সেই অনুযায়ী নিজেকে উপস্থাপন করাই ছিল সবচেয়ে উপভোগ্য। তার মতে, নিজেকে অসুন্দর দেখানো বা কালো হয়ে যাওয়া কঠিন কিছু নয়, বরং এটি একটি সহজ প্রক্রিয়া। এই নতুন অভিজ্ঞতাকে তিনি আত্মত্যাগ হিসেবে না দেখে আনন্দের সাথে গ্রহণ করেছেন এবং নিজের জীবনে যুক্ত করেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কোরবানির চামড়া অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে, হতাশ বিক্রেতারা

অভিনয়ের নতুন অধ্যায়: ‘রইদ’ সিনেমার জন্য নিজেকে নতুনভাবে আবিষ্কার করলেন নাজিফা তুষি

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬

অভিনয় জগতে দ্রুত পরিচিতি পাওয়া নাজিফা তুষি ‘আইসক্রিম’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন এবং ‘হাওয়া’ সিনেমায় অভিনয় করে দর্শক মহলে সাড়া ফেলেন। সম্প্রতি তিনি ‘রইদ’ নামের নতুন একটি সিনেমার শুটিং শেষ করেছেন। এই সিনেমার মুক্তির আগমুহূর্তে তিনি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন এবং স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটি দেখার পর তার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন।

মেজবাউর রহমান সুমনের পরিচালনায় কাজ করাকে সৌভাগ্যের বলে উল্লেখ করে তুষি বলেন, পরিচালকের কাজের পদ্ধতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। তিনি অভিনেতাদের চরিত্রের গভীরে নিয়ে যান এবং বাস্তবতার কাছাকাছি এক অভিজ্ঞতা প্রদান করেন, যেখানে জোর করে কিছু করতে হয় না, বরং স্বাভাবিকভাবেই চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলা সম্ভব হয়।

‘রইদ’ সিনেমায় ‘সাধুর বউ’ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তুষি গ্রামীণ নারীর অবয়ব ফুটিয়ে তুলতে বিশেষ প্রস্তুতি নেন। শুটিংয়ের আগে থেকেই তিনি লোকাল বাজার থেকে ব্যবহৃত কাপড় কিনে পরতেন, যা চরিত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। তবে বাহ্যিক রূপান্তরের চেয়ে চরিত্রের মনস্তত্ত্ব বোঝা তার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

চরিত্রের জন্য বাহ্যিক রূপ পরিবর্তনের প্রতিকূলতা বা আত্মত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে তুষি জানান যে, কস্টিউম বা শারীরিক পরিবর্তন ছোট বিষয়। চরিত্রের মানসিক দিকটি অনুধাবন করা এবং সেই অনুযায়ী নিজেকে উপস্থাপন করাই ছিল সবচেয়ে উপভোগ্য। তার মতে, নিজেকে অসুন্দর দেখানো বা কালো হয়ে যাওয়া কঠিন কিছু নয়, বরং এটি একটি সহজ প্রক্রিয়া। এই নতুন অভিজ্ঞতাকে তিনি আত্মত্যাগ হিসেবে না দেখে আনন্দের সাথে গ্রহণ করেছেন এবং নিজের জীবনে যুক্ত করেছেন।