বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম একশ’ দিনে দুইশ’ উদ্যোগ ও প্রকল্প গ্রহণ এবং সেগুলোর বাস্তবায়ন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, এসব উদ্যোগ জনজীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে এবং জাতির সামনে নতুন আশাবাদ ও ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা নিয়ে এসেছে।
সরকারের এই কর্মপ্রচেষ্টার উল্লেখযোগ্য অর্জন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম এবং গৃহীত উদ্যোগ তুলে ধরে একটি ই-বুক প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত এই ই-বুকে বলা হয়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সরকারের প্রথম ১০০ দিন ছিল মূলত দিকনির্ধারণ, প্রশাসনিক পুনর্গঠন এবং জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারের সময়। অর্থনৈতিক চাপ, বৈশ্বিক অস্থিরতা, জ্বালানি সংকট, কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা এবং দীর্ঘদিনের প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতার মধ্যেও সরকার দ্রুত কিছু নীতিগত ও জনমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
ই-বুকে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই সময়ে সরকারের কার্যক্রমে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় সরাসরি প্রভাব ফেলে এমন সামাজিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা, প্রশাসনিক ও বিচারব্যবস্থায় ডিজিটাল ও কাঠামোগত সংস্কার এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত পরিকল্পনা। আলোচিত উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে—ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, কৃষিঋণ মওকুফ, স্পোর্টস কার্ড, ই-হেলথ কার্ড, ডিজিটাল ভূমিসেবা, ই-বেইলবন্ড, খাল পুনঃখনন, ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় গুরুদের আর্থিক সম্মানী প্রদান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং শিক্ষা ও তরুণদের জন্য নতুন কর্মসূচি।
একইসঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কিছু ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত সরকারের রাজনৈতিক বার্তাকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—রাষ্ট্রীয় প্রটোকল সীমিত রাখা, সরকারি ব্যয়ে সংযম, মাঠপর্যায়ের সমস্যা দ্রুত সমাধানের নির্দেশ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, জ্বালানি নিরাপত্তা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি সংস্কার বাস্তবায়ন এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবুও প্রথম ১০০ দিনে সরকার একটি সক্রিয়, দ্রুত সিদ্ধান্তগ্রহণকারী এবং জনমুখী প্রশাসনের চিত্র তুলে ধরেছে।
রিপোর্টারের নাম 






















