‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা’ স্লোগানে সিলেটের রিকাবিবাজারে সিলেট স্টেডিয়ামে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন তারেক রহমান। শনিবার (২ মে) বিকেলে শিশু-কিশোরদের উপস্থিতিতে লাল বাটন চেপে ট্রফি ও লোগো উন্মোচনের মাধ্যমে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন তিনি। এ সময় সারা দেশের জেলা স্টেডিয়ামগুলো থেকেও খুদে খেলোয়াড়রা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিল।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগী হওয়ার আহ্বান জানান এবং বলেন, নতুন প্রজন্মই দেশের ভবিষ্যৎ। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকেই ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক খেলোয়াড়, চিকিৎসক, প্রকৌশলী ও নেতৃত্ব তৈরি হবে এবং দেশের স্বার্থ তুলে ধরতে তাদের অ্যাম্বাসেডরের ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, একসময় যুদ্ধের মাধ্যমে এবং পরে ২০২৪ সালে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করা হয়েছে, আর ভবিষ্যতে খেলাধুলার মাধ্যমেই তরুণরা বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে তুলে ধরবে। এছাড়া কয়েক বছর আগে লন্ডনে এ উদ্যোগ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, স্পোর্টস ডিপ্লোমেসিতে জাইমা রহমানকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচির মাধ্যমে সারা দেশে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করে তা বিকাশের সুযোগ তৈরি করা হবে। তৃণমূল পর্যায় থেকে প্রতিভাবান খেলোয়াড় গড়ে তুলতে ইউনিয়ন ও সিটি করপোরেশনের ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত এই কার্যক্রম বিস্তৃত করা হয়েছে। বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী ক্রীড়া পরিদফতর এ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে এবং এর তত্ত্বাবধানে রয়েছে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়।
রিপোর্টারের নাম 























