বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী বলেছেন, “আমার বাবা আমাকে শিখিয়েছেন যে, রাজনীতি করতে হলে শরীরের চেয়ে কলিজা বড় হতে হয়।” তিনি আরও বলেন, “যারা একসময় আমাদের কাছ থেকে দূরে সরে গিয়েছিল বা অন্য দল করত, তাদেরও সুযোগ দিতে হবে। রাঙ্গুনিয়ার সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।”
তিনি শনিবার (৮ নভেম্বর) রাঙ্গুনিয়া উপজেলার উত্তর পদুয়া মদিনাতুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা হেফজখানা ও এতিমখানার বার্ষিক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার সময় এই কথাগুলো বলেন।
তিনি বলেন, “রাঙ্গুনিয়ার মাটিতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের আর সুযোগ দেওয়া যাবে না। তারা আমাদের ওপর যে অত্যাচার চালিয়েছে, আমরা যেন সেই অত্যাচার আর কারও ওপর না করি। রাঙ্গুনিয়ার নতুন স্লোগান হওয়া উচিত ‘ভালোবাসার রাঙ্গুনিয়া’।” তিনি আরও বলেন, “একসময় এই এলাকাটিকে আওয়ামী লীগ তাদের ঘাঁটি বলত, আজ সেই জায়গা থেকেই আমি বিসমিল্লাহ করছি। কারণ বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের আর কোনো ঘাঁটি নেই। তাদের নেত্রী দেশের নেতাকর্মীদের ফেলে পালিয়ে গেছেন। অথচ বিএনপির নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া প্রমাণ করেছেন, কীভাবে জনগণের পাশে থাকতে হয়। রাঙ্গুনিয়ার মানুষ এরই মধ্যে ধানের শীষের পক্ষে রায় দিয়েছেন। তাই জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিশ্বাস, রাঙ্গুনিয়ার মানুষ বিএনপির সাথেই আছে।”
অনুষ্ঠানটি মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ শওকত আলী নূরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত সুপার মাওলানা জাফরুল ইসলাম। এ ছাড়া অতিথি হিসেবে জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রোটারিয়ান জসিম উদ্দীন চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। সভায় মাদ্রাসার দাতা সদস্য ও আগত অতিথিদের সংবর্ধনা জানানো হয়। এসময় হুমাম কাদের চৌধুরীকেও বিশেষ টুপি পরিয়ে সম্মান জানানো হয়।
রিপোর্টারের নাম 





















