রাজধানীর ধোলাইখাল গরুর হাটে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের কাজ প্রায় শেষ হলেও এখনো সড়ক ও ফুটপাতজুড়ে পড়ে আছে হাটের বাঁশ ও খুঁটি। এর ফলে পথচারী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ঈদুল আজহার পরপরই হাটের বর্জ্য দ্রুত সরিয়ে নেওয়া হলেও অবকাঠামোগত এই সামগ্রীগুলো অপসারণ করা হয়নি।
শুক্রবার বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, ধোলাইখাল হাট এলাকার সড়কের দুই পাশ এবং ফুটপাতজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে বাঁশের খুঁটি। কিছু খুঁটি স্তূপ করে রাখা হয়েছে, আবার কিছু এলোমেলোভাবে পড়ে আছে। অনেক পথচারী ফুটপাত ব্যবহার করতে না পেরে সরাসরি সড়ক দিয়েই চলাচল করছেন, যা দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী জানিয়েছেন, হাট শেষ হওয়ার পর ইজারাদার চলে গেছেন। তবে বাঁশ ও খুঁটিগুলো চুক্তির ভিত্তিতে বসানো হয়েছিল এবং যিনি চুক্তিতে এগুলো দিয়েছেন, তিনিই পরে সেগুলো সরিয়ে নেবেন। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বর্জ্য অপসারণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে, তবে পড়ে থাকা বাঁশ ও খুঁটিগুলো একত্র করার কাজ চলছে। চুক্তিবদ্ধ ব্যক্তিটির জনবল কম থাকায় সবকিছু একসঙ্গে সরানো সম্ভব হচ্ছে না, তবে দ্রুত এগুলো সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে তিনি জানান।
স্থানীয় এক দোকানদার বলেন, বর্জ্য সরানো হলেও রাস্তার পাশে এত বাঁশ পড়ে থাকায় আবারও বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছে। রাতে চলাচলেও ঝুঁকি থাকে। আরেকজন পথচারী জানান, ফুটপাত দখল হয়ে থাকায় মানুষ বাধ্য হয়ে সড়ক দিয়ে হাঁটছে, যা দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে।
হাট সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই বাঁশ ও খুঁটিগুলো বিক্রি করে দেওয়া হবে। কিছু বাঁশ বিভিন্ন স্থানে জড়ো করার কাজ শুরু হয়েছে। তবে রাস্তার পাশে পড়ে থাকা কিছু বাঁশ অনেকেই নিয়ে যাচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। বাঁশ সরানোর জন্য আলাদা ব্যক্তির সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে, যিনি ধাপে ধাপে এগুলো তুলে নিয়ে যাবেন এবং পরে বিক্রি করবেন। স্থানীয়দের দাবি, বর্জ্যের মতো হাটের অবশিষ্ট বাঁশ ও খুঁটিও দ্রুত অপসারণ করে সড়ক ও ফুটপাত স্বাভাবিক চলাচলের উপযোগী করা হোক।
রিপোর্টারের নাম 





















