ইরান শনিবার (৪ অক্টোবর) নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও এক ধর্মীয় নেতাকে হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে বলে দেশটির বিচার বিভাগ জানিয়েছে।
সংবাদমাধ্যম রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে ৬ জনই দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় খুজেস্তান প্রদেশের খোররাম শহরের আরব জাতিগোষ্ঠীর বিচ্ছিন্নতাবাদী, যারা সেখানকার নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর সশস্ত্র হামলা ও বোমা হামলা চালিয়ে ৪ সদস্যকে হত্যা করেছিল।
তাদের মধ্যে অন্য একজন সামান মোহাম্মাদি খিয়ারেহ কুর্দ জাতিগোষ্ঠীর সদস্য। তাকে ২০০৯ সালে কুর্দিস্তান প্রদেশের সানানদাজ শহরে সরকারপন্থী সুন্নি আলেম মামুস্তা শেখ আল-ইসলামের হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের ইসরায়েলের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল। তবে মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, ইরান সরকার প্রায়ই জাতিগত সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তোলে বিরোধিতা বা আন্দোলনকে দেশিয় নয়, বরং বিদেশি মদদপুষ্ট হিসেবে উপস্থাপন করার জন্য।
অ্যাক্টিভিস্টরা সামান মোহাম্মাদি খিয়ারেহর মামলাটি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের দাবি, হত্যাকাণ্ডের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৫ বা ১৬ বছর কিন্তু গ্রেপ্তার করা হয় ১৯ বছর বয়সে; এরপর এক দশকেরও বেশি সময় কারাগারে কাটানোর পর তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতে, তার স্বীকারোক্তি আদায় করা হয় নির্যাতনের মাধ্যমে যা ইরানি আদালতের একটি সাধারণ প্রক্রিয়ায় পরিণত হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























