ঢাকা ০৯:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল বাংলাদেশের এলিগ্যান্ট চেস একাডেমি

বাংলাদেশের দাবা অঙ্গনে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। মাহমুদা হক মলি প্রতিষ্ঠিত এলিগ্যান্ট চেস একাডেমি আন্তর্জাতিক দাবা সংস্থা ফিদে (FIDE) কর্তৃক বিশ্বের ৩৭তম সেরা দাবা একাডেমি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। ২০১৫ সালে যাত্রা শুরু করা এই একাডেমিটি ১০ বছরেরও কম সময়ে এই বড় অর্জনটি করেছে।

একাডেমিটি বর্তমানে ঢাকার উত্তরার একটি দোতলা বাড়িতে চারটি গ্রুপে উদীয়মান দাবাড়ুদের প্রশিক্ষণ প্রদান করছে। এখানে চার বছর বয়স থেকে যেকোনো বয়সের মানুষ দাবা শিখতে পারেন এবং এর কার্যক্রম পরিচালিত হয় ন্যূনতম ফির বিনিময়ে।

এলিগ্যান্ট চেস একাডেমির হাত ধরে উঠে এসেছেন মনন রেজা নীড় ও নোশিন আঞ্জুমের মতো তারকা দাবাড়ু। এছাড়াও একাডেমির আরও অনেক খেলোয়াড় জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করেছেন। স্থানীয় ফিদে কোচ থেকে শুরু করে গ্র্যান্ডমাস্টাররাও এখানে প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। একাডেমিটি কেবল প্রশিক্ষণই দেয় না, বরং প্রথম বিভাগ দাবা লিগেও অংশগ্রহণ করে এবং নিয়মিত রেটিং দাবার আয়োজন করে থাকে।

ফিদে-র সকল শর্ত পূরণ করার পরই এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আসে। একাডেমির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহমুদা হক মলি এই অর্জনে অত্যন্ত আনন্দিত। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের একটি একাডেমি বিশ্বের সেরা ৫০টির মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে। এটা সহজ ছিল না। অনেক শর্ত পূরণের পর আমরা এই সনদ পেয়েছি।’ কোভিডের কারণে একাডেমির কিছু শাখা বন্ধ হয়ে গেলেও, উত্তরায় বড় পরিসরে কোচিং কার্যক্রম চলছে। মলি আশা প্রকাশ করেন, এই একাডেমি থেকে ভবিষ্যতে আরও অনেক প্রতিভাবান দাবাড়ু উঠে আসবে যারা দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামের মহিষ দেখতে চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড়

আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল বাংলাদেশের এলিগ্যান্ট চেস একাডেমি

আপডেট সময় : ০৮:৩৯:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

বাংলাদেশের দাবা অঙ্গনে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। মাহমুদা হক মলি প্রতিষ্ঠিত এলিগ্যান্ট চেস একাডেমি আন্তর্জাতিক দাবা সংস্থা ফিদে (FIDE) কর্তৃক বিশ্বের ৩৭তম সেরা দাবা একাডেমি হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। ২০১৫ সালে যাত্রা শুরু করা এই একাডেমিটি ১০ বছরেরও কম সময়ে এই বড় অর্জনটি করেছে।

একাডেমিটি বর্তমানে ঢাকার উত্তরার একটি দোতলা বাড়িতে চারটি গ্রুপে উদীয়মান দাবাড়ুদের প্রশিক্ষণ প্রদান করছে। এখানে চার বছর বয়স থেকে যেকোনো বয়সের মানুষ দাবা শিখতে পারেন এবং এর কার্যক্রম পরিচালিত হয় ন্যূনতম ফির বিনিময়ে।

এলিগ্যান্ট চেস একাডেমির হাত ধরে উঠে এসেছেন মনন রেজা নীড় ও নোশিন আঞ্জুমের মতো তারকা দাবাড়ু। এছাড়াও একাডেমির আরও অনেক খেলোয়াড় জাতীয় পর্যায়ে নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করেছেন। স্থানীয় ফিদে কোচ থেকে শুরু করে গ্র্যান্ডমাস্টাররাও এখানে প্রশিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। একাডেমিটি কেবল প্রশিক্ষণই দেয় না, বরং প্রথম বিভাগ দাবা লিগেও অংশগ্রহণ করে এবং নিয়মিত রেটিং দাবার আয়োজন করে থাকে।

ফিদে-র সকল শর্ত পূরণ করার পরই এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আসে। একাডেমির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহমুদা হক মলি এই অর্জনে অত্যন্ত আনন্দিত। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের একটি একাডেমি বিশ্বের সেরা ৫০টির মধ্যে জায়গা করে নিয়েছে। এটা সহজ ছিল না। অনেক শর্ত পূরণের পর আমরা এই সনদ পেয়েছি।’ কোভিডের কারণে একাডেমির কিছু শাখা বন্ধ হয়ে গেলেও, উত্তরায় বড় পরিসরে কোচিং কার্যক্রম চলছে। মলি আশা প্রকাশ করেন, এই একাডেমি থেকে ভবিষ্যতে আরও অনেক প্রতিভাবান দাবাড়ু উঠে আসবে যারা দেশের জন্য গৌরব বয়ে আনবে।