ঈদুল আজহায় চলচ্চিত্রের মুক্তিকে কেন্দ্র করে যখন নানা আয়োজন চলছে, তখন তারকাদের বাণিজ্যিক ছবির পাশাপাশি ‘রইদ’ এবং ‘বনলতা সেন’ সিনেমা দুটি বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গান, ট্রেলার এবং প্রচারণায় তুমুল আলোচিত এই দুটি চলচ্চিত্রের নির্মাতা বাস্তব জীবনে দীর্ঘদিনের বন্ধু। তারা হলেন মেজবাউর রহমান সুমন এবং মাসুদ হাসান উজ্জ্বল, যারা বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকে একসঙ্গে পথ চলছেন এবং জনপ্রিয় ব্যান্ড ‘মেঘদল’-এরও দুই প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য।
এই দুই বন্ধুর রণকৌশল যেন সিনেমার জগতেও এক হয়ে গেছে। ঈদে সিঙ্গেল স্ক্রিনের পরিবর্তে সিনেপ্লেক্সগুলোতে মুক্তি পাচ্ছে তাদের আলোচিত চলচ্চিত্র দুটি। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন নির্মাতাদ্বয়। তথাকথিত বাণিজ্যিক ধারার বাইরে গল্পনির্ভর এই ধরনের চলচ্চিত্রের দর্শকগোষ্ঠীও বেশ সুনির্দিষ্ট। ফলে, এই মুখোমুখি প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।
মাসুদ হাসান উজ্জ্বল ‘মুখোমুখি’ শব্দটি ব্যবহার করতে আপত্তি জানিয়ে বলেন, “মুখোমুখি শব্দটা বলাই যাবে না। আমরা এখনও বন্ধু, আমাদের দেখা হয়, আড্ডা হয়। ‘রইদ’-এর জন্য শুভকামনা থাকবে। শুধু ‘রইদ’ না, অন্য চলচ্চিত্রগুলোর জন্যও আমার শুভকামনা রইল।”
মেজবাউর রহমান সুমন জানান, সিনেমা উদযাপন করতে গিয়েই তাদের এই অবস্থান কাকতালীয়ভাবে তৈরি হয়েছে। তবে এতে তাদের বন্ধুত্বে কোনো ভাটা পড়েনি, বরং তারা একে অপরের সাফল্য কামনা করেন। তিনি বলেন, “আমরা কিছু বলার আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখি, মানুষ দুই বন্ধুকে নিয়ে নানা কথা বলছে। কিন্তু আমাদের মধ্যে কোনো অসুস্থ প্রতিযোগিতা নেই। আমরা একে অন্যের সাফল্য কামনা করি।”
বন্ধুত্বের স্মৃতিচারণ করে সুমন বলেন, “আমি যখন কাজ শুরু করেছিলাম, তখন আমরা একই সময়ে টেলিভিশনে নির্মাণ করেছি। আমাদের জার্নি একই রকম, আবার ভিন্ন রকমও। ও এক ধরনের বিশ্বাসের ছবি বানায়, আমি আরেক ধরনের। দুজনের নির্মাণই মানুষ টেলিভিশনে দেখেছে। এখন সিনেমা হলে মানুষ যখন দেখবে, তখন কেমন লাগবে—সেটা অনুভব করার চেষ্টা করছি।” তিনি আরও যোগ করেন, “আমরা ব্যান্ডমেট ছিলাম, একসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছি। নানা আলোচনা-তর্কের মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠেছি। আমি, শিবু কুমার শীল ও উজ্জ্বল—সবসময় একসঙ্গেই ছিলাম। ওর ‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’ আমরা একসঙ্গে হলে গিয়ে দেখেছি। এবারও নিশ্চয়ই…”
রিপোর্টারের নাম 

























