পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের উপদেষ্টারা যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের কাছে আরব সাগরে নতুন একটি বন্দর নির্মাণ ও পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছেন।
শুক্রবার (৩ অক্টোবর) ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন বিনিয়োগকারীরা পাকিস্তানের গুরুত্বপূর্ণ খনিজসম্পদে প্রবেশাধিকার পাওয়ার উদ্দেশ্যে বেলুচিস্তানের গওয়াদার জেলার পাশনি শহরে একটি টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনা করবেন। পাশনি বন্দর নগরী আফগানিস্তান ও ইরান সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই উদ্যোগ আসে এমন এক সময়, যখন গত সেপ্টেম্বর মাসে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান মুনির হোয়াইট হাউসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে শাহবাজ শরিফ কৃষি, প্রযুক্তি, খনন ও জ্বালানি খাতে মার্কিন বিনিয়োগ আকর্ষণের আহ্বান জানান।
ফাইন্যান্সিয়াল টাইমস আরও জানায়, প্রস্তাবটি কিছু মার্কিন কর্মকর্তার সঙ্গে অনানুষ্ঠানিকভাবে ভাগ করা হয় এবং পরে তা মুনিরকে উপস্থাপন করা হয় ট্রাম্পের সঙ্গে গত মাসের শেষের দিকে অনুষ্ঠিত বৈঠকের আগে।
পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত এই বন্দরটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করা হবে না; বরং এর লক্ষ্য হলো উন্নয়ন তহবিল আকর্ষণ করে বন্দরটিকে পশ্চিম পাকিস্তানের খনিজসমৃদ্ধ প্রদেশগুলোর সঙ্গে রেল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করা।
বিশ্লেষকদের মতে, বেলুচিস্তানে চীনের বিনিয়োগকেন্দ্রিক গওয়াদার বন্দরের বিকল্প হিসেবে পাশনিতে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত নতুন বন্দর গড়ে তোলা পাকিস্তানের কৌশলগত অবস্থানকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 

























