ঢাকা ০৩:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

কৃষিজমি সুরক্ষা ও ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫: নতুন আইন ও কঠোর শাস্তির বিধান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৩:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

দেশের কৃষিজমি সংরক্ষণ, ভূমির জোনভিত্তিক পরিকল্পনা এবং পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল এলাকা রক্ষার লক্ষ্যে সরকার ‘ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষি ভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ প্রণয়ন করেছে। অপরিকল্পিত নগরায়ন ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কারণে কৃষিজমি দ্রুত কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এই অধ্যাদেশটি আনা হয়েছে। এই আইন অনুযায়ী, অনুমোদন ছাড়া কৃষিজমি অকৃষি কাজে ব্যবহার, বাণিজ্যিক আবাসন, রিসোর্ট বা শিল্পপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

ভূমি মন্ত্রণালয় সম্প্রতি অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্ত করেছে। উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদনের পর গেজেট জারির মাধ্যমে এটি কার্যকর হবে এবং রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি এই তিনটি পার্বত্য জেলা ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশে এটি প্রযোজ্য হবে।

অধ্যাদেশ প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা

খসড়ায় বলা হয়েছে, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, অপরিকল্পিত নগরায়ন, আবাসন, উন্নয়নমূলক কাজ, শিল্প-কারখানা স্থাপন এবং রাস্তাঘাট নির্মাণের কারণে ভূমির প্রকৃতি ও শ্রেণি ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং কৃষিজমির পরিমাণ কমছে। বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষিভূমি সুরক্ষা এবং ভূমিরূপ ও ভূ-প্রকৃতি অনুসারে ভূমির জোনভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য এই অধ্যাদেশটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

ভূমি ব্যবহার জোনিং ম্যাপ ও শ্রেণিবিন্যাস

অধ্যাদেশ কার্যকর হওয়ার দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকার আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে ‘ভূমি ব্যবহার জোনিং ম্যাপ’ প্রণয়ন করবে। এই ম্যাপ প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ভূমিকে মোট ১৮টি শ্রেণিভুক্ত করা হবে, যার মধ্যে রয়েছে কৃষি অঞ্চল, বিশেষ কৃষি অঞ্চল, জলাশয়, পরিবহন ও যোগাযোগ অঞ্চল, আবাসিক অঞ্চল, বাণিজ্যিক অঞ্চল, শিল্প অঞ্চল, বন ও রক্ষিত এলাকা অঞ্চল, পাহাড়-টিলা ইত্যাদি। জাতীয় স্বার্থে সরকার প্রয়োজন অনুসারে নতুন জোন সৃজন বা বিদ্যমান জোন পরিবর্তন করতে পারবে।

কৃষিভূমি সুরক্ষা বিধান

অধ্যাদেশের ৭ ধারা অনুযায়ী, সর্বশেষ ভূমি জরিপের স্বত্বলিপি ও সরেজমিন পরিদর্শনের ভিত্তিতে নাল, বিলান, ধানি জমি, বীজতলা, বাগান, মৎস্য চাষ, পুকুর পাড়সহ সমজাতীয় আবাদি ভূমিকে কৃষিভূমি হিসেবে গণ্য করা হবে। এই অধ্যাদেশ জারি হওয়ার পর সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে কৃষিভূমি চিহ্নিত করে ভূমি ম্যাপিংয়ের কাজ শুরু করবে।

  • বিশেষ কৃষি অঞ্চল: সরকার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুই বা ততোধিক ফসল উৎপাদিত হয় এমন কৃষিজমি রক্ষায় বিশেষ কৃষি অঞ্চল ঘোষণা করবে, যা কৃষি ব্যতীত অন্য কোনো প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাবে না।
  • অকৃষি কাজে ব্যবহার: বিশেষ কৃষি অঞ্চল বহির্ভূত দুই বা ততোধিক ফসলি কৃষিজমি অকৃষি কাজে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যাবে না। তবে জ্বালানি, খনিজ সম্পদ বা প্রত্নসম্পদ সন্ধানসহ অপরিহার্য কোনো জাতীয় প্রয়োজনে নিরপেক্ষ প্রভাব নিরূপণ সাপেক্ষে মোট কৃষিভূমির ১০ ভাগের বেশি অকৃষিকাজে ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করা যাবে না।
  • পরিবেশগত সুরক্ষা: ইটভাটায় ব্যবহারের জন্য কৃষিজমির উপরিভাগ, পাহাড়-টিলা এবং জলাধারের পাড়ের মাটি ক্রয়-বিক্রয়, অপসারণ, পরিবহন ও ব্যবহার করা যাবে না। বিদ্যমান আইনে যাই থাকুক না কেন, কোনো উন্নয়ন প্রকল্পে জলাধার বা জলাভূমি ভরাট করা বা পাহাড়-টিলা কর্তন করা যাবে না এবং প্রাকৃতিক বন বন-বিরুদ্ধ কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

জেলা প্রশাসকদের দায়িত্ব

অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য জেলা প্রশাসকদের ওপর কিছু দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জোনিং ম্যাপ সমাপ্ত হোক বা না হোক কৃষিভূমির তালিকা প্রস্তুত ও সুরক্ষা, জলাধার, জলাভূমি, পাহাড়-টিলা, বন ও গো-চারণভূমির তালিকা প্রস্তুত ও সংরক্ষণ, এবং ইটভাটার লাইসেন্স দেওয়ার আগে মাটির সুনির্দিষ্ট উৎস চিহ্নিত করা।

অপরাধ ও দণ্ড

অধ্যাদেশের ১৪ ধারায় সুনির্দিষ্ট অপরাধ ও দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। অনুমোদন ব্যতীত কৃষিভূমি অকৃষিকাজে ব্যবহার, কৃষিভূমিতে বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ, ইটভাটায় কৃষিজমির উপরিভাগ বা পাহাড়-টিলার মাটি ব্যবহার এবং বিশেষ কৃষি অঞ্চল, জলাধার, জলাভূমি, পাহাড়-টিলা বা বনের ক্ষতিসাধন অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

  • অনুমোদন ছাড়া কৃষিভূমি অকৃষিকাজে ব্যবহার: সর্বোচ্চ ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ২ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
  • কৃষিভূমিতে বাণিজ্যিক আবাসন, রিসোর্ট বা কারখানা নির্মাণ: সর্বোচ্চ ২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
  • বিশেষ কৃষি অঞ্চলের ক্ষতিসাধন: সর্বোচ্চ ৩ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
  • জলাধার, জলাভূমি, পাহাড়-টিলা ও বনের ক্ষতিসাধন: প্রচলিত আইনের পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ, ভূমির প্রকৃতি পুনঃস্থাপন, অবৈধভাবে ভরাটকৃত মাটি ও স্থাপনা অপসারণসহ প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া যাবে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছেন, এই অধ্যাদেশের মূল লক্ষ্য হলো কৃষিজমির সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং খাদ্য ঘাটতি রোধ করা। শুধু কৃষিজমি নয়, বন, পাহাড়, জলাশয়সহ অন্যান্য জমির সুরক্ষা নিশ্চিত করতেও এই অধ্যাদেশ কাজ করবে। এটি দ্রুতই কার্যকর করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে মতপার্থক্য

কৃষিজমি সুরক্ষা ও ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫: নতুন আইন ও কঠোর শাস্তির বিধান

আপডেট সময় : ১০:৪৩:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

দেশের কৃষিজমি সংরক্ষণ, ভূমির জোনভিত্তিক পরিকল্পনা এবং পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল এলাকা রক্ষার লক্ষ্যে সরকার ‘ভূমি ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ ও কৃষি ভূমি সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’ প্রণয়ন করেছে। অপরিকল্পিত নগরায়ন ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কারণে কৃষিজমি দ্রুত কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এই অধ্যাদেশটি আনা হয়েছে। এই আইন অনুযায়ী, অনুমোদন ছাড়া কৃষিজমি অকৃষি কাজে ব্যবহার, বাণিজ্যিক আবাসন, রিসোর্ট বা শিল্পপ্রতিষ্ঠান নির্মাণ করলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

ভূমি মন্ত্রণালয় সম্প্রতি অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্ত করেছে। উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদনের পর গেজেট জারির মাধ্যমে এটি কার্যকর হবে এবং রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি এই তিনটি পার্বত্য জেলা ব্যতীত সমগ্র বাংলাদেশে এটি প্রযোজ্য হবে।

অধ্যাদেশ প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা

খসড়ায় বলা হয়েছে, ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, অপরিকল্পিত নগরায়ন, আবাসন, উন্নয়নমূলক কাজ, শিল্প-কারখানা স্থাপন এবং রাস্তাঘাট নির্মাণের কারণে ভূমির প্রকৃতি ও শ্রেণি ক্রমাগত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং কৃষিজমির পরিমাণ কমছে। বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষিভূমি সুরক্ষা এবং ভূমিরূপ ও ভূ-প্রকৃতি অনুসারে ভূমির জোনভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য এই অধ্যাদেশটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

ভূমি ব্যবহার জোনিং ম্যাপ ও শ্রেণিবিন্যাস

অধ্যাদেশ কার্যকর হওয়ার দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকার আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে ‘ভূমি ব্যবহার জোনিং ম্যাপ’ প্রণয়ন করবে। এই ম্যাপ প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ভূমিকে মোট ১৮টি শ্রেণিভুক্ত করা হবে, যার মধ্যে রয়েছে কৃষি অঞ্চল, বিশেষ কৃষি অঞ্চল, জলাশয়, পরিবহন ও যোগাযোগ অঞ্চল, আবাসিক অঞ্চল, বাণিজ্যিক অঞ্চল, শিল্প অঞ্চল, বন ও রক্ষিত এলাকা অঞ্চল, পাহাড়-টিলা ইত্যাদি। জাতীয় স্বার্থে সরকার প্রয়োজন অনুসারে নতুন জোন সৃজন বা বিদ্যমান জোন পরিবর্তন করতে পারবে।

কৃষিভূমি সুরক্ষা বিধান

অধ্যাদেশের ৭ ধারা অনুযায়ী, সর্বশেষ ভূমি জরিপের স্বত্বলিপি ও সরেজমিন পরিদর্শনের ভিত্তিতে নাল, বিলান, ধানি জমি, বীজতলা, বাগান, মৎস্য চাষ, পুকুর পাড়সহ সমজাতীয় আবাদি ভূমিকে কৃষিভূমি হিসেবে গণ্য করা হবে। এই অধ্যাদেশ জারি হওয়ার পর সরকার দ্রুততম সময়ের মধ্যে কৃষিভূমি চিহ্নিত করে ভূমি ম্যাপিংয়ের কাজ শুরু করবে।

  • বিশেষ কৃষি অঞ্চল: সরকার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুই বা ততোধিক ফসল উৎপাদিত হয় এমন কৃষিজমি রক্ষায় বিশেষ কৃষি অঞ্চল ঘোষণা করবে, যা কৃষি ব্যতীত অন্য কোনো প্রয়োজনে ব্যবহার করা যাবে না।
  • অকৃষি কাজে ব্যবহার: বিশেষ কৃষি অঞ্চল বহির্ভূত দুই বা ততোধিক ফসলি কৃষিজমি অকৃষি কাজে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যাবে না। তবে জ্বালানি, খনিজ সম্পদ বা প্রত্নসম্পদ সন্ধানসহ অপরিহার্য কোনো জাতীয় প্রয়োজনে নিরপেক্ষ প্রভাব নিরূপণ সাপেক্ষে মোট কৃষিভূমির ১০ ভাগের বেশি অকৃষিকাজে ব্যবহারের অনুমতি প্রদান করা যাবে না।
  • পরিবেশগত সুরক্ষা: ইটভাটায় ব্যবহারের জন্য কৃষিজমির উপরিভাগ, পাহাড়-টিলা এবং জলাধারের পাড়ের মাটি ক্রয়-বিক্রয়, অপসারণ, পরিবহন ও ব্যবহার করা যাবে না। বিদ্যমান আইনে যাই থাকুক না কেন, কোনো উন্নয়ন প্রকল্পে জলাধার বা জলাভূমি ভরাট করা বা পাহাড়-টিলা কর্তন করা যাবে না এবং প্রাকৃতিক বন বন-বিরুদ্ধ কাজে ব্যবহার করা যাবে না।

জেলা প্রশাসকদের দায়িত্ব

অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণের জন্য জেলা প্রশাসকদের ওপর কিছু দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জোনিং ম্যাপ সমাপ্ত হোক বা না হোক কৃষিভূমির তালিকা প্রস্তুত ও সুরক্ষা, জলাধার, জলাভূমি, পাহাড়-টিলা, বন ও গো-চারণভূমির তালিকা প্রস্তুত ও সংরক্ষণ, এবং ইটভাটার লাইসেন্স দেওয়ার আগে মাটির সুনির্দিষ্ট উৎস চিহ্নিত করা।

অপরাধ ও দণ্ড

অধ্যাদেশের ১৪ ধারায় সুনির্দিষ্ট অপরাধ ও দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। অনুমোদন ব্যতীত কৃষিভূমি অকৃষিকাজে ব্যবহার, কৃষিভূমিতে বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ, ইটভাটায় কৃষিজমির উপরিভাগ বা পাহাড়-টিলার মাটি ব্যবহার এবং বিশেষ কৃষি অঞ্চল, জলাধার, জলাভূমি, পাহাড়-টিলা বা বনের ক্ষতিসাধন অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।

  • অনুমোদন ছাড়া কৃষিভূমি অকৃষিকাজে ব্যবহার: সর্বোচ্চ ১ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ২ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
  • কৃষিভূমিতে বাণিজ্যিক আবাসন, রিসোর্ট বা কারখানা নির্মাণ: সর্বোচ্চ ২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
  • বিশেষ কৃষি অঞ্চলের ক্ষতিসাধন: সর্বোচ্চ ৩ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
  • জলাধার, জলাভূমি, পাহাড়-টিলা ও বনের ক্ষতিসাধন: প্রচলিত আইনের পাশাপাশি ক্ষতিপূরণ, ভূমির প্রকৃতি পুনঃস্থাপন, অবৈধভাবে ভরাটকৃত মাটি ও স্থাপনা অপসারণসহ প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া যাবে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এ এস এম সালেহ আহমেদ ঢাকা পোস্টকে জানিয়েছেন, এই অধ্যাদেশের মূল লক্ষ্য হলো কৃষিজমির সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং খাদ্য ঘাটতি রোধ করা। শুধু কৃষিজমি নয়, বন, পাহাড়, জলাশয়সহ অন্যান্য জমির সুরক্ষা নিশ্চিত করতেও এই অধ্যাদেশ কাজ করবে। এটি দ্রুতই কার্যকর করা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।