ঢাকা ১১:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

১০৪ বছর বয়সে হজযাত্রী মারসিয়াহ: সঞ্চয় আর স্বপ্নের বিজয়গাথা

ইন্দোনেশিয়ার ধর্মপ্রাণ মুসলিম নারী মবাহ মারসিয়াহ ১০৪ বছর বয়সে এবারের হজ পালনকারী সবচেয়ে বয়স্ক হজযাত্রী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভার কেদিরি অঞ্চলের বাসিন্দা। ২০২৬ সালের জন্য নির্ধারিত ২ লাখ ২১ হাজার হজযাত্রীর প্রতিনিধি দলের অংশ হিসেবে তিনি এই পবিত্র তীর্থযাত্রা করার সুযোগ পেয়েছেন।

মারসিয়াহ ২০২১ সালে প্রথমবার হজের জন্য নিবন্ধন করেছিলেন। বহু বছর ধরে তিনি সঞ্চয় করে সৌদি আরবে গিয়ে হজ পালনের স্বপ্ন পূরণের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তিনি জানান, তিনি ঐতিহ্যবাহী পোরিজ বিক্রি করে অল্প অল্প করে টাকা জমাতেন। একটি কৌটায় সেই অর্থ রাখতেন এবং কোনো কারণে ঘাটতি হলে তার ছেলে তা পূরণ করে দিতেন।

বছরের পর বছর এভাবে সামান্য সামান্য করে টাকা জমিয়ে তিনি শেষ পর্যন্ত হজে নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করতে সক্ষম হন। নিজের এই স্বপ্নের কথা তিনি প্রথমে কাউকে জানাননি। তিনি বলেন, ‘আমি কাউকে বলিনি যে হজের জন্য টাকা জমাচ্ছি। এমনকি ঘনিষ্ঠ আত্মীয় ও প্রতিবেশীর কাছেও বিষয়টি গোপন রেখেছিলাম।’ পরে যখন পর্যাপ্ত অর্থ জমা হয়, তখন তিনি আশপাশের মানুষকে বিষয়টি জানান।

১৯২১ সালের ১ জুলাই জন্মগ্রহণকারী মারসিয়াহ এখনও লাঠির সহায়তায় ধীরে ধীরে হাঁটতে পারেন। তবে হজের অধিকাংশ সময় তিনি হুইলচেয়ার ব্যবহার করেছেন। গত ২২ মে শুক্রবার সকালে তিনি তার ৬৭ বছর বয়সী মেয়ে মুইদাহকে সঙ্গে নিয়ে মক্কায় পৌঁছান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কোরবানির বর্জ্য অপসারণে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম, ব্যর্থ হলে কঠোর ব্যবস্থা

১০৪ বছর বয়সে হজযাত্রী মারসিয়াহ: সঞ্চয় আর স্বপ্নের বিজয়গাথা

আপডেট সময় : ০৯:৪৬:০২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

ইন্দোনেশিয়ার ধর্মপ্রাণ মুসলিম নারী মবাহ মারসিয়াহ ১০৪ বছর বয়সে এবারের হজ পালনকারী সবচেয়ে বয়স্ক হজযাত্রী হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব জাভার কেদিরি অঞ্চলের বাসিন্দা। ২০২৬ সালের জন্য নির্ধারিত ২ লাখ ২১ হাজার হজযাত্রীর প্রতিনিধি দলের অংশ হিসেবে তিনি এই পবিত্র তীর্থযাত্রা করার সুযোগ পেয়েছেন।

মারসিয়াহ ২০২১ সালে প্রথমবার হজের জন্য নিবন্ধন করেছিলেন। বহু বছর ধরে তিনি সঞ্চয় করে সৌদি আরবে গিয়ে হজ পালনের স্বপ্ন পূরণের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তিনি জানান, তিনি ঐতিহ্যবাহী পোরিজ বিক্রি করে অল্প অল্প করে টাকা জমাতেন। একটি কৌটায় সেই অর্থ রাখতেন এবং কোনো কারণে ঘাটতি হলে তার ছেলে তা পূরণ করে দিতেন।

বছরের পর বছর এভাবে সামান্য সামান্য করে টাকা জমিয়ে তিনি শেষ পর্যন্ত হজে নিবন্ধনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করতে সক্ষম হন। নিজের এই স্বপ্নের কথা তিনি প্রথমে কাউকে জানাননি। তিনি বলেন, ‘আমি কাউকে বলিনি যে হজের জন্য টাকা জমাচ্ছি। এমনকি ঘনিষ্ঠ আত্মীয় ও প্রতিবেশীর কাছেও বিষয়টি গোপন রেখেছিলাম।’ পরে যখন পর্যাপ্ত অর্থ জমা হয়, তখন তিনি আশপাশের মানুষকে বিষয়টি জানান।

১৯২১ সালের ১ জুলাই জন্মগ্রহণকারী মারসিয়াহ এখনও লাঠির সহায়তায় ধীরে ধীরে হাঁটতে পারেন। তবে হজের অধিকাংশ সময় তিনি হুইলচেয়ার ব্যবহার করেছেন। গত ২২ মে শুক্রবার সকালে তিনি তার ৬৭ বছর বয়সী মেয়ে মুইদাহকে সঙ্গে নিয়ে মক্কায় পৌঁছান।