মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
১২:০৩ অপরাহ্ন | ২৭শে অক্টোবর ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ | মঙ্গলবার, ১১ই কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮ হিজরি

সবার জন্য অক্সিজেন নিশ্চিত করতে শক্তিশালী সুশাসন ও টেকসই বিনিয়োগের আহ্বান

  • হালনাগাদ সময় : ১১:৩৯:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ৪০ বার পড়া হয়েছে

খুব সহজে এবং সুলভে যেন সবাই চিকিৎসায় ব্যবহৃত অক্সিজেন পায়, সেই লক্ষ্য নিয়ে আইসিডিডিআর,বি রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজন করেছে ‘বাংলাদেশ অক্সিজেন সামিট ২০২৫’। ‘সবার জন্য নিরাপদ, সুলভ ও নির্ভরযোগ্য মেডিক্যাল অক্সিজেনের জাতীয় রোডম্যাপ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে নীতিনির্ধারক, বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাত ও সরকারি প্রতিনিধিরা এক মঞ্চে আসেন। এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল, সবার জন্য অক্সিজেন প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা) অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন আইসিডিডিআর,বি-এর সিনিয়র বিজ্ঞানী (ইমেরিটাস) ড. শামস এল আরিফীন।

আইসিডিডিআর,বি-র বিজ্ঞানী ড. আহমেদ এহসানুর রহমানের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত দ্য ল্যানসেট গ্লোবাল হেলথ কমিশন অন মেডিক্যাল অক্সিজেন সিকিউরিটি এই সম্মেলনের মূল প্রেরণা। কমিশনের লক্ষ্য হলো, করোনাভাইরাস মহামারীর মতো স্বাস্থ্য জরুরি পরিস্থিতিতেও যেন অক্সিজেনের অভাবে কারও মৃত্যু না হয়।

কমিশনের বৈশ্বিক বিশ্লেষণ অনুসারে, প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে আনুমানিক ৩৭৩ মিলিয়ন মানুষের চিকিৎসার জন্য অক্সিজেন প্রয়োজন। এদের মধ্যে পাঁচজনের মধ্যে চারজনেরও বেশি বাস করেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে। এই দেশগুলোতে রক্তে অক্সিজেনের অভাব বা হাইপোক্সেমিয়া মৃত্যুর ঝুঁকি প্রায় পাঁচগুণ বাড়িয়ে দিলেও, প্রয়োজনের সময় খুব কম রোগীই অক্সিজেন পেয়ে থাকেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মেডিক্যাল অক্সিজেনকে একটি অপরিহার্য ওষুধ হিসেবে ঘোষণা করলেও, বাংলাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে এর ঘাটতি রয়েছে।

বাংলাদেশের অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে আইসিডিডিআর,বি-এর একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রেসার সুইং অ্যাডসর্পশন (পিএসএ), ভ্যাকিউম সুইং অ্যাডসর্পশন (ভিএসএ) এবং ভ্যাকিউম ইনসুলেটেড ইভাপোরেটর (ভিআইই) প্ল্যান্ট স্থাপন করার ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলেও কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি রয়েছে। ৯৯টি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে পরিচালিত এক জরিপে কারিগরি রক্ষণাবেক্ষণ, জনবল ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে পদ্ধতিগত দুর্বলতা দেখা যায়, যা অক্সিজেন পরিষেবার নির্ভরযোগ্যতাকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। এই গবেষণাটিতে প্ল্যান্টের সক্ষমতা বৃদ্ধি, বায়োমেডিকেল কর্মী তৈরি, বিকেন্দ্রীকৃত মেরামত সুবিধা স্থাপন, এবং অক্সিজেনকে অপরিহার্য জনস্বাস্থ্য পরিষেবা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে একটি স্থিতিস্থাপক মিশ্র-সরবরাহ মডেলের প্রচলনের জন্য একটি জাতীয় রোডম্যাপ প্রণয়নের আহ্বান জানানো হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান বলেন, “অক্সিজেন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে এখনও ঘাটতি রয়েছে, তবে সরকার এটি দূর করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। আমরা একটি জাতীয় অক্সিজেন নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা এবং অক্সিজেনকে অপরিহার্য ওষুধ হিসেবে ঘোষণার জন্য কাজ করছি। মেডিক্যাল অক্সিজেনের ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত।”

সভাপতির বক্তব্যে আইসিডিডিআর,বি-র নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ বলেন, “অক্সিজেন উৎপাদনে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লাভ করেছে, তবে নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে হলে শক্তিশালী সুশাসন, বিভিন্ন সেক্টরের মধ্যে উন্নত সমন্বয় এবং সিস্টেম-জুড়ে পর্যবেক্ষণে টেকসই বিনিয়োগ প্রয়োজন।” তিনি জোর দেন, অক্সিজেন ব্যবস্থায় সুশাসন জীবন ও মৃত্যুর মধ্যে পার্থক্য তৈরি করতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবু জাফর বলেন, “অক্সিজেন কেবল একটি পণ্য নয়, এটি একটি জনসেবা।”

এই সম্মেলনে অক্সিজেন চাহিদা ও সরবরাহ, উৎপাদন ও বিতরণ প্রক্রিয়া, নীতি ও বিনিয়োগের অগ্রাধিকার এবং টেকসই সমাধানের জন্য উদ্ভাবন—এই চারটি বিষয় নিয়ে বৈজ্ঞানিক সেশন অনুষ্ঠিত হয়। সমাপনী অধিবেশনে নিম্ন-সম্পদযুক্ত এলাকাগুলোতে শ্বাসযন্ত্রের যত্ন উন্নত করার জন্য স্থানীয়ভাবে তৈরি কিছু প্রযুক্তি যেমন বাবল সিপ্যাপ, অক্সিজেট, নিঃশ্বাস ভেন্টিলেটর এবং কম খরচের অক্সিজেন কনসেনট্রেটর প্রদর্শন করা হয়।

সম্মেলনের বিশেষজ্ঞরা জোর দেন যে অক্সিজেন প্রাপ্তি জাতিসংঘের আটটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

দ্য ল্যানসেট গ্লোবাল হেলথ, এভরি ব্রেথ কাউন্টস ও ইউনিটাড-এর সহায়তায় আয়োজিত এই সামিট মেডিক্যাল অক্সিজেনকে মানবাধিকার এবং জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সম্মিলিত আহ্বান নিয়ে শেষ হয়। অংশগ্রহণকারীরা একমত হন যে, অক্সিজেনের সমতাপূর্ণ প্রবেশাধিকার কেবল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার স্থিতিস্থাপকতার জন্যই নয়, বরং ভবিষ্যতের জরুরি অবস্থার জন্য দেশের প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Share this news as a Photo Card

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যবর্তী নির্বাচনের মুখে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের নতুন অভিযোগ: ডেমোক্র্যাটদের তদন্তে তোলপাড়

27 October 2026

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

www.deshkhobor24.com |
fb/deshkhobor24bd

সবার জন্য অক্সিজেন নিশ্চিত করতে শক্তিশালী সুশাসন ও টেকসই বিনিয়োগের আহ্বান

হালনাগাদ সময় : ১১:৩৯:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

খুব সহজে এবং সুলভে যেন সবাই চিকিৎসায় ব্যবহৃত অক্সিজেন পায়, সেই লক্ষ্য নিয়ে আইসিডিডিআর,বি রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজন করেছে ‘বাংলাদেশ অক্সিজেন সামিট ২০২৫’। ‘সবার জন্য নিরাপদ, সুলভ ও নির্ভরযোগ্য মেডিক্যাল অক্সিজেনের জাতীয় রোডম্যাপ’ প্রতিপাদ্য নিয়ে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে নীতিনির্ধারক, বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ, উন্নয়ন সহযোগী, বেসরকারি খাত ও সরকারি প্রতিনিধিরা এক মঞ্চে আসেন। এই আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ছিল, সবার জন্য অক্সিজেন প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা) অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান। উদ্বোধনী বক্তব্য দেন আইসিডিডিআর,বি-এর সিনিয়র বিজ্ঞানী (ইমেরিটাস) ড. শামস এল আরিফীন।

আইসিডিডিআর,বি-র বিজ্ঞানী ড. আহমেদ এহসানুর রহমানের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত দ্য ল্যানসেট গ্লোবাল হেলথ কমিশন অন মেডিক্যাল অক্সিজেন সিকিউরিটি এই সম্মেলনের মূল প্রেরণা। কমিশনের লক্ষ্য হলো, করোনাভাইরাস মহামারীর মতো স্বাস্থ্য জরুরি পরিস্থিতিতেও যেন অক্সিজেনের অভাবে কারও মৃত্যু না হয়।

কমিশনের বৈশ্বিক বিশ্লেষণ অনুসারে, প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে আনুমানিক ৩৭৩ মিলিয়ন মানুষের চিকিৎসার জন্য অক্সিজেন প্রয়োজন। এদের মধ্যে পাঁচজনের মধ্যে চারজনেরও বেশি বাস করেন নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে। এই দেশগুলোতে রক্তে অক্সিজেনের অভাব বা হাইপোক্সেমিয়া মৃত্যুর ঝুঁকি প্রায় পাঁচগুণ বাড়িয়ে দিলেও, প্রয়োজনের সময় খুব কম রোগীই অক্সিজেন পেয়ে থাকেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মেডিক্যাল অক্সিজেনকে একটি অপরিহার্য ওষুধ হিসেবে ঘোষণা করলেও, বাংলাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোতে এর ঘাটতি রয়েছে।

বাংলাদেশের অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থা নিয়ে আইসিডিডিআর,বি-এর একটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রেসার সুইং অ্যাডসর্পশন (পিএসএ), ভ্যাকিউম সুইং অ্যাডসর্পশন (ভিএসএ) এবং ভ্যাকিউম ইনসুলেটেড ইভাপোরেটর (ভিআইই) প্ল্যান্ট স্থাপন করার ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলেও কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য ঘাটতি রয়েছে। ৯৯টি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে পরিচালিত এক জরিপে কারিগরি রক্ষণাবেক্ষণ, জনবল ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে পদ্ধতিগত দুর্বলতা দেখা যায়, যা অক্সিজেন পরিষেবার নির্ভরযোগ্যতাকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। এই গবেষণাটিতে প্ল্যান্টের সক্ষমতা বৃদ্ধি, বায়োমেডিকেল কর্মী তৈরি, বিকেন্দ্রীকৃত মেরামত সুবিধা স্থাপন, এবং অক্সিজেনকে অপরিহার্য জনস্বাস্থ্য পরিষেবা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে একটি স্থিতিস্থাপক মিশ্র-সরবরাহ মডেলের প্রচলনের জন্য একটি জাতীয় রোডম্যাপ প্রণয়নের আহ্বান জানানো হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ডা. মো. সায়েদুর রহমান বলেন, “অক্সিজেন প্রাপ্তির ক্ষেত্রে এখনও ঘাটতি রয়েছে, তবে সরকার এটি দূর করতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। আমরা একটি জাতীয় অক্সিজেন নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা এবং অক্সিজেনকে অপরিহার্য ওষুধ হিসেবে ঘোষণার জন্য কাজ করছি। মেডিক্যাল অক্সিজেনের ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন জাতীয় নিরাপত্তার সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িত।”

সভাপতির বক্তব্যে আইসিডিডিআর,বি-র নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ বলেন, “অক্সিজেন উৎপাদনে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি লাভ করেছে, তবে নির্ভরযোগ্য সরবরাহ নিশ্চিত করতে হলে শক্তিশালী সুশাসন, বিভিন্ন সেক্টরের মধ্যে উন্নত সমন্বয় এবং সিস্টেম-জুড়ে পর্যবেক্ষণে টেকসই বিনিয়োগ প্রয়োজন।” তিনি জোর দেন, অক্সিজেন ব্যবস্থায় সুশাসন জীবন ও মৃত্যুর মধ্যে পার্থক্য তৈরি করতে পারে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবু জাফর বলেন, “অক্সিজেন কেবল একটি পণ্য নয়, এটি একটি জনসেবা।”

এই সম্মেলনে অক্সিজেন চাহিদা ও সরবরাহ, উৎপাদন ও বিতরণ প্রক্রিয়া, নীতি ও বিনিয়োগের অগ্রাধিকার এবং টেকসই সমাধানের জন্য উদ্ভাবন—এই চারটি বিষয় নিয়ে বৈজ্ঞানিক সেশন অনুষ্ঠিত হয়। সমাপনী অধিবেশনে নিম্ন-সম্পদযুক্ত এলাকাগুলোতে শ্বাসযন্ত্রের যত্ন উন্নত করার জন্য স্থানীয়ভাবে তৈরি কিছু প্রযুক্তি যেমন বাবল সিপ্যাপ, অক্সিজেট, নিঃশ্বাস ভেন্টিলেটর এবং কম খরচের অক্সিজেন কনসেনট্রেটর প্রদর্শন করা হয়।

সম্মেলনের বিশেষজ্ঞরা জোর দেন যে অক্সিজেন প্রাপ্তি জাতিসংঘের আটটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের জন্য কেন্দ্রীয়ভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

দ্য ল্যানসেট গ্লোবাল হেলথ, এভরি ব্রেথ কাউন্টস ও ইউনিটাড-এর সহায়তায় আয়োজিত এই সামিট মেডিক্যাল অক্সিজেনকে মানবাধিকার এবং জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সম্মিলিত আহ্বান নিয়ে শেষ হয়। অংশগ্রহণকারীরা একমত হন যে, অক্সিজেনের সমতাপূর্ণ প্রবেশাধিকার কেবল স্বাস্থ্য ব্যবস্থার স্থিতিস্থাপকতার জন্যই নয়, বরং ভবিষ্যতের জরুরি অবস্থার জন্য দেশের প্রস্তুতির ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Share this news as a Photo Card