হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে চোরাই মোবাইল ফোন উদ্ধারের অভিযানে গিয়ে পাঁচজন পুলিশ সদস্য হামলার শিকার হয়েছেন। এই হামলায় গুরুতর আহত একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনার পর পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে তিনজনকে আটক করেছে।
মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে নবীগঞ্জ পৌরসভার শিবপাশা এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে নবীগঞ্জ পৌরসভার নোয়াপাড়া গ্রামের মৃত হিরন মিয়ার ছেলে রুমন মিয়া একটি চোরাই মোবাইল ফোন ব্যবহার করছেন বলে পুলিশের কাছে তথ্য আসে। এই তথ্যের ভিত্তিতে নবীগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে ৬-৭ জন পুলিশ সদস্য মঙ্গলবার রাতে রুমনের বাড়িতে অভিযান চালান।
অভিযানের সময় রুমন মিয়া মোবাইল ফোনটি নিজের বলে দাবি করে পুলিশের সঙ্গে তর্ক-বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে রুমনের ভাই মামুনসহ কয়েকজন নারী হাতে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পুলিশ সদস্যদের ওপর চড়াও হন। তাদের হামলায় আহত হন উপপরিদর্শক মেহেদী হাসান, এসআই মাইনুল ইসলাম, এএসআই মোশারফ হোসেন, কনস্টেবল শাহ ইমরান এবং কনস্টেবল পল্টন চন্দ্র দাশ।
আহত পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক গুরুতর আহত কনস্টেবল শাহ ইমরানকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. কামরুজ্জামানের নেতৃত্বে পুলিশ দ্রুত অভিযান শুরু করে। অভিযানে রুমনের ভাই মামুনসহ মোট তিনজনকে আটক করা হয়।
পুলিশের ওপর হামলার ঘটনার পর নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিনও ঘটনাস্থলে ছুটে যান।
নবীগঞ্জ থানার ওসি শেখ মো. কামরুজ্জামান এ বিষয়ে বলেন, “চোরাই মোবাইল উদ্ধারে গেলে চোরচক্র পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের পাঁচজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে তিনজনকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে।”
রিপোর্টারের নাম 



















