ঢাকা ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

সুবর্ণগ্রামে কর্মব্যস্ত দিনের পর সহকর্মীদের সাথে এক টুকরো আনন্দ ভ্রমণ

প্রখর রোদ বা তুমুল বৃষ্টি—কোনো কিছুই ইচ্ছাশক্তিকে দমাতে পারে না, বিশেষ করে যখন সহকর্মীদের সাথে একটি সুন্দর দিনে কাটানোর আনন্দ মিশে থাকে। অফিসের কাজের ব্যস্ততার মাঝে একটুখানি অবসরের খোঁজে ফিচার বিভাগের সহকর্মীরা মিলে ঠিক করেন কোথাও ঘুরতে যাবেন এবং একসঙ্গে দুপুরের খাবার খাবেন।

শুক্রবার, এপ্রিলের ৩ তারিখ। সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও অফিসের কাজ শেষ করে সবাই মিলে সুবর্ণগ্রাম ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নেন। সকাল ১০টায় অফিসে উপস্থিত হয়ে প্রাথমিক কাজ সেরে নেওয়ার পর দুপুর ১২টায় গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়ার উদ্দেশে রওনা হন তারা। সেখান থেকে গ্লোরি বাসে জনপ্রতি ৫০ টাকা ভাড়ায় এক ঘণ্টার মধ্যেই রূপগঞ্জ গাউসিয়ায় পৌঁছান।

গাউসিয়ায় পৌঁছে সহকর্মীরা একটি রেস্তোরাঁয় বসেন। সেখানে জুমার নামাজ আদায়ের পর সবাই মিলে দুপুরের খাবারের আয়োজন করেন। মেন্যুতে কাচ্চি, বোরহানি এবং তেহারি ছিল। তীব্র গরমের মধ্যে কাচ্চি ও বোরহানি উপভোগ করেন এনায়েত ভাই, মানিক ভাই এবং কথক। শাহিন ভাই তেহারি খান। এছাড়াও, আগে থেকে রান্না করে আনা সেমাই বিকালের নাস্তার জন্য রেখে দেওয়া হয়।

দুপুরের খাবার শেষে অটোরিকশায় করে তারা সুবর্ণগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। দ্রুতগামী অটোরিকশায় চলার পথে এক মজার ঘটনা ঘটে—বাতাসে শাহীন ভাই ও মানিক ভাইয়ের ক্যাপ উড়ে যায়, যা দেখে উপস্থিত সকলে হেসে ওঠেন। এই ছোট্ট ঘটনাটি ভ্রমণকে আরও আনন্দময় করে তোলে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদের প্রথম দিনেই সাভার ট্যানারিতে প্রবেশ করলো ২ লক্ষাধিক কাঁচা চামড়া

সুবর্ণগ্রামে কর্মব্যস্ত দিনের পর সহকর্মীদের সাথে এক টুকরো আনন্দ ভ্রমণ

আপডেট সময় : ০১:৩৩:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

প্রখর রোদ বা তুমুল বৃষ্টি—কোনো কিছুই ইচ্ছাশক্তিকে দমাতে পারে না, বিশেষ করে যখন সহকর্মীদের সাথে একটি সুন্দর দিনে কাটানোর আনন্দ মিশে থাকে। অফিসের কাজের ব্যস্ততার মাঝে একটুখানি অবসরের খোঁজে ফিচার বিভাগের সহকর্মীরা মিলে ঠিক করেন কোথাও ঘুরতে যাবেন এবং একসঙ্গে দুপুরের খাবার খাবেন।

শুক্রবার, এপ্রিলের ৩ তারিখ। সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও অফিসের কাজ শেষ করে সবাই মিলে সুবর্ণগ্রাম ভ্রমণের সিদ্ধান্ত নেন। সকাল ১০টায় অফিসে উপস্থিত হয়ে প্রাথমিক কাজ সেরে নেওয়ার পর দুপুর ১২টায় গুলিস্তান-ফুলবাড়িয়ার উদ্দেশে রওনা হন তারা। সেখান থেকে গ্লোরি বাসে জনপ্রতি ৫০ টাকা ভাড়ায় এক ঘণ্টার মধ্যেই রূপগঞ্জ গাউসিয়ায় পৌঁছান।

গাউসিয়ায় পৌঁছে সহকর্মীরা একটি রেস্তোরাঁয় বসেন। সেখানে জুমার নামাজ আদায়ের পর সবাই মিলে দুপুরের খাবারের আয়োজন করেন। মেন্যুতে কাচ্চি, বোরহানি এবং তেহারি ছিল। তীব্র গরমের মধ্যে কাচ্চি ও বোরহানি উপভোগ করেন এনায়েত ভাই, মানিক ভাই এবং কথক। শাহিন ভাই তেহারি খান। এছাড়াও, আগে থেকে রান্না করে আনা সেমাই বিকালের নাস্তার জন্য রেখে দেওয়া হয়।

দুপুরের খাবার শেষে অটোরিকশায় করে তারা সুবর্ণগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। দ্রুতগামী অটোরিকশায় চলার পথে এক মজার ঘটনা ঘটে—বাতাসে শাহীন ভাই ও মানিক ভাইয়ের ক্যাপ উড়ে যায়, যা দেখে উপস্থিত সকলে হেসে ওঠেন। এই ছোট্ট ঘটনাটি ভ্রমণকে আরও আনন্দময় করে তোলে।