দেশের অর্থনীতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ পথ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ঈদ উপলক্ষে যাত্রীদের চাপ বাড়লেও এবার যানজটের ভোগান্তি নেই বললেই চলে। একসময় দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের মানুষের জন্য এই মহাসড়কটি ঈদের সময় এক বিভীষিকার নাম ছিল, কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং এবারের ঈদযাত্রায় তা আরও স্পষ্ট।
যাত্রী, চালক ও সহকারীরা জানিয়েছেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের ঈদযাত্রা আরও উন্নত ও মসৃণ হচ্ছে। মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে, যেমন পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড, দাউদকান্দি টোলপ্লাজা, ইলিয়টগঞ্জ বাজার, নিমসার বাজার, চান্দিনা বাজার ও চৌদ্দগ্রাম এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কোথাও বড় ধরনের যানজট লাগেনি। যদিও সকালে গৌরীপুর বাজারে সড়ক সংস্কারের দাবিতে একটি সংক্ষিপ্ত মানববন্ধন হয়েছিল, যা পরে হাইওয়ে পুলিশের হস্তক্ষেপে স্বাভাবিক হয়। এছাড়া বাজারগুলোতে যানবাহনের সামান্য চাপ মাঝে মাঝে দেখা গেছে।
ঢাকা থেকে কুমিল্লায় আসা কয়েকজন যাত্রী জানান, তাদের যাত্রা করতে দুই ঘণ্টার সামান্য বেশি সময় লেগেছে এবং কোথাও গাড়ি দীর্ঘক্ষণ দাঁড়াতে হয়নি। তারা জানান, পূর্বে টোলপ্লাজায় দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতো, যা এবার মাত্র ১০ মিনিটে সম্পন্ন হয়েছে। বাজারের কিছু অংশে ধীরগতি হলেও সামগ্রিকভাবে যাত্রার সময় অনেক কমে এসেছে।
চট্টগ্রামগামী যানবাহনের চালকরাও জানিয়েছেন, সড়কে যানবাহনের চাপ বেশি থাকলেও যানজট নেই। বাজারগুলোতে মানুষ রাস্তা পারাপার হওয়ার সময় বা অন্যান্য কারণে গাড়ির গতি কিছুটা ধীর হচ্ছে।
হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, ঈদুল আজহায় মানুষের চাপ বেশি থাকে, তবে ছুটির পর থেকে যাত্রা শুরু হওয়ায় তারা প্রস্তুত রয়েছেন। সড়ক পাহারায় বিশেষ দল এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। তারা যানজট লাগার সম্ভাবনা দেখছেন না, তবে বড় ধরনের দুর্ঘটনার পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়।
রিপোর্টারের নাম 




















