অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন যে, নতুন পে-কমিশনের বিষয়ে আগামী নির্বাচিত সরকারই সিদ্ধান্ত নেবে।
রবিবার সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি, অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি এবং খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এই কথা জানান।
আইএমএফের ঋণের কিস্তির ব্যাপারে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “আইএমএফের সঙ্গে কিস্তি নিয়ে কথা চলছে। আমাদের কাছে যেসব তথ্য আছে, তা আগামী সরকারের কাছে একটি প্যাকেজ আকারে দেওয়া হবে। তবে ঋণের ৬ষ্ঠ কিস্তির টাকা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে আসবে না। আগামী রাজনৈতিক সরকারের কার্যক্রম দেখার পর প্রতিষ্ঠানটি কিস্তি ছাড় বা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।”
এসময় ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ আরও জানান, দেশের সার্বিক দিকের অগ্রগতি ভালো। তিনি বলেন, “মূল্যস্ফীতি কমেছে, কিন্তু বাড়িভাড়া ও পরিবহন খরচ বেড়েছে। আমরা চেষ্টা করছি পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে আনতে। তবে সার্বিকভাবে পণ্যের দাম স্বাভাবিক আছে। চালের দামও সহনীয় রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, সরকার অপরিশোধিত তেল আমদানির চেষ্টা করছে। সার এবং কৃষিকাজের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি করা হচ্ছে। আজকের ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠকে বিভিন্ন দেশ থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার মেট্রিক টন সার এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
দেশের মানুষ রাজস্ব দিতে চায় না উল্লেখ করে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, রাজস্ব আয় বাড়াতে হবে।
এর আগে তিনি খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করেন।
ওই সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, এ বছর আমন মৌসুমে সরকার দেশের ভেতর থেকে ৭ লাখ মেট্রিক টন ধান ও চাল কিনবে। এর মধ্যে ৫০ হাজার মেট্রিক টন ধান, ৬ লাখ টন সেদ্ধ চাল এবং ৫০ হাজার মেট্রিক টন আতপ চাল কেনার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে।
প্রতি কেজি আমন ধান ৩৪ টাকা, সেদ্ধ চাল ৫০ টাকা এবং আতপ চাল ৪৯ টাকা দরে কেনা হবে। ধান ও চালের এই দাম গত বছরের তুলনায় প্রতি কেজিতে ৪ টাকা বেশি।
ধান-চাল কেনার এই কার্যক্রম আগামী ২০ নভেম্বর শুরু হয়ে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত চলবে।
রিপোর্টারের নাম 

























