ঢাকা ১২:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু, পছন্দক্রম ও সংরক্ষিত আসনসহ সব তথ্য প্রকাশ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম আজ শুক্রবার (২১ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে। অনলাইনে আবেদন বেলা ১১টা থেকে শুরু হবে এবং চলবে ৫ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীর বয়স অবশ্যই ৬ বছরের বেশি হতে হবে। প্রতি শ্রেণির কোনো শাখায় সর্বাধিক ৫৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে।

ভর্তি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীরা https://gsa.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে আবেদনপত্র পূরণ করবেন এবং Teletalk প্রি-পেইড মোবাইল নম্বর থেকে আবেদন ফি ১০০ টাকা প্রদানের মাধ্যমে আবেদন সম্পন্ন হবে। অনলাইনে আবেদনপত্রে প্রার্থীকে রঙিন ছবি JPEG ফরম্যাটে আপলোড করতে হবে। আবেদনপত্র পূরণ ও সাবমিশনের পরে প্রার্থী User ID-এর সঙ্গে Applicant’s copy পাবেন, যা প্রিন্ট বা সংরক্ষণ করে রাখা আবশ্যক। আবেদনপত্রে প্রদত্ত তথ্যের যথার্থতা প্রার্থীর নিজ দায়িত্বে নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতি শিক্ষার্থী সর্বাধিক পাঁচটি বিদ্যালয়ে পছন্দক্রম দিতে পারবেন। ডাবল শিফট স্কুলে উভয় শিফট পছন্দ করলে দুটি পছন্দক্রম হিসেবে গণ্য হবে। ভর্তি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে শিক্ষার্থীকে অবশ্যই একটি চূড়ান্ত প্রতিষ্ঠান নিশ্চিত করতে হবে।

ঢাকা মহানগরের সরকারি বিদ্যালয়গুলো তিনটি গ্রুপে বিভক্ত থাকবে এবং ক্যাচমেন্ট এরিয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ২ শতাংশ কোটা রয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তর-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে, যা এবার ০.৫ শতাংশ করে পৃথকভাবে বণ্টন করা হয়েছে। যমজ ও সহোদর কোটার ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনা হয়েছে; যমজ কোটা ২ শতাংশ এবং সহোদর কোটা ৩ শতাংশ করা হয়েছে, যা এক দম্পতির সর্বোচ্চ তিন সন্তান পর্যন্ত প্রযোজ্য।

ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটি বা প্রধান শিক্ষকের নোটিশ বোর্ড থেকে জানা যাবে। একাধিকবার একই প্রতিষ্ঠানে আবেদন করলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

কাতারের আকাশসীমায় ইরানের আগ্রাসন প্রতিহত: দুটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু, পছন্দক্রম ও সংরক্ষিত আসনসহ সব তথ্য প্রকাশ

আপডেট সময় : ১০:১৪:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ নভেম্বর ২০২৫

দেশের সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি কার্যক্রম আজ শুক্রবার (২১ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে। অনলাইনে আবেদন বেলা ১১টা থেকে শুরু হবে এবং চলবে ৫ ডিসেম্বর বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির জন্য শিক্ষার্থীর বয়স অবশ্যই ৬ বছরের বেশি হতে হবে। প্রতি শ্রেণির কোনো শাখায় সর্বাধিক ৫৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে।

ভর্তি প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের জন্য শিক্ষার্থীরা https://gsa.teletalk.com.bd ওয়েবসাইটে আবেদনপত্র পূরণ করবেন এবং Teletalk প্রি-পেইড মোবাইল নম্বর থেকে আবেদন ফি ১০০ টাকা প্রদানের মাধ্যমে আবেদন সম্পন্ন হবে। অনলাইনে আবেদনপত্রে প্রার্থীকে রঙিন ছবি JPEG ফরম্যাটে আপলোড করতে হবে। আবেদনপত্র পূরণ ও সাবমিশনের পরে প্রার্থী User ID-এর সঙ্গে Applicant’s copy পাবেন, যা প্রিন্ট বা সংরক্ষণ করে রাখা আবশ্যক। আবেদনপত্রে প্রদত্ত তথ্যের যথার্থতা প্রার্থীর নিজ দায়িত্বে নিশ্চিত করতে হবে।

প্রতি শিক্ষার্থী সর্বাধিক পাঁচটি বিদ্যালয়ে পছন্দক্রম দিতে পারবেন। ডাবল শিফট স্কুলে উভয় শিফট পছন্দ করলে দুটি পছন্দক্রম হিসেবে গণ্য হবে। ভর্তি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে শিক্ষার্থীকে অবশ্যই একটি চূড়ান্ত প্রতিষ্ঠান নিশ্চিত করতে হবে।

ঢাকা মহানগরের সরকারি বিদ্যালয়গুলো তিনটি গ্রুপে বিভক্ত থাকবে এবং ক্যাচমেন্ট এরিয়ার শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়া মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ২ শতাংশ কোটা রয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীন দপ্তর-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে, যা এবার ০.৫ শতাংশ করে পৃথকভাবে বণ্টন করা হয়েছে। যমজ ও সহোদর কোটার ক্ষেত্রেও পরিবর্তন আনা হয়েছে; যমজ কোটা ২ শতাংশ এবং সহোদর কোটা ৩ শতাংশ করা হয়েছে, যা এক দম্পতির সর্বোচ্চ তিন সন্তান পর্যন্ত প্রযোজ্য।

ভর্তি সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের ভর্তি কমিটি বা প্রধান শিক্ষকের নোটিশ বোর্ড থেকে জানা যাবে। একাধিকবার একই প্রতিষ্ঠানে আবেদন করলে তা বাতিল বলে গণ্য হবে।