পড়াশোনা শেষ করে সরকারি চাকরির পেছনে না ছুটে পৈতৃক জমিতে পেয়ারা চাষ করে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার শিক্ষিত যুবক আল মাহদী হাসান। ডিপ্লোমা ইন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করা এই তরুণ এখন একজন সফল কৃষি উদ্যোক্তা। তার বাগানের চকচকে সবুজ ও সুস্বাদু থাই পেয়ারা স্থানীয় বাজারে ব্যাপক চাহিদা তৈরি করেছে।
পলাশবাড়ী পৌরশহরের আন্দুয়া গ্রামের মাহদী ২০২০ সালে কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে ৯০ শতক জমিতে ৯০০টি থাই পেয়ারার চারা রোপণ করেন। নিবিড় পরিচর্যা ও জৈব সারের ব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র কয়েকমাসেই গাছে ফল আসতে শুরু করে। বর্তমানে তার বাগান থেকে বছরে প্রায় ৬ লাখ টাকা আয় হচ্ছে। এ বছর তিনি ৮ লাখ টাকার পেয়ারা বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন।
মাহদীর এই সাফল্য দেখে এলাকার অন্য বেকার যুবকরাও পেয়ারা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন। উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, থাই পেয়ারা একটি উচ্চ ফলনশীল জাত এবং এটি চাষে খরচ কম কিন্তু লাভ অনেক বেশি। মাহদীর মতো শিক্ষিত তরুণদের আধুনিক কৃষিতে সম্পৃক্ত হওয়া দেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
রিপোর্টারের নাম 

























