ঢাকা ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

হৃদয়-মিরাজের শতরানের জুটি সত্ত্বেও আফগানিস্তানের ঘূর্ণিতে ২২১ রানে অলআউট বাংলাদেশ

টি-টোয়েন্টিতে শতভাগ সাফল্যের পর আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে টস জিতে আবু ধাবিতে প্রথমে ব্যাটিং নিয়েও সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ। ইনিংস শেষ হয় মাত্র ২২১ রানে অলআউট হয়ে। ৫৩ রানে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারানোর পর হৃদয়-মিরাজের ১০১ রানের জুটি আড়াইশর বেশি স্কোর করার সম্ভাবনা তৈরি করেছিল। কিন্তু এই জুটি ভাঙতেই মাত্র ৬৫ রানের ব্যবধানে বাকি ৭ উইকেট হারিয়ে ৩ উইকেটে ১৫৪ রান থেকে ২২১ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের এই ব্যাটিং ধসের পেছনে আফগানদের পক্ষে দায়ী রশিদ খানের ঘূর্ণি এবং আজমতউল্লাহ ওমরজাইর নিয়ন্ত্রিত পেস বোলিং।

রশিদ খান ৩৮ রানে তিনটি, ওমরজাই ৪০ রানে তিনটি এবং এএম গজনফর ৫৫ রানে দুটি উইকেট নেন। নানগেলিয়া খারোটে একটি উইকেট পেয়েছেন।

শেষের দিকে ব্যাটারদের ব্যর্থতার পরও পেসার তানজিম সাকিব বড় শট খেলে রান তোলার চেষ্টা করেন। কিন্তু ৪৭.২ ওভারে তাকে ফেরান আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ফেরার আগে ২৩ বলে ১ ছক্কায় তিনি ১৭ রান করেন।

দ্রুত উইকেট পতনের ধারাবাহিকতায় হাসান মাহমুদও (৫) দলের ২০৫ রানে গজনফরের বলে আউট হন।

ছন্দপতনের কারণে বাংলাদেশ শেষ দিকে এসে দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে, যার প্রধান কারণ ছিল রশিদ খানের ঘূর্ণি। ৪৪.২ ওভারে তার তৃতীয় শিকারে পরিণত হন নুরুল হাসান সোহান (৭)। তাতে দুইশর আগেই সাত উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

দুই সেট ব্যাটার হৃদয়-মিরাজ ফিরতেই ছন্দপতন ঘটে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আউট হন জাকের আলীও। তাকে ১০ রানে লেগ বিফোরে বিদায় দেন রশিদ খান। তাতে ১৭৮ রানে পড়ে বাংলাদেশের ষষ্ঠ উইকেট।

৩৭.১ ওভারে এলবিডাব্লিউ হওয়ার পর রিভিউ নিয়ে রক্ষা পেয়েছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। কিন্তু পরের ওভারে রশিদ খানের ঘূর্ণিতে আর শেষ রক্ষা হয়নি। তাকে ৬০ রানে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন এই আফগান লেগ স্পিনার। মিরাজ রিভিউ নিয়ে এবার ব্যর্থ হয়েছেন। এটি ছিল রশিদের ২০০তম ওয়ানডে উইকেট। মিরাজের ৮৭ বলের ইনিংসে ছিল ১টি চার ও ১টি ছয়।

৫৩ রানে তৃতীয় উইকেট পতনের পর বাংলাদেশকে দারুণভাবে টেনে নিচ্ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাওহীদ হৃদয়। চতুর্থ উইকেটে তারা ১০১ রান যোগ করেন। দুর্ভাগ্যক্রমে ৩৫.২ ওভারে রানআউটে কাটা পড়েন হৃদয়। ফেরার আগে ৮৫ বলে ৫৬ রান করেন তিনি। তাতে ছিল ১টি চার ও ৩টি ছক্কা।

৫৩ রানে তৃতীয় উইকেট পতনের পর বাংলাদেশের ইনিংসে স্থিরতা এনে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাওহীদ হৃদয়। চতুর্থ উইকেটে দারুণ জুটি গড়ার পথে হৃদয় ৭৫ বলে তার ক্যারিয়ারের দশম ফিফটি তুলে নেন। কিছুক্ষণ পর মিরাজও ৭৪ বলে তার সপ্তম হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন।

২৫ রানে দ্বিতীয় উইকেট পতনের পর জুটি গড়ার চেষ্টায় ছিলেন ওপেনার সাইফ হাসান ও তাওহীদ হৃদয়। তাদের ব্যাটেই ১০ ওভারে স্কোর দাঁড়ায় ২ উইকেটে ৫১। নানগেলিয়া খারোটে ১২তম ওভারে আক্রমণে এলে তাকে মারতে গিয়ে রশিদ খানের কাছে ক্যাচ দিয়ে অভিষেক ম্যাচে ২৬ রানে আউট হন সাইফ। তার ৩৭ বলের ইনিংসে ছিল ৫টি চার। বাংলাদেশ তৃতীয় উইকেট হারায় ৫৩ রানে।

তানজিদ হাসানের বিদায়ের পর নতুন নামা নাজমুল হোসেন শান্ত বেশি সুবিধা করতে পারেননি। এক ওভার পর ওমরজাইর দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন তিনি। আলগা শট খেলে শহীদীর কাছে সহজ ক্যাচ তুলে দেন শান্ত। ৫ বল খেলে তিনি ২ রানে আউট হন।

অভিষিক্ত সাইফ হাসানের সঙ্গে ওপেনিং করতে নেমেছিলেন তানজিদ হাসান। কিন্তু বেশিক্ষণ টিকতে পারলেন না। দলের ১৮ রানে চতুর্থ ওভারে আজমতউল্লাহ ওমরজাইর শিকার হয়ে ১০ রানে ফিরেছেন। তার ১০ বলের ইনিংসে ছিল দুটি চার।

আবুধাবিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজের শতভাগ সাফল্যের পর আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। টস জিতে শুরুতে ব্যাটিং নিয়েছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

টি–টোয়েন্টি ফরম্যাটে দুর্দান্ত ছন্দে আছে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, নেদারল্যান্ডস ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে টানা চারটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ জিতেছে। এশিয়া কাপেও সুপার ফোরে পৌঁছে গিয়েছিল। যদিও ওয়ানডেতে চিত্রটা একেবারেই উল্টো। গত বছরের নভেম্বর থেকে টানা তিনটি ওয়ানডে সিরিজ হেরেছে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষ ছিল এই আফগানিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলঙ্কা। সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজে জয় এসেছিল ২০২৪ সালের মার্চে ঢাকায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

টি-টোয়েন্টি সাফল্যে ব্যাট হাতে অন্যতম পারফর্মার ছিলেন ওপেনার সাইফ হাসান। ওয়ানডেতে আজ তার অভিষেক হচ্ছে। আফগান দলেও অভিষেক হচ্ছে পেসার বশির আহমেদের। বাংলাদেশ একাদশে মোস্তাফিজুর রহমানকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। নাঈম শেখ ভিসা জটিলতায় এখনও যেতে পারেননি। তাছাড়া ২০২৩ সালের পর ওয়ানডে খেলতে নামছেন নুরুল হাসান সোহান। ফিরেছেন পেসার হাসান মাহমুদ।

বাংলাদেশ একাদশ: তানজিদ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাইফ হাসান, তাওহীদ হৃদয়, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), নুরুল হাসান, জাকের আলী, তানজিম হাসান, তাসকিন আহমেদ, তানভীর ইসলাম, হাসান মাহমুদ। আফগানিস্তান একাদশ: রহমানউল্লাহ গুরবাজ, ইব্রাহিম জাদরান, সেদিকুল্লাহ অটল, রহমত শাহ, হাশমতউল্লাহ শহীদী (অধিনায়ক), আজমতউল্লাহ ওমরজাই, রশিদ খান (অধিনায়ক), নানগেলিয়া খারোটে, এএম গজনফর ও বশির আহমেদ।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভরাডুবি: ‘অপ্রাসঙ্গিক’ হওয়ার ঝুঁকিতে শ্রীলঙ্কা, সাঙ্গাকারার কড়া হুঁশিয়ারি

হৃদয়-মিরাজের শতরানের জুটি সত্ত্বেও আফগানিস্তানের ঘূর্ণিতে ২২১ রানে অলআউট বাংলাদেশ

আপডেট সময় : ১০:২৬:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

টি-টোয়েন্টিতে শতভাগ সাফল্যের পর আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম ওয়ানডেতে টস জিতে আবু ধাবিতে প্রথমে ব্যাটিং নিয়েও সুবিধা করতে পারেনি বাংলাদেশ। ইনিংস শেষ হয় মাত্র ২২১ রানে অলআউট হয়ে। ৫৩ রানে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট হারানোর পর হৃদয়-মিরাজের ১০১ রানের জুটি আড়াইশর বেশি স্কোর করার সম্ভাবনা তৈরি করেছিল। কিন্তু এই জুটি ভাঙতেই মাত্র ৬৫ রানের ব্যবধানে বাকি ৭ উইকেট হারিয়ে ৩ উইকেটে ১৫৪ রান থেকে ২২১ রানেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। বাংলাদেশের এই ব্যাটিং ধসের পেছনে আফগানদের পক্ষে দায়ী রশিদ খানের ঘূর্ণি এবং আজমতউল্লাহ ওমরজাইর নিয়ন্ত্রিত পেস বোলিং।

রশিদ খান ৩৮ রানে তিনটি, ওমরজাই ৪০ রানে তিনটি এবং এএম গজনফর ৫৫ রানে দুটি উইকেট নেন। নানগেলিয়া খারোটে একটি উইকেট পেয়েছেন।

শেষের দিকে ব্যাটারদের ব্যর্থতার পরও পেসার তানজিম সাকিব বড় শট খেলে রান তোলার চেষ্টা করেন। কিন্তু ৪৭.২ ওভারে তাকে ফেরান আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ফেরার আগে ২৩ বলে ১ ছক্কায় তিনি ১৭ রান করেন।

দ্রুত উইকেট পতনের ধারাবাহিকতায় হাসান মাহমুদও (৫) দলের ২০৫ রানে গজনফরের বলে আউট হন।

ছন্দপতনের কারণে বাংলাদেশ শেষ দিকে এসে দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে, যার প্রধান কারণ ছিল রশিদ খানের ঘূর্ণি। ৪৪.২ ওভারে তার তৃতীয় শিকারে পরিণত হন নুরুল হাসান সোহান (৭)। তাতে দুইশর আগেই সাত উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

দুই সেট ব্যাটার হৃদয়-মিরাজ ফিরতেই ছন্দপতন ঘটে। দ্রুত সময়ের মধ্যে আউট হন জাকের আলীও। তাকে ১০ রানে লেগ বিফোরে বিদায় দেন রশিদ খান। তাতে ১৭৮ রানে পড়ে বাংলাদেশের ষষ্ঠ উইকেট।

৩৭.১ ওভারে এলবিডাব্লিউ হওয়ার পর রিভিউ নিয়ে রক্ষা পেয়েছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। কিন্তু পরের ওভারে রশিদ খানের ঘূর্ণিতে আর শেষ রক্ষা হয়নি। তাকে ৬০ রানে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন এই আফগান লেগ স্পিনার। মিরাজ রিভিউ নিয়ে এবার ব্যর্থ হয়েছেন। এটি ছিল রশিদের ২০০তম ওয়ানডে উইকেট। মিরাজের ৮৭ বলের ইনিংসে ছিল ১টি চার ও ১টি ছয়।

৫৩ রানে তৃতীয় উইকেট পতনের পর বাংলাদেশকে দারুণভাবে টেনে নিচ্ছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাওহীদ হৃদয়। চতুর্থ উইকেটে তারা ১০১ রান যোগ করেন। দুর্ভাগ্যক্রমে ৩৫.২ ওভারে রানআউটে কাটা পড়েন হৃদয়। ফেরার আগে ৮৫ বলে ৫৬ রান করেন তিনি। তাতে ছিল ১টি চার ও ৩টি ছক্কা।

৫৩ রানে তৃতীয় উইকেট পতনের পর বাংলাদেশের ইনিংসে স্থিরতা এনে দেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও তাওহীদ হৃদয়। চতুর্থ উইকেটে দারুণ জুটি গড়ার পথে হৃদয় ৭৫ বলে তার ক্যারিয়ারের দশম ফিফটি তুলে নেন। কিছুক্ষণ পর মিরাজও ৭৪ বলে তার সপ্তম হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করেন।

২৫ রানে দ্বিতীয় উইকেট পতনের পর জুটি গড়ার চেষ্টায় ছিলেন ওপেনার সাইফ হাসান ও তাওহীদ হৃদয়। তাদের ব্যাটেই ১০ ওভারে স্কোর দাঁড়ায় ২ উইকেটে ৫১। নানগেলিয়া খারোটে ১২তম ওভারে আক্রমণে এলে তাকে মারতে গিয়ে রশিদ খানের কাছে ক্যাচ দিয়ে অভিষেক ম্যাচে ২৬ রানে আউট হন সাইফ। তার ৩৭ বলের ইনিংসে ছিল ৫টি চার। বাংলাদেশ তৃতীয় উইকেট হারায় ৫৩ রানে।

তানজিদ হাসানের বিদায়ের পর নতুন নামা নাজমুল হোসেন শান্ত বেশি সুবিধা করতে পারেননি। এক ওভার পর ওমরজাইর দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন তিনি। আলগা শট খেলে শহীদীর কাছে সহজ ক্যাচ তুলে দেন শান্ত। ৫ বল খেলে তিনি ২ রানে আউট হন।

অভিষিক্ত সাইফ হাসানের সঙ্গে ওপেনিং করতে নেমেছিলেন তানজিদ হাসান। কিন্তু বেশিক্ষণ টিকতে পারলেন না। দলের ১৮ রানে চতুর্থ ওভারে আজমতউল্লাহ ওমরজাইর শিকার হয়ে ১০ রানে ফিরেছেন। তার ১০ বলের ইনিংসে ছিল দুটি চার।

আবুধাবিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজের শতভাগ সাফল্যের পর আফগানিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ। টস জিতে শুরুতে ব্যাটিং নিয়েছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ।

টি–টোয়েন্টি ফরম্যাটে দুর্দান্ত ছন্দে আছে বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, নেদারল্যান্ডস ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে টানা চারটি দ্বিপাক্ষিক সিরিজ জিতেছে। এশিয়া কাপেও সুপার ফোরে পৌঁছে গিয়েছিল। যদিও ওয়ানডেতে চিত্রটা একেবারেই উল্টো। গত বছরের নভেম্বর থেকে টানা তিনটি ওয়ানডে সিরিজ হেরেছে বাংলাদেশ। প্রতিপক্ষ ছিল এই আফগানিস্তান, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও শ্রীলঙ্কা। সর্বশেষ ওয়ানডে সিরিজে জয় এসেছিল ২০২৪ সালের মার্চে ঢাকায় শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

টি-টোয়েন্টি সাফল্যে ব্যাট হাতে অন্যতম পারফর্মার ছিলেন ওপেনার সাইফ হাসান। ওয়ানডেতে আজ তার অভিষেক হচ্ছে। আফগান দলেও অভিষেক হচ্ছে পেসার বশির আহমেদের। বাংলাদেশ একাদশে মোস্তাফিজুর রহমানকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। নাঈম শেখ ভিসা জটিলতায় এখনও যেতে পারেননি। তাছাড়া ২০২৩ সালের পর ওয়ানডে খেলতে নামছেন নুরুল হাসান সোহান। ফিরেছেন পেসার হাসান মাহমুদ।

বাংলাদেশ একাদশ: তানজিদ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাইফ হাসান, তাওহীদ হৃদয়, মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), নুরুল হাসান, জাকের আলী, তানজিম হাসান, তাসকিন আহমেদ, তানভীর ইসলাম, হাসান মাহমুদ। আফগানিস্তান একাদশ: রহমানউল্লাহ গুরবাজ, ইব্রাহিম জাদরান, সেদিকুল্লাহ অটল, রহমত শাহ, হাশমতউল্লাহ শহীদী (অধিনায়ক), আজমতউল্লাহ ওমরজাই, রশিদ খান (অধিনায়ক), নানগেলিয়া খারোটে, এএম গজনফর ও বশির আহমেদ।