ঢাকা ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

অবিরাম বৃষ্টিতে ভাসছে পাকা ধান, কৃষকের মাথায় হাত

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টিপাতে কৃষকের পাকা বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে। এতে একদিকে যেমন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে, তেমনি ধান কাটা ও পরিবহনেও নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে, ধানকাটার যন্ত্র কম্বাইন হারভেস্টারের উচ্চ ভাড়া এবং শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় অনেক কৃষক তাদের পাকা ফসল ঘরে তুলতে পারছেন না। ফলে এক বুক স্বপ্ন নিয়ে আবাদ করা সোনালী ফসল পানির নিচে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন তারা।

ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জে এমন চিত্র দেখা গেছে। দুদিনের অবিরাম বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ায় মাঠের পর মাঠ পাকা ধান মাটিতে শুয়ে পড়েছে এবং জমিতে পানি জমেছে। অনেক কৃষক ধান কেটে জমিতে রেখে দিয়েছিলেন, যা এখন বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে তাদের মাথায় হাত পড়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আবাদ হয়েছে। মৌসুমের শেষ সময়ে এমন প্রতিকূল আবহাওয়া কৃষকদের দুশ্চিন্তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। যদিও কৃষি কর্মকর্তারা দ্রুত ফসল ঘরে তোলার পরামর্শ দিচ্ছেন এবং বড় দুর্যোগ না হলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করছেন।

অন্যদিকে, হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলাতেও একই অবস্থা। অসময়ের বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে বোরো ধান তলিয়ে যাচ্ছে। ভারী বৃষ্টি ও বন্যার আতঙ্কের পাশাপাশি ধানকাটার যন্ত্রের মালিকদের সিন্ডিকেট সাধারণ কৃষকদের অসহায় করে তুলেছে। সরকারিভাবে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অনেক বেশি টাকা আদায় করা হচ্ছে, যা অনেক কৃষকের পক্ষে বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে কৃষকরা তাদের সারা বছরের খোরাকি ফসল নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাজ্যে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১৩ ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ, তদন্ত অব্যাহত

অবিরাম বৃষ্টিতে ভাসছে পাকা ধান, কৃষকের মাথায় হাত

আপডেট সময় : ০১:৫৩:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টিপাতে কৃষকের পাকা বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে। এতে একদিকে যেমন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে, তেমনি ধান কাটা ও পরিবহনেও নানা প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে, ধানকাটার যন্ত্র কম্বাইন হারভেস্টারের উচ্চ ভাড়া এবং শ্রমিকের মজুরি বেড়ে যাওয়ায় অনেক কৃষক তাদের পাকা ফসল ঘরে তুলতে পারছেন না। ফলে এক বুক স্বপ্ন নিয়ে আবাদ করা সোনালী ফসল পানির নিচে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন তারা।

ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জে এমন চিত্র দেখা গেছে। দুদিনের অবিরাম বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ায় মাঠের পর মাঠ পাকা ধান মাটিতে শুয়ে পড়েছে এবং জমিতে পানি জমেছে। অনেক কৃষক ধান কেটে জমিতে রেখে দিয়েছিলেন, যা এখন বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে তাদের মাথায় হাত পড়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আবাদ হয়েছে। মৌসুমের শেষ সময়ে এমন প্রতিকূল আবহাওয়া কৃষকদের দুশ্চিন্তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। যদিও কৃষি কর্মকর্তারা দ্রুত ফসল ঘরে তোলার পরামর্শ দিচ্ছেন এবং বড় দুর্যোগ না হলে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করছেন।

অন্যদিকে, হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলাতেও একই অবস্থা। অসময়ের বন্যা ও পাহাড়ি ঢলে বোরো ধান তলিয়ে যাচ্ছে। ভারী বৃষ্টি ও বন্যার আতঙ্কের পাশাপাশি ধানকাটার যন্ত্রের মালিকদের সিন্ডিকেট সাধারণ কৃষকদের অসহায় করে তুলেছে। সরকারিভাবে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অনেক বেশি টাকা আদায় করা হচ্ছে, যা অনেক কৃষকের পক্ষে বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে কৃষকরা তাদের সারা বছরের খোরাকি ফসল নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন।