ঢাকা ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাষ্ট্রপতির ছবি অপসারণ নিয়ে আলোচনা না করার অনুরোধ জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের কাছে গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন একটি চিঠি লিখেছিলেন, যেখানে তিনি বিভিন্ন দূতাবাস থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি অপসারণের বিষয়টি উল্লেখ করেন। এই প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, “চিঠি অনেকদিন পর আমার কাছে এসেছে। আমার কাছে মনে হয়, এটা নিয়ে আমরা আলোচনা না করি।” উপদেষ্টা বলেন, “রাষ্ট্রপতির বিষয় অনেক ওপরের। উনি তার অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন। এইটুকুই আমরা জানি।”

বুধবার (৮ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতির ছবি নামানো নিয়ে কোনো আইন করা হয়েছে কিনা, এমন প্রশ্নে তৌহিদ হোসেন বলেন, “কোনো আইনও করা হয়নি, চিঠিও ইস্যু করা হয়নি। কিন্তু এমনিতে সাধারণভাবে কোনো ছবি থাকবে না, এটাই হলো নিয়ম। আমার মনে হয়, এটা নিয়ে আমরা এখানেই থেকে যাই। এটা নিয়ে বিতর্ক থাকবে…”

উল্লেখ্য, গত আগস্ট মাসে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বিদেশে বাংলাদেশি যেসব দূতাবাসে রাষ্ট্রপতির ছবি টানানো ছিল, সেগুলো নামানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। সরকারের এমন সিদ্ধান্তে দেশে-বিদেশে নানা আলোচনা তৈরি হয়। এরপর গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পররাষ্ট্র উপদেষ্টাকে লেখা এক চিঠিতে তার অনুভূতি ব্যক্ত করেন। তিনি ছবি অপসারণের ক্ষেত্রে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হওয়া আলোচনার কারণে বিশ্বব্যাপী তার সম্মান ভূলুণ্ঠিত হয়েছে বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি সরকারের ‘জিরো প্রোট্রেট’ নীতিকে সমর্থনের কথা জানান এবং সংশ্লিষ্টদের আরও কৌশলী উপায়ে এটি করা যেত বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভরাডুবি: ‘অপ্রাসঙ্গিক’ হওয়ার ঝুঁকিতে শ্রীলঙ্কা, সাঙ্গাকারার কড়া হুঁশিয়ারি

রাষ্ট্রপতির ছবি অপসারণ নিয়ে আলোচনা না করার অনুরোধ জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৫:১৯:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের কাছে গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন একটি চিঠি লিখেছিলেন, যেখানে তিনি বিভিন্ন দূতাবাস থেকে রাষ্ট্রপতির ছবি অপসারণের বিষয়টি উল্লেখ করেন। এই প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেছেন, “চিঠি অনেকদিন পর আমার কাছে এসেছে। আমার কাছে মনে হয়, এটা নিয়ে আমরা আলোচনা না করি।” উপদেষ্টা বলেন, “রাষ্ট্রপতির বিষয় অনেক ওপরের। উনি তার অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন। এইটুকুই আমরা জানি।”

বুধবার (৮ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতির ছবি নামানো নিয়ে কোনো আইন করা হয়েছে কিনা, এমন প্রশ্নে তৌহিদ হোসেন বলেন, “কোনো আইনও করা হয়নি, চিঠিও ইস্যু করা হয়নি। কিন্তু এমনিতে সাধারণভাবে কোনো ছবি থাকবে না, এটাই হলো নিয়ম। আমার মনে হয়, এটা নিয়ে আমরা এখানেই থেকে যাই। এটা নিয়ে বিতর্ক থাকবে…”

উল্লেখ্য, গত আগস্ট মাসে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বিদেশে বাংলাদেশি যেসব দূতাবাসে রাষ্ট্রপতির ছবি টানানো ছিল, সেগুলো নামানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়। সরকারের এমন সিদ্ধান্তে দেশে-বিদেশে নানা আলোচনা তৈরি হয়। এরপর গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পররাষ্ট্র উপদেষ্টাকে লেখা এক চিঠিতে তার অনুভূতি ব্যক্ত করেন। তিনি ছবি অপসারণের ক্ষেত্রে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হওয়া আলোচনার কারণে বিশ্বব্যাপী তার সম্মান ভূলুণ্ঠিত হয়েছে বলে আক্ষেপ প্রকাশ করেন। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি সরকারের ‘জিরো প্রোট্রেট’ নীতিকে সমর্থনের কথা জানান এবং সংশ্লিষ্টদের আরও কৌশলী উপায়ে এটি করা যেত বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন।