মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার তাদের মেয়াদের শেষ সময়ে অর্থাৎ গত ৩ ফেব্রুয়ারি জাপানের সাথে ‘প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর চুক্তি’ স্বাক্ষর করেছিল। গতকালের বৈঠকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে চুক্তিটি অনুসমর্থনের (র্যাটিফিকেশন) প্রস্তাব তোলা হলে মন্ত্রিসভা তা চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করে।
এর পাশাপাশি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উত্থাপিত ‘ইন্টারন্যাশনাল বিগ ক্যাট অ্যালায়েন্স (আইবিসিএ)’ প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তির প্রস্তাবটিও অনুমোদিত হয়েছে। ২০২৩ সালে গঠিত বৈশ্বিক এই জোটটি বাঘ, সিংহ ও চিতাসহ বিশ্বের প্রধান সাতটি বৃহৎ বিড়াল প্রজাতি এবং তাদের আবাসস্থল সংরক্ষণে কাজ করে। বাংলাদেশ রয়েল বেঙ্গল টাইগারের দেশ হওয়ায় সুন্দরবনের ইকোসিস্টেমের সুরক্ষা ও ব্যবস্থাপনার কথা বিবেচনা করে এই জোটের সাথে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
একই বৈঠকে নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০২৬ থেকে ২০৩০ মেয়াদের খসড়া ‘জিসিএম ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান’ বা জাতীয় কর্মপরিকল্পনা অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। ২০১৮ সালে জাতিসংঘে ‘গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর সেফ, অর্ডারলি অ্যান্ড রেগুলার মাইগ্রেশন (জিসিএম)’ গৃহীত হওয়ার পর থেকেই বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অভিবাসন প্ল্যাটফর্মে নেতৃত্ব দিয়ে আসছে এবং বিশ্বমঞ্চে ‘জিসিএম চ্যাম্পিয়ন’ দেশ হিসেবে স্বীকৃত।
ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশনের (আইওএম) সহযোগিতায় এবং বিভিন্ন অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এই নতুন কর্মপরিকল্পনার খসড়াটি প্রস্তুত করেছিল। এই পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়ন বাংলাদেশের বৈদেশিক শ্রমবাজারের উন্নয়ন এবং অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 

























