ঢাকা ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সাবেক মন্ত্রী রুহুল হক, তার স্ত্রী-ছেলেসহ ৫৬টি ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ আদালতের

সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আ ফ ম রুহুল হক, তার স্ত্রী ইলা হক এবং ছেলে জিয়াউল হকের ৫৬টি ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এর মধ্যে রুহুল হকের ৩৯টি, ইলা হকের দুইটি এবং জিয়াউল হকের ১৫টি ব্যাংক হিসাব রয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন। দুদক-এর জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক তানজিল আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আবেদনে দুদক উল্লেখ করেছে যে, আ ফ ম রুহুল হক তার নিজের এবং স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের নামে থাকা ৫৬টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাবে বিপুল পরিমাণ অর্থের সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন। অনুসন্ধানকালে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, তারা এই হিসাবগুলো অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর, বন্ধক বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। তাই, অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে উক্ত হিসাবসমূহ অবিলম্বে ফ্রিজ করা আবশ্যক। এই কারণে হিসাবগুলো অবরুদ্ধকরণের আদেশ দানের জন্য আবেদন করা হয়েছে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ভরাডুবি: ‘অপ্রাসঙ্গিক’ হওয়ার ঝুঁকিতে শ্রীলঙ্কা, সাঙ্গাকারার কড়া হুঁশিয়ারি

সাবেক মন্ত্রী রুহুল হক, তার স্ত্রী-ছেলেসহ ৫৬টি ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ আদালতের

আপডেট সময় : ০৪:০২:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী এবং কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আ ফ ম রুহুল হক, তার স্ত্রী ইলা হক এবং ছেলে জিয়াউল হকের ৫৬টি ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এর মধ্যে রুহুল হকের ৩৯টি, ইলা হকের দুইটি এবং জিয়াউল হকের ১৫টি ব্যাংক হিসাব রয়েছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)-এর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ দেন। দুদক-এর জনসংযোগ বিভাগের সহকারী পরিচালক তানজিল আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আবেদনে দুদক উল্লেখ করেছে যে, আ ফ ম রুহুল হক তার নিজের এবং স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের নামে থাকা ৫৬টি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের হিসাবে বিপুল পরিমাণ অর্থের সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন। অনুসন্ধানকালে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, তারা এই হিসাবগুলো অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর, বন্ধক বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। তাই, অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে উক্ত হিসাবসমূহ অবিলম্বে ফ্রিজ করা আবশ্যক। এই কারণে হিসাবগুলো অবরুদ্ধকরণের আদেশ দানের জন্য আবেদন করা হয়েছে।