ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

টাঙ্গাইলে ধলেশ্বরী ব্রিজের অ্যাপ্রোচ সড়ক ভেঙে পাঁচটি ইউনিয়নের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, দুর্ভোগে লক্ষাধিক মানুষ

টাঙ্গাইল-তোরাপগঞ্জ সড়কে ধলেশ্বরী নদীর ওপর নির্মিত একটি ব্রিজের অ্যাপ্রোচ সড়ক ভেঙে যাওয়ায় পাঁচটি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রাতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চারাবাড়ি এলাকার ব্রিজের পশ্চিম অংশের অ্যাপ্রোচ সড়কটি ভেঙে যায়। এর ফলে সদর উপজেলার কাতুলী, হুগড়া, কাকুয়া, মাহমুদ নগর এবং নাগরপুর উপজেলার ভাররা ইউনিয়নের বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি) ২০০৬ সালে ১৭০.৬৪২ মিটার দীর্ঘ এই ব্রিজটি নির্মাণ করেছিল। তবে নির্মাণের পর থেকেই এই ব্রিজের পূর্ব ও পশ্চিম তীরের অ্যাপ্রোচ সড়ক বারবার ধসে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গত বছরও ব্রিজের পশ্চিম পাশের অ্যাপ্রোচ সড়ক একবার ভেঙে গিয়েছিল।

কাতুলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সুমন দেওয়ান জানান, নদীর পানির চাপ বেড়ে যাওয়ায় পশ্চিম পাশের অ্যাপ্রোচসহ সংযোগ সড়ক এবং কয়েকটি বাড়িতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে এই ব্রিজ ভেঙে গেলে চরাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করবে।

সদর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী জাকির হোসেন বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, এলজিইডি এবং সদর উপজেলা পরিষদের যৌথ উদ্যোগে আজকের মধ্যেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জগন্নাথের বেদখল হল উদ্ধারে সব ধরনের আইনি সহায়তার আশ্বাস এমপি হামিদের

টাঙ্গাইলে ধলেশ্বরী ব্রিজের অ্যাপ্রোচ সড়ক ভেঙে পাঁচটি ইউনিয়নের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, দুর্ভোগে লক্ষাধিক মানুষ

আপডেট সময় : ০৩:৪০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫

টাঙ্গাইল-তোরাপগঞ্জ সড়কে ধলেশ্বরী নদীর ওপর নির্মিত একটি ব্রিজের অ্যাপ্রোচ সড়ক ভেঙে যাওয়ায় পাঁচটি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রাতে টাঙ্গাইল সদর উপজেলার চারাবাড়ি এলাকার ব্রিজের পশ্চিম অংশের অ্যাপ্রোচ সড়কটি ভেঙে যায়। এর ফলে সদর উপজেলার কাতুলী, হুগড়া, কাকুয়া, মাহমুদ নগর এবং নাগরপুর উপজেলার ভাররা ইউনিয়নের বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর (এলজিইডি) ২০০৬ সালে ১৭০.৬৪২ মিটার দীর্ঘ এই ব্রিজটি নির্মাণ করেছিল। তবে নির্মাণের পর থেকেই এই ব্রিজের পূর্ব ও পশ্চিম তীরের অ্যাপ্রোচ সড়ক বারবার ধসে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গত বছরও ব্রিজের পশ্চিম পাশের অ্যাপ্রোচ সড়ক একবার ভেঙে গিয়েছিল।

কাতুলী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সুমন দেওয়ান জানান, নদীর পানির চাপ বেড়ে যাওয়ায় পশ্চিম পাশের অ্যাপ্রোচসহ সংযোগ সড়ক এবং কয়েকটি বাড়িতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে এই ব্রিজ ভেঙে গেলে চরাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করবে।

সদর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী জাকির হোসেন বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড, এলজিইডি এবং সদর উপজেলা পরিষদের যৌথ উদ্যোগে আজকের মধ্যেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।