ঢাকা ০২:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

এবার মারধরের মামলায় গ্রেফতার সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:২২:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর কোতোয়ালি থানার  মারধর করার এক মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকালে সাবেক এই মন্ত্রীকে ঢাকা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হয়।

পরে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে মামলাটির অভিযোগে তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। আদালত শুনানি শেষে কামরুল ইসলামকে গ্রেফতারের আবেদন মঞ্জুর করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারিতে মামলাটি ঢাকা আইনজীবী সমিতি কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আলী বাবু দায়ের করে। মামলাটিতে কামরুল ইসলাম ১৯ নম্বর আসামি।

কামরুল ইসলামের আইনজীবী আফিতাফ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, গত ২০২৪ সালে ৪ আগস্ট একটি মারধর করার মামলায় কামরুল ইসলামকে গ্রেফতার আবেদন করা হয়। মামলায় কোথাও কামরুল ইসলামের সম্পৃক্ততা না পেলেও তাকে গ্রেফতার দেখানো হচ্ছে।

এ সময় আদালতে কড়া পুলিশি নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভেতরে আদালতে তোলা হয়। হাজিরা শেষে আবার হাজত খানায় নেওয়া হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যাত্রাবাড়ীতে চলন্ত গাড়িতে ছিনতাই: দেশীয় অস্ত্রসহ দুর্ধর্ষ ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

এবার মারধরের মামলায় গ্রেফতার সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম

আপডেট সময় : ০১:২২:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

রাজধানীর কোতোয়ালি থানার  মারধর করার এক মামলায় সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলামকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকালে সাবেক এই মন্ত্রীকে ঢাকা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হয়।

পরে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে মামলাটির অভিযোগে তাকে গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। আদালত শুনানি শেষে কামরুল ইসলামকে গ্রেফতারের আবেদন মঞ্জুর করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারিতে মামলাটি ঢাকা আইনজীবী সমিতি কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আলী বাবু দায়ের করে। মামলাটিতে কামরুল ইসলাম ১৯ নম্বর আসামি।

কামরুল ইসলামের আইনজীবী আফিতাফ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, গত ২০২৪ সালে ৪ আগস্ট একটি মারধর করার মামলায় কামরুল ইসলামকে গ্রেফতার আবেদন করা হয়। মামলায় কোথাও কামরুল ইসলামের সম্পৃক্ততা না পেলেও তাকে গ্রেফতার দেখানো হচ্ছে।

এ সময় আদালতে কড়া পুলিশি নিরাপত্তা বেষ্টনীর ভেতরে আদালতে তোলা হয়। হাজিরা শেষে আবার হাজত খানায় নেওয়া হয়।