ঢাকা ০৫:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় প্রধানমন্ত্রীর সক্রিয় অংশগ্রহণ: প্রশংসায় পঞ্চমুখ নগরবাসী

ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরেজমিন তদারকি ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ দেশজুড়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, টেলিভিশন টকশো এবং জনপরিসরে অনেকেই এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। কেউ কেউ এটিকে একটি ইতিবাচক ও দৃষ্টান্তমূলক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকেই এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার উপর জোর দিয়েছেন।

কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণের জন্য ঈদের আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই নির্দেশনা কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে, তা সরেজমিনে দেখতে ঈদের পরদিন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং নগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি নিজেই গাড়ি চালিয়ে ঢাকার রাস্তা ঘুরে দেখেন এবং বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শনের সময় দায়িত্বে অবহেলার কারণে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে অপসারণের নির্দেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে, স্থানীয় সরকার বিভাগকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ, নগরীর আবর্জনা পরিষ্কার এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়।

ঈদের দ্বিতীয় দিন সকালে গুলশান থেকে শুরু করে হাতিরঝিল, রামপুরা, মালিবাগ, বাসাবো, কমলাপুর, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, ধোলাইখাল, পুরান ঢাকা, শাহবাগ, এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, নিউমার্কেট, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, কলাবাগান, মিরপুর রোড, জিগাতলা, মানিক মিয়া এভিনিউ এবং মহাখালীসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

হাতিরপুল, এলিফ্যান্ট রোড, গ্রিন রোড, ফার্মগেট এবং কারওয়ান বাজার এলাকায় কোরবানির বর্জ্য ও জমে থাকা আবর্জনা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের জোন-৫-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদেকুর রহমান এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জোন-১-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী সালেহ মুস্তানজিরকে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এবং প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জরুরি ভিত্তিতে অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৃজনশীল কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার সীমিত করার আহ্বান জানালেন জুনায়েদ ইভান

কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় প্রধানমন্ত্রীর সক্রিয় অংশগ্রহণ: প্রশংসায় পঞ্চমুখ নগরবাসী

আপডেট সময় : ০৪:১৬:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬

ঈদুল আজহায় কোরবানির পশুর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরেজমিন তদারকি ও তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ দেশজুড়ে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, টেলিভিশন টকশো এবং জনপরিসরে অনেকেই এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। কেউ কেউ এটিকে একটি ইতিবাচক ও দৃষ্টান্তমূলক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকেই এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার উপর জোর দিয়েছেন।

কোরবানির বর্জ্য দ্রুত অপসারণের জন্য ঈদের আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই নির্দেশনা কতটা কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে, তা সরেজমিনে দেখতে ঈদের পরদিন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং নগরীর বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন। তিনি নিজেই গাড়ি চালিয়ে ঢাকার রাস্তা ঘুরে দেখেন এবং বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শনের সময় দায়িত্বে অবহেলার কারণে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের দুই আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাকে অপসারণের নির্দেশ দেন তিনি। একই সঙ্গে, স্থানীয় সরকার বিভাগকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ, নগরীর আবর্জনা পরিষ্কার এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়। এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও জানানো হয়।

ঈদের দ্বিতীয় দিন সকালে গুলশান থেকে শুরু করে হাতিরঝিল, রামপুরা, মালিবাগ, বাসাবো, কমলাপুর, সায়েদাবাদ, যাত্রাবাড়ী, ধোলাইখাল, পুরান ঢাকা, শাহবাগ, এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, নিউমার্কেট, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, কলাবাগান, মিরপুর রোড, জিগাতলা, মানিক মিয়া এভিনিউ এবং মহাখালীসহ বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

হাতিরপুল, এলিফ্যান্ট রোড, গ্রিন রোড, ফার্মগেট এবং কারওয়ান বাজার এলাকায় কোরবানির বর্জ্য ও জমে থাকা আবর্জনা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের জোন-৫-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদেকুর রহমান এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের জোন-১-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী সালেহ মুস্তানজিরকে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এবং প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ, পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং জরুরি ভিত্তিতে অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন।