ঢাকা ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বৈঠকে যা আলোচনা হলো

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:২৩:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৮ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ ও তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যায়ে চতুর্থ পলিটিক্যাল কনসালটেশন মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং তুরস্কের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ বেরিস একিনসি নিজ নিজ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।

উষ্ণ, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও গঠনমূলক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় উভয় পক্ষই সংহতি, পারস্পরিক আস্থা এবং শান্তি, স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য অভিন্ন আকাঙ্ক্ষার ওপর ভিত্তি করে দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে তাদের অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

বৈঠক শেষে দুদেশের এক যৌথ বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, তুরস্ক বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার এবং গণতন্ত্রকে সুসংহত করা, আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রশাসনের প্রসারে সংস্কারমূলক উদ্যোগের জন্য গভীর প্রশংসা করেছে। তুরস্ক বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও প্রতিষ্ঠান গঠনের প্রচেষ্টায় সমর্থন অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

উভয় পক্ষই ব্যবসা-বাণিজ্যে বৈচিত্র্য আনা, যোগাযোগ বৃদ্ধি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং যৌথ উদ্যোগের প্রসারে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে তুরস্কের আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়। এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের আলোকে বাংলাদেশ গ্র্যাজুয়েশন কালের সময় ও তার বাইরেও অন্তর্বর্তীকালীন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তুরস্কের সহায়তা চেয়েছে।

উভয় পক্ষই বর্তমান প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতার পর্যালোচনা করেছে এবং প্রতিরক্ষা শিল্প, সংগ্রহ, প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে। এছাড়া উভয় পক্ষই সব ধরনের সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় সহযোগিতা বৃদ্ধির গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছে।

বৈঠকে পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রে তুরস্কের উন্নত দক্ষতাকে কাজে লাগানোর লক্ষ্যে এবং বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় ও স্থিতিশীল জ্বালানি সমাধানের ক্রমবর্ধমান চাহিদাকে সমর্থন করার জন্য শক্তি ক্ষেত্রে অংশীদারত্বের সম্ভাবনার কথা উভয় পক্ষই স্বীকার করেছে। উভয় পক্ষই শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। মানুষে মানুষে যোগাযোগ বাড়াতে গবেষণা ও উদ্ভাবন, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, যুব ও ক্রীড়া এবং সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে মতবিনিময় করেছেন।

এছাড়া জুলাই বিপ্লবের সময় আহতদের চিকিৎসা এবং কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তুরস্কের ফিল্ড হাসপাতাল পরিচালনাসহ স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে তুরস্কের নিরন্তর সহায়তার জন্য বাংলাদেশ আন্তরিক প্রশংসা করেছে। উভয় পক্ষই স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাব্য উপায় নিয়ে মতবিনিময় করেন।

পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় তুরস্কের রাজনৈতিক ও মানবিক সহায়তার জন্য বাংলাদেশ গভীর প্রশংসা করেছে। দুদেশ রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নৃশংসতার জন্য সহায়তা, ন্যায়বিচার এবং জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং মিয়ানমারে তাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং টেকসই প্রত্যাবর্তনের জরুরি প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮০তম সাধারণ পরিষদের ফাঁকে অনুষ্ঠিত রোহিঙ্গা সম্পর্কিত উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ তুরস্কের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে

এছাড়া বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ঘটনাবলি নিয়ে মতবিনিময় করেছে এবং বিভিন্ন দেশের ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিকে উভয়ই স্বাগত জানিয়েছে। তারা পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে ১৯৬৭ সালের পূর্ববর্তী সীমান্তের ওপর ভিত্তি করে একটি স্বাধীন, সার্বভৌমত্ব এবং সংলগ্ন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। তারা গাজা উপত্যকায় নারী ও শিশুসহ অসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে চলমান গণহত্যা, পশ্চিম তীরের সংযুক্তি সম্পর্কে চরমপন্থি ইজরায়েলের বক্তব্য এবং জেরুজালেমে স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের প্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি, অবাধ মানবিক প্রবেশাধিকার এবং যুদ্ধের অস্ত্র হিসাবে অনাহারকে দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রত্যাখ্যান করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে।

জাতিসংঘ, ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) এবং ডি-৮ সহ বহুপাক্ষিক মঞ্চে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার বিষয়ে প্রতিনিধি দল তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। বাংলাদেশ এই বছরের জুনে ইস্তাম্বুলে ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের পরিষদের ৫১তম অধিবেশন এবং মে মাসে ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত ডি-৮ কমিশনের ৪৯তম অধিবেশন সফলভাবে আয়োজনের জন্য তুরস্ককে অভিনন্দন জানিয়েছে। এছাড়াও বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক চুক্তির বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং ঝুলে থাকা দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ও সমঝোতাপত্রগুলোর বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করে সইয়ের জন্য দ্রুত চূড়ান্ত করার বিষয়ে তারা সহমত পোষণ করেন।

অভিন্ন উদ্দেশ নিয়ে আলোচনা শেষে তারা পারস্পরিক সম্মতির তারিখে আঙ্কারায় পরবর্তী পলিটিক্যাল কনসালটেশন আহ্বান করতে সম্মত হয়েছেন। প্রতিনিধিরা নিশ্চিত করেছেন চতুর্থ বৈঠকের ফলাফলগুলো বাংলাদেশ এবং তুরস্কের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অংশীদারত্বকে আরও দৃঢ় করবে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন সামরিক সমীকরণ: চীন থেকে অত্যাধুনিক সুপারসনিক মিসাইল কিনছে ইরান

বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বৈঠকে যা আলোচনা হলো

আপডেট সময় : ০৩:২৩:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশ ও তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পর্যায়ে চতুর্থ পলিটিক্যাল কনসালটেশন মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং তুরস্কের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ বেরিস একিনসি নিজ নিজ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।

উষ্ণ, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও গঠনমূলক পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় উভয় পক্ষই সংহতি, পারস্পরিক আস্থা এবং শান্তি, স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য অভিন্ন আকাঙ্ক্ষার ওপর ভিত্তি করে দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে তাদের অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

বৈঠক শেষে দুদেশের এক যৌথ বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, তুরস্ক বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার এবং গণতন্ত্রকে সুসংহত করা, আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রশাসনের প্রসারে সংস্কারমূলক উদ্যোগের জন্য গভীর প্রশংসা করেছে। তুরস্ক বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও প্রতিষ্ঠান গঠনের প্রচেষ্টায় সমর্থন অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

উভয় পক্ষই ব্যবসা-বাণিজ্যে বৈচিত্র্য আনা, যোগাযোগ বৃদ্ধি, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং যৌথ উদ্যোগের প্রসারে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে তুরস্কের আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়। এলডিসি গ্র্যাজুয়েশনের আলোকে বাংলাদেশ গ্র্যাজুয়েশন কালের সময় ও তার বাইরেও অন্তর্বর্তীকালীন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তুরস্কের সহায়তা চেয়েছে।

উভয় পক্ষই বর্তমান প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতার পর্যালোচনা করেছে এবং প্রতিরক্ষা শিল্প, সংগ্রহ, প্রশিক্ষণ এবং দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ক্রমবর্ধমান সহযোগিতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছে। এছাড়া উভয় পক্ষই সব ধরনের সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় সহযোগিতা বৃদ্ধির গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছে।

বৈঠকে পরিবেশ বান্ধব প্রযুক্তির ক্ষেত্রে তুরস্কের উন্নত দক্ষতাকে কাজে লাগানোর লক্ষ্যে এবং বাংলাদেশের বৈচিত্র্যময় ও স্থিতিশীল জ্বালানি সমাধানের ক্রমবর্ধমান চাহিদাকে সমর্থন করার জন্য শক্তি ক্ষেত্রে অংশীদারত্বের সম্ভাবনার কথা উভয় পক্ষই স্বীকার করেছে। উভয় পক্ষই শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছে। মানুষে মানুষে যোগাযোগ বাড়াতে গবেষণা ও উদ্ভাবন, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, যুব ও ক্রীড়া এবং সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে মতবিনিময় করেছেন।

এছাড়া জুলাই বিপ্লবের সময় আহতদের চিকিৎসা এবং কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে তুরস্কের ফিল্ড হাসপাতাল পরিচালনাসহ স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে তুরস্কের নিরন্তর সহায়তার জন্য বাংলাদেশ আন্তরিক প্রশংসা করেছে। উভয় পক্ষই স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সম্ভাব্য উপায় নিয়ে মতবিনিময় করেন।

পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় তুরস্কের রাজনৈতিক ও মানবিক সহায়তার জন্য বাংলাদেশ গভীর প্রশংসা করেছে। দুদেশ রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নৃশংসতার জন্য সহায়তা, ন্যায়বিচার এবং জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং মিয়ানমারে তাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং টেকসই প্রত্যাবর্তনের জরুরি প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে। নিউইয়র্কে জাতিসংঘের ৮০তম সাধারণ পরিষদের ফাঁকে অনুষ্ঠিত রোহিঙ্গা সম্পর্কিত উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ তুরস্কের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে

এছাড়া বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ঘটনাবলি নিয়ে মতবিনিময় করেছে এবং বিভিন্ন দেশের ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিকে উভয়ই স্বাগত জানিয়েছে। তারা পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে ১৯৬৭ সালের পূর্ববর্তী সীমান্তের ওপর ভিত্তি করে একটি স্বাধীন, সার্বভৌমত্ব এবং সংলগ্ন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে। তারা গাজা উপত্যকায় নারী ও শিশুসহ অসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে চলমান গণহত্যা, পশ্চিম তীরের সংযুক্তি সম্পর্কে চরমপন্থি ইজরায়েলের বক্তব্য এবং জেরুজালেমে স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের প্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি, অবাধ মানবিক প্রবেশাধিকার এবং যুদ্ধের অস্ত্র হিসাবে অনাহারকে দ্ব্যর্থহীনভাবে প্রত্যাখ্যান করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে।

জাতিসংঘ, ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (ওআইসি) এবং ডি-৮ সহ বহুপাক্ষিক মঞ্চে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার বিষয়ে প্রতিনিধি দল তাদের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। বাংলাদেশ এই বছরের জুনে ইস্তাম্বুলে ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের পরিষদের ৫১তম অধিবেশন এবং মে মাসে ইস্তাম্বুলে অনুষ্ঠিত ডি-৮ কমিশনের ৪৯তম অধিবেশন সফলভাবে আয়োজনের জন্য তুরস্ককে অভিনন্দন জানিয়েছে। এছাড়াও বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক চুক্তির বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং ঝুলে থাকা দ্বিপাক্ষিক চুক্তি ও সমঝোতাপত্রগুলোর বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করে সইয়ের জন্য দ্রুত চূড়ান্ত করার বিষয়ে তারা সহমত পোষণ করেন।

অভিন্ন উদ্দেশ নিয়ে আলোচনা শেষে তারা পারস্পরিক সম্মতির তারিখে আঙ্কারায় পরবর্তী পলিটিক্যাল কনসালটেশন আহ্বান করতে সম্মত হয়েছেন। প্রতিনিধিরা নিশ্চিত করেছেন চতুর্থ বৈঠকের ফলাফলগুলো বাংলাদেশ এবং তুরস্কের মধ্যে ক্রমবর্ধমান অংশীদারত্বকে আরও দৃঢ় করবে।