নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, বর্তমানে ১১টি দেশের ২১টি স্টেশনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) দেওয়ার কার্যক্রম চলছে। রবিবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য দেন।
ইসি সচিব বলেন, ‘আমরা এই মুহূর্তে ১১টি দেশের দূতাবাসে মোট ২১টি স্টেশনে নিবন্ধন কার্যক্রম পরিচালনা করছি। যেমন- অস্ট্রেলিয়ায় দুটি, কানাডায় দুটি, যুক্তরাষ্ট্রে চারটি, যুক্তরাজ্যে তিনটি। এভাবে মোট ২১টি স্টেশনে নিবন্ধন প্রক্রিয়া চলছে। আমরা ধারাবাহিকভাবে চেষ্টা করছি যেন যেখানে আমাদের দূতাবাস আছে, সেসব দেশেও এই সেবা সম্প্রসারণ করা যায়।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিদেশে অবস্থানরত অনেক বাংলাদেশিরই ইতোমধ্যে এনআইডি রয়েছে। কারণ, পাসপোর্ট নিতে গেলেও এনআইডি বাধ্যতামূলক। ফলে, উল্লেখযোগ্য সংখ্যক প্রবাসীর এনআইডি রয়েছে বলে আমাদের ধারণা। তবে, এখনো যারা নিবন্ধিত হননি, তারা আগামী ১৬ নভেম্বর উদ্বোধন হতে যাওয়া নতুন অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করতে পারবেন এবং আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন।’
সচিব জানান, এবার প্রথমবারের মতো প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য পোস্টাল ভোটিংয়ের (ডাকযোগে ভোট) ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যেসব প্রবাসী ভোটার ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপে নিবন্ধিত হবেন, তারা ডাকযোগে তাদের ভোটটি দিতে পারবেন। এই লক্ষ্যে আগামী ১৬ নভেম্বর প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন অ্যাপটি উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধনের সময়ই জানিয়ে দেওয়া হবে যে, কতদিন পর্যন্ত নিবন্ধন করা যাবে।
তিনি বলেন, ‘প্রবাসী ভোটারদের ক্ষেত্রে দুটি বিষয় প্রাসঙ্গিক— একটি হলো ভোটার হিসেবে নিবন্ধন, আরেকটি হলো ভোট প্রদানের জন্য নিবন্ধন। একজনকে প্রথমে ভোটার হতে হবে, এরপর ভোট প্রদানের জন্য নিবন্ধন করতে হবে। বর্তমানে অ্যাপটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে, তবে আমাদের লক্ষ্য আগামী ১৬ নভেম্বর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা।’
নতুন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো আবেদনগুলো পর্যালোচনা করছি। আশা করি এই সপ্তাহের মধ্যেই বিষয়টি নিষ্পত্তি করা যাবে।’
রিপোর্টারের নাম 



















