ঢাকা ০৫:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

‘রইদের’ ছবির অভিজ্ঞতা উপভোগ করছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, দর্শকের জন্য বিশেষ বার্তা

‘হাওয়া’খ্যাত নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমনের নতুন সিনেমা ‘রইদ’-এ প্রধান চরিত্রে অভিনয় করে দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়াচ্ছেন অভিনেতা মোস্তাফিজুর নূর ইমরান। সিনেমাটি মুক্তির পর তিনি দীর্ঘদিনের হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের কাছ থেকেও সাড়া পাচ্ছেন।

ইমরান বলেন, ‘খুবই দারুণ অনুভূতি হচ্ছে। স্কুলের পর যাদের সঙ্গে আর দেখা হয়নি, এমন অনেক বন্ধু ফোন বা মেসেজ করে ছবিটির প্রশংসা করছে। অনেকে ছবিটি দেখার কথা জানিয়েছে এবং শুভকামনা জানিয়েছে। এছাড়া, পরিচিত ও প্রিয়জনদের কাছ থেকেও যে ভালোবাসা পাচ্ছি, তা আমি উপভোগ করছি। আমার বাবাও ছবিটি দেখেছেন এবং তার খুব ভালো লেগেছে। সব মিলিয়ে ‘রইদের’ সিনেমার অভিজ্ঞতা আমি দারুণভাবে উপভোগ করছি।’

এদিকে, সিনেমাটি মুক্তির পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ‘রইদ’ বুঝতে না পারার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। অনেকেই ছবিটির গল্প বা প্রেক্ষাপট সহজে ধরতে পারছেন না বলে মন্তব্য করেছেন। দর্শকের এই অংশের জন্য ইমরান একটি বিশেষ পরামর্শ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘ছবিটি মন দিয়ে, মন দিয়ে শুনুন এবং বোঝার চেষ্টা করুন। হলে বসে পাশের জনের সাথে কথা বলতে বলতে বা পপকর্ন খেতে খেতে দেখলে এটি উপভোগ করা কঠিন হবে। কারণ, একটি চলচ্চিত্রের শব্দ, সংগীত, অভিনয় সবকিছু মিলে একটি সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা তৈরি হয়। সবকিছুকে কেবল গল্পের কাঠামোতে বাঁধতে হবে এমন নয়, অনুভূতির কাঠামোতেও বাঁধা যায়। ‘রইদ’ এমন একটি ছবি যা আবেগ ও ঘোরের কাঠামোতে বাঁধা।’

ইমরান মনে করেন, দর্শকের একাংশের সিনেমাটি বুঝতে না পারার পেছনে আমাদের সাংস্কৃতিক চর্চার অভাব একটি বড় কারণ। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিনের লোকচর্চার অভাবে আমাদের শিক্ষা ও সংস্কৃতির অনেক কিছুই হারিয়ে গেছে। তবে ‘রইদ’ ছবির মাধ্যমে একটি নতুন ধারা তৈরি হলো, যা ভবিষ্যতে অন্য নির্মাতারাও অনুসরণ করতে পারেন।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদকে বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত করার চেষ্টা চলছে: ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ

‘রইদের’ ছবির অভিজ্ঞতা উপভোগ করছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, দর্শকের জন্য বিশেষ বার্তা

আপডেট সময় : ০৭:২০:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

‘হাওয়া’খ্যাত নির্মাতা মেজবাউর রহমান সুমনের নতুন সিনেমা ‘রইদ’-এ প্রধান চরিত্রে অভিনয় করে দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়াচ্ছেন অভিনেতা মোস্তাফিজুর নূর ইমরান। সিনেমাটি মুক্তির পর তিনি দীর্ঘদিনের হারিয়ে যাওয়া বন্ধুদের কাছ থেকেও সাড়া পাচ্ছেন।

ইমরান বলেন, ‘খুবই দারুণ অনুভূতি হচ্ছে। স্কুলের পর যাদের সঙ্গে আর দেখা হয়নি, এমন অনেক বন্ধু ফোন বা মেসেজ করে ছবিটির প্রশংসা করছে। অনেকে ছবিটি দেখার কথা জানিয়েছে এবং শুভকামনা জানিয়েছে। এছাড়া, পরিচিত ও প্রিয়জনদের কাছ থেকেও যে ভালোবাসা পাচ্ছি, তা আমি উপভোগ করছি। আমার বাবাও ছবিটি দেখেছেন এবং তার খুব ভালো লেগেছে। সব মিলিয়ে ‘রইদের’ সিনেমার অভিজ্ঞতা আমি দারুণভাবে উপভোগ করছি।’

এদিকে, সিনেমাটি মুক্তির পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে ‘রইদ’ বুঝতে না পারার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। অনেকেই ছবিটির গল্প বা প্রেক্ষাপট সহজে ধরতে পারছেন না বলে মন্তব্য করেছেন। দর্শকের এই অংশের জন্য ইমরান একটি বিশেষ পরামর্শ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘ছবিটি মন দিয়ে, মন দিয়ে শুনুন এবং বোঝার চেষ্টা করুন। হলে বসে পাশের জনের সাথে কথা বলতে বলতে বা পপকর্ন খেতে খেতে দেখলে এটি উপভোগ করা কঠিন হবে। কারণ, একটি চলচ্চিত্রের শব্দ, সংগীত, অভিনয় সবকিছু মিলে একটি সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা তৈরি হয়। সবকিছুকে কেবল গল্পের কাঠামোতে বাঁধতে হবে এমন নয়, অনুভূতির কাঠামোতেও বাঁধা যায়। ‘রইদ’ এমন একটি ছবি যা আবেগ ও ঘোরের কাঠামোতে বাঁধা।’

ইমরান মনে করেন, দর্শকের একাংশের সিনেমাটি বুঝতে না পারার পেছনে আমাদের সাংস্কৃতিক চর্চার অভাব একটি বড় কারণ। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিনের লোকচর্চার অভাবে আমাদের শিক্ষা ও সংস্কৃতির অনেক কিছুই হারিয়ে গেছে। তবে ‘রইদ’ ছবির মাধ্যমে একটি নতুন ধারা তৈরি হলো, যা ভবিষ্যতে অন্য নির্মাতারাও অনুসরণ করতে পারেন।’