২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘সি’-এর এক রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে আগামীকাল শনিবার ভোররাত ৪টায় জিলেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে স্কটল্যান্ড ও মরক্কো। এই ম্যাচটি উভয় দলের জন্যই নকআউট পর্বে যাওয়ার সমীকরণ মেলানোর পথে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে হাইতিকে ১-০ গোলে হারিয়ে পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে বর্তমানে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে স্কটল্যান্ড। ম্যাচের একমাত্র গোলটি করেন জন ম্যাকগিন। যদিও স্কটিশদের পারফরম্যান্স খুব একটা নজরকাড়া ছিল না, তবুও জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করাটা কোচ স্টিভ ক্লার্কের শিষ্যদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। এই ম্যাচে মরক্কোকে হারাতে পারলে প্রথমবারের মতো কোনো বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের নকআউট পর্বে খেলার ঐতিহাসিক গৌরব অর্জন করবে ‘দ্য টার্টান আর্মি’। এমনকি অন্য ম্যাচে ব্রাজিল যদি হাইতির বিরুদ্ধে জয় পেতে ব্যর্থ হয়, তবে স্কটল্যান্ড গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই রাউন্ড অব ৩২-এ খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।
অন্যদিকে, নিজেদের প্রথম ম্যাচে শক্তিশালী ব্রাজিলের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মরক্কো। ইসমায়েল সাইবারির গোলে মরক্কো এগিয়ে গেলেও ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গোলে সমতায় ফেরে ব্রাজিল। ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট মরক্কোকে এবারের আসরেও ‘ডার্ক হর্স’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। কোচ মোহামেদ ওয়াহবির দল জিতলে সরাসরি নকআউট নিশ্চিত করতে না পারলেও শেষ ষোলোর দৌড়ে অনেকটা এগিয়ে যাবে। ঐতিহাসিক পরিসংখ্যান অবশ্য মরক্কোর পক্ষেই কথা বলছে। ১৯৯৮ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে এই দুই দলের একমাত্র দেখায় মরক্কো ৩-০ গোলে স্কটল্যান্ডকে পরাজিত করেছিল। ফলে, দীর্ঘ ২৮ বছর পর এই ম্যাচে স্কটল্যান্ডের সামনে যেমন প্রতিশোধের সুযোগ রয়েছে, তেমনি মরক্কোর সামনে জয়ের ধারা বজায় রাখার চ্যালেঞ্জও। কাগজে-কলমে এবং সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সের বিচারে মরক্কো ফেভারিট হিসেবে মাঠে নামলেও, স্কটল্যান্ডের লড়াকু মানসিকতা ম্যাচটিকে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 

























