ঢাকা ০৩:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

সেনাপ্রধানের মতে, সামরিক জীবনে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৩:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
  • ৪৫ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় একটি দক্ষ, আধুনিক ও দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি আরও যোগ করেন যে, এই সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে থাকা অফিসারদের জন্য ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা এবং ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির (বিএমএ) ৯০তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের অফিসার ক্যাডেটদের কমিশন প্রাপ্তি উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাপ্রধান এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি নিবেদিতপ্রাণ, দক্ষ, চৌকস, মেধাবী এবং একবিংশ শতাব্দীর নেতৃত্বের জন্য উপযুক্ত সেনা অফিসার তৈরি করে চলেছে।

সেনাপ্রধান উল্লেখ করেন যে, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই একাডেমি থেকে কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। ‘চির উন্নত মম শির’ মূলমন্ত্রে দীক্ষিত সেনাবাহিনী, বিএমএ-এর দূরদর্শী পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সমৃদ্ধ হচ্ছে। এই অবদানের জন্য সেনাবাহিনী প্রধান গর্বিত ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

চট্টগ্রামের ভাটিয়ারির বিএমএ প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও প্যারেডে অভিবাদন গ্রহণ করার পর সেনাপ্রধান কৃতী ক্যাডেটদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। তিনি আরও জানান যে, বর্তমান পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নের লক্ষ্যে নানা উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায়, ক্যাডেটদের প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে দ্বিতীয় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়নের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরাকে মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে হামলার জন্য ইরানের নতুন গোপন সেল গঠন

সেনাপ্রধানের মতে, সামরিক জীবনে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার গুরুত্ব অপরিসীম

আপডেট সময় : ০৪:৫৩:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, মাতৃভূমির স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় একটি দক্ষ, আধুনিক ও দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি আরও যোগ করেন যে, এই সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে থাকা অফিসারদের জন্য ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা এবং ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির (বিএমএ) ৯০তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের অফিসার ক্যাডেটদের কমিশন প্রাপ্তি উপলক্ষে আয়োজিত রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সেনাপ্রধান এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি নিবেদিতপ্রাণ, দক্ষ, চৌকস, মেধাবী এবং একবিংশ শতাব্দীর নেতৃত্বের জন্য উপযুক্ত সেনা অফিসার তৈরি করে চলেছে।

সেনাপ্রধান উল্লেখ করেন যে, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এই একাডেমি থেকে কমিশনপ্রাপ্ত অফিসারদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। ‘চির উন্নত মম শির’ মূলমন্ত্রে দীক্ষিত সেনাবাহিনী, বিএমএ-এর দূরদর্শী পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সমৃদ্ধ হচ্ছে। এই অবদানের জন্য সেনাবাহিনী প্রধান গর্বিত ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

চট্টগ্রামের ভাটিয়ারির বিএমএ প্যারেড গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও প্যারেডে অভিবাদন গ্রহণ করার পর সেনাপ্রধান কৃতী ক্যাডেটদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। তিনি আরও জানান যে, বর্তমান পরিবর্তিত বিশ্ব পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে সেনাবাহিনীর আধুনিকায়নের লক্ষ্যে নানা উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায়, ক্যাডেটদের প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন, আধুনিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণ এবং যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে দ্বিতীয় বাংলাদেশ ব্যাটালিয়নের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হবে।