কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় নতুন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে অশোক বিক্রম চাকমা যোগদান করার পর থেকেই তিনি প্রতিনিয়ত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা গ্রহণ করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন। যোগদানের পর থেকেই প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ফুল নিয়ে তার কার্যালয়ে ভিড় করছেন। এই অতিরিক্ত ফুলের শুভেচ্ছা জানানোর বিষয়টি সাধারণ মানুষের মধ্যে ভিন্ন প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন মাধ্যমে এ নিয়ে মতামত প্রকাশ পাচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। অনেক সাধারণ মানুষ এই প্রথাকে ‘তেলবাজি’ হিসেবে আখ্যায়িত করে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ আরোপের জন্য সরকারের কাছে প্রজ্ঞাপন জারির দাবি জানিয়েছেন। কেউ কেউ মন্তব্য করেছেন যে, সরকারি কর্মকর্তা জনগণের সেবার জন্যই আসেন, তাদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর প্রয়োজন নেই। আবার অনেকে মনে করছেন, ইউএনও-কে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে, যা সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
দেবিদ্বার-৪ আসন থেকে গণধিকার পরিষদ মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী জসীম উদ্দীন কর্তৃক ইউএনও-কে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচিত হয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে নেট দুনিয়ায় সমালোচনার ঝড় বইছে।
অতিরিক্ত ফুলের শুভেচ্ছা জানানোর কারণে দাপ্তরিক কাজে বিঘ্ন ঘটছে কিনা, এই বিষয়ে জানতে চাইলে দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অশোক বিক্রম চাকমা জানান যে, কাজে কোনো বিঘ্ন ঘটছে না, তবে অতিরিক্ত সময় কাজ করতে হচ্ছে। তিনি কুমিল্লার মানুষের আতিথেয়তার প্রশংসা করে বলেন, দেবিদ্বারের মানুষের আতিথেয়তায় তিনি মুগ্ধ। অশোক বিক্রম চাকমা ৩৭তম বিসিএস কর্মকর্তা হিসেবে এর আগে নোয়াখালী ও দিনাজপুর জেলায় কর্মরত ছিলেন। তিনি রাঙামাটি জেলার বাসিন্দা।
রিপোর্টারের নাম 




















