ঢাকা ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

ঐতিহ্যবাহী শিবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন নিয়ে বিতর্ক

বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবিত নতুন নাম অনুযায়ী, বিদ্যালয়টির নামকরণ করা হবে ‘শিবগঞ্জ মীর শাহে আলম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, শিবগঞ্জ, বগুড়া’। এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত শিবগঞ্জ উপজেলার একমাত্র পাইলট বালিকা বিদ্যালয়টির নাম পরিবর্তনের এই প্রস্তাবটি সম্প্রতি সামনে আসে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের (বেসরকারি মাধ্যমিক-১ শাখা) সিনিয়র সহকারী সচিব শিরীন আক্তার স্বাক্ষরিত গত ৯ জুন একটি চিঠিতে এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ পায়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বগুড়ার শিবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (ইআইআইএন: ১১৯৮৪২)-এর নাম পরিবর্তনের জন্য একটি প্রস্তাব পাওয়া গেছে এবং প্রস্তাবের আলোকে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় মতামত ও সুপারিশ প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে যে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ১৩ জুলাই ২০২৩ তারিখে জারি করা ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক) স্থাপন, পাঠদান ও একাডেমিক স্বীকৃতি প্রদান নীতিমালা-২০২২ (সংশোধিত-২০২৩)’-এর অনুচ্ছেদ ১৪.৫ অনুযায়ী নাম পরিবর্তনের বিষয়টি পর্যালোচনা করতে হবে। এ লক্ষ্যে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে নাম পরিবর্তনের যৌক্তিকতা, প্রয়োজনীয়তা এবং স্থানীয় জনমতের প্রতিফলনসহ একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মতামত ও সুস্পষ্ট সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করার কথাও বলা হয়েছে। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহীর চেয়ারম্যান এবং বগুড়ার জেলা প্রশাসককে পৃথক চিঠি পাঠানো হয়েছে। তাদের তদন্ত, মতামত ও সুপারিশের ভিত্তিতেই বিদ্যালয়টির নাম পরিবর্তনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়টির নামের সঙ্গে নতুন করে ‘মীর শাহে আলম’ নাম যুক্ত করার প্রস্তাবটি এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তা মহাপরিকল্পনায় বদলে যাবে উত্তরবঙ্গের ভাগ্য, স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস পানি সম্পদ মন্ত্রীর

ঐতিহ্যবাহী শিবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন নিয়ে বিতর্ক

আপডেট সময় : ০৫:১৫:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

বগুড়ার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবিত নতুন নাম অনুযায়ী, বিদ্যালয়টির নামকরণ করা হবে ‘শিবগঞ্জ মীর শাহে আলম পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, শিবগঞ্জ, বগুড়া’। এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত শিবগঞ্জ উপজেলার একমাত্র পাইলট বালিকা বিদ্যালয়টির নাম পরিবর্তনের এই প্রস্তাবটি সম্প্রতি সামনে আসে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের (বেসরকারি মাধ্যমিক-১ শাখা) সিনিয়র সহকারী সচিব শিরীন আক্তার স্বাক্ষরিত গত ৯ জুন একটি চিঠিতে এ সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ পায়। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বগুড়ার শিবগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় (ইআইআইএন: ১১৯৮৪২)-এর নাম পরিবর্তনের জন্য একটি প্রস্তাব পাওয়া গেছে এবং প্রস্তাবের আলোকে বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় মতামত ও সুপারিশ প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে যে, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের ১৩ জুলাই ২০২৩ তারিখে জারি করা ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক) স্থাপন, পাঠদান ও একাডেমিক স্বীকৃতি প্রদান নীতিমালা-২০২২ (সংশোধিত-২০২৩)’-এর অনুচ্ছেদ ১৪.৫ অনুযায়ী নাম পরিবর্তনের বিষয়টি পর্যালোচনা করতে হবে। এ লক্ষ্যে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে নাম পরিবর্তনের যৌক্তিকতা, প্রয়োজনীয়তা এবং স্থানীয় জনমতের প্রতিফলনসহ একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের মতামত ও সুস্পষ্ট সুপারিশ অন্তর্ভুক্ত করার কথাও বলা হয়েছে। এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহীর চেয়ারম্যান এবং বগুড়ার জেলা প্রশাসককে পৃথক চিঠি পাঠানো হয়েছে। তাদের তদন্ত, মতামত ও সুপারিশের ভিত্তিতেই বিদ্যালয়টির নাম পরিবর্তনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয়টির নামের সঙ্গে নতুন করে ‘মীর শাহে আলম’ নাম যুক্ত করার প্রস্তাবটি এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে।