বরিশাল শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোগীর অস্বাভাবিক চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে হামের উপসর্গ নিয়ে আসা শিশুদের মেঝেতেও চিকিৎসা দিতে হচ্ছে। পটুয়াখালী থেকে আসা ৯ বছরের এক শিশুর উদাহরণ দিয়ে জানা যায়, জেলা হাসপাতালে চার দিন চিকিৎসার পরও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাকে বরিশাল মেডিক্যালে আনা হয়। এই শিশুর চিকিৎসার জন্য তার বাবা স্ত্রীর কানের দুল বিক্রি করতে বাধ্য হন, যা স্বাস্থ্যসেবায় সাধারণ মানুষের আস্থার সংকট এবং আর্থিক দুর্দশার চিত্র তুলে ধরে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, অনেক রোগীর স্বজন সামান্য জটিলতা দেখা দিলেই জেলা ও উপজেলা হাসপাতাল থেকে সরাসরি মেডিক্যাল কলেজে চলে আসেন। এতে করে মেডিক্যালে রোগীর চাপ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যায়, যা ব্যবস্থাপনার ওপর অতিরিক্ত বোঝা সৃষ্টি করে। যেখানে তিনটি ওয়ার্ডে সর্বোচ্চ ৫০ জন রোগী থাকার কথা, সেখানে অনেক বেশি সংখ্যক রোগীকে একসঙ্গে সেবা দিতে হচ্ছে। প্রাথমিক পরীক্ষায় ওই শিশুর হাম নিশ্চিত না হলেও, হামের উপসর্গের কারণে তাকে বিশেষ ওয়ার্ডে রাখা হয়েছিল এবং পরে সে সুস্থ হয়ে ওঠে। এই পরিস্থিতি দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার ওপর জনমানুষের আস্থার অভাব এবং প্রান্তিক পর্যায়ের চিকিৎসা ব্যবস্থার দুর্বলতাকে নির্দেশ করে।
রিপোর্টারের নাম 

























