জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অসামান্য প্রতিভা ও সৃষ্টিশীলতা নিয়ে কোনো বিতর্কের অবকাশ নেই। মাত্র বাইশ বছরের সৃজনশীল জীবনে তিনি যে পরিমাণ কবিতা, গান, উপন্যাস ও নাটক উপহার দিয়েছেন, তা বিশ্বসাহিত্যে বিরল। অথচ অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় হলো, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক গোষ্ঠী নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য এই মহান কবিকে খণ্ডিতভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে।
কেউ তাকে কেবল ধর্মীয় গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ করতে চায়, আবার কেউ তাকে ধর্মনিরপেক্ষতার মোড়কে নিজেদের মতো করে ব্যাখ্যা করে। হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে উভয় সম্প্রদায়ই নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী কবির সৃষ্টির একাংশ ব্যবহার করে আসছে। অথচ নজরুলের বিশাল ক্যানভাসে তিনি মূলত একজন প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর, যিনি আজীবন শোষিত মানুষের মুক্তি ও মানবিকতার জয়গান গেয়েছেন। তাকে সংকীর্ণ রাজনৈতিক বা সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিচার না করে, মুক্তচিন্তার আলোয় সামগ্রিকভাবে মূল্যায়ন করাই হবে কবির প্রতি প্রকৃত শ্রদ্ধা।
রিপোর্টারের নাম 

























