ঢাকা ১১:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬

সীমান্তে স্থিতিশীলতা চেয়ে ভারত-চীন: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ওপর জোর

পূর্ব লাদাখ সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে ভারত ও চীন। উভয় দেশই বিশ্বাস করে, এই স্থিতিশীলতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক পথে ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে। বুধবার বেইজিংয়ে ওয়ার্কিং মেকানিজম ফর কনসালটেশন অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন (ডব্লিউএমসিসি)-এর বৈঠকে এই গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকার ঘটনার পর থেকে পূর্ব লাদাখে যে সামরিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল, তার প্রেক্ষিতে দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে এই বৈঠকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বৈঠকের পরদিন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে এবং উভয় পক্ষ সীমান্ত পরিস্থিতির পর্যালোচনা করেছে।

মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করে যে, সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে যে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে, তাতে উভয় পক্ষই সন্তোষ প্রকাশ করেছে। এটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের পথে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এছাড়াও, চীনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া পরবর্তী বিশেষ প্রতিনিধিদের বৈঠকের জন্য যৌথভাবে যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণের বিষয়েও উভয় দেশ সম্মত হয়েছে। গত বছর আগস্টে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত সংলাপ সীমান্ত শান্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল, যা এই আলোচনার প্রেক্ষাপটকেও আরও শক্তিশালী করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কোরবানির চামড়া অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে, হতাশ বিক্রেতারা

সীমান্তে স্থিতিশীলতা চেয়ে ভারত-চীন: দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ওপর জোর

আপডেট সময় : ০৯:৫৮:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬

পূর্ব লাদাখ সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছে ভারত ও চীন। উভয় দেশই বিশ্বাস করে, এই স্থিতিশীলতা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক পথে ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে। বুধবার বেইজিংয়ে ওয়ার্কিং মেকানিজম ফর কনসালটেশন অ্যান্ড কোঅর্ডিনেশন (ডব্লিউএমসিসি)-এর বৈঠকে এই গঠনমূলক ও ভবিষ্যৎমুখী আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকার ঘটনার পর থেকে পূর্ব লাদাখে যে সামরিক অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল, তার প্রেক্ষিতে দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে এই বৈঠকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বৈঠকের পরদিন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে এবং উভয় পক্ষ সীমান্ত পরিস্থিতির পর্যালোচনা করেছে।

মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করে যে, সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে যে অগ্রগতি সাধিত হয়েছে, তাতে উভয় পক্ষই সন্তোষ প্রকাশ করেছে। এটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের পথে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এছাড়াও, চীনে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া পরবর্তী বিশেষ প্রতিনিধিদের বৈঠকের জন্য যৌথভাবে যথাযথ প্রস্তুতি গ্রহণের বিষয়েও উভয় দেশ সম্মত হয়েছে। গত বছর আগস্টে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত সংলাপ সীমান্ত শান্তি রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল, যা এই আলোচনার প্রেক্ষাপটকেও আরও শক্তিশালী করেছে।