রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রথম শনাক্ত হওয়ার পর হাম ও এর উপসর্গে মৃত্যুর ঘটনা এখন দেশের প্রায় ৫৮টি জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। ভয়াবহ এই প্রাদুর্ভাবে মৃত্যুর সংখ্যা ইতিমধ্যে পাঁচশ ছাড়িয়েছে, যা জনস্বাস্থ্য খাতে বড় ধরনের উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বছরের শুরুতে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে এই ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলেও সময়মতো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের অভাবে তা আজ জাতীয় মহামারির রূপ নিয়েছে।
চিকিৎসকরা এই পরিস্থিতির জন্য মূলত টিকাদানে বড় ধরনের ঘাটতিকে দায়ী করছেন। বিশেষ করে ২০২৫ সালে নির্ধারিত হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন স্থগিত থাকা এবং নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচিতে কভারেজ কমে যাওয়ায় বিপুলসংখ্যক শিশু অরক্ষিত হয়ে পড়ে। এর পাশাপাশি জনবহুল পরিবেশ, হাসপাতালের অভ্যন্তরে সংক্রমণ এবং স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা না করায় ভাইরাসটি অতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। ইউনিসেফের তথ্যমতে, গত কয়েক বছরে হামের টিকার ডোজ পূর্ণ না হওয়ায় প্রায় দুই থেকে তিন কোটি শিশু ঝুঁকির মুখে রয়েছে। বিশেষ করে ৬ থেকে ৯ মাস বয়সী শিশুরা, যাদের নিয়মিত সূচি অনুযায়ী টিকা দেওয়ার বয়স হয়নি, তারা এই প্রাদুর্ভাবে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 

























