ইসলামি শরিয়তে কোরবানি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ইবাদত। মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং ত্যাগ ও বিসর্জনের প্রতীক হিসেবে সামর্থ্যবান মুসলিমদের ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। রাসুলুল্লাহ (সা.) মদিনায় অবস্থানকালে প্রতি বছর নিয়মিত কোরবানি করেছেন। হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী, সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও যারা কোরবানি করেন না, তাদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছে।
ইসলামি বিধান অনুযায়ী, প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন কোনো পুরুষ বা নারী যদি জিলহজ মাসের ১০ তারিখ ফজর থেকে ১২ তারিখ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হন, তবে তার ওপর কোরবানি ওয়াজিব। নেসাবের হিসাবের মধ্যে রয়েছে নগদ টাকা, সোনা-রুপা বা অলংকার, ব্যবসায়িক পণ্য, প্রয়োজনের অতিরিক্ত বাড়ি-গাড়ি এবং বসবাসের জন্য নয় এমন জমি। এই সম্পদ যদি নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচের বাইরে উদ্বৃত্ত থাকে, তবেই তিনি কোরবানি করার জন্য সামর্থ্যবান বলে গণ্য হবেন।
রিপোর্টারের নাম 

























