ঢাকা ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

কোরবানির মূল শিক্ষা একত্ববাদ ও আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ: জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২২:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল মালেক বলেছেন, দুই ঈদের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো— আল্লাহ তাঁর মহানবী (সা.)-এর উম্মতকে স্বতন্ত্র সংস্কৃতি ও সভ্যতা দান করেছেন। এই দুই ঈদ জাহেলিয়াতের সব উৎসবের চেয়ে উত্তম। পবিত্র ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা তাওহীদ বা আল্লাহর একত্ববাদ। কোরবানির মাধ্যমে মানুষের তাকওয়া বা আল্লাহভীতি জাগ্রত হয়।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) জাতীয় ঈদগাহে নামাজের আগে ঈদুল আজহা ও কোরবানির তাৎপর্য নিয়ে আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। নামাজে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নেন। এছাড়া প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকরাও সেখানে নামাজ আদায় করেন।

মাওলানা আব্দুল মালেক বলেন, কোরবানি মানে ত্যাগ ও মহান আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ। এটি বিনয়ীদের জন্য সুসংবাদ। যারা বিনয়ী, আল্লাহর নাম উচ্চারণ করলে তাদের অন্তর প্রকম্পিত হয়। আল্লাহর হুকুমের বিরুদ্ধে আমাদের কোনও কিছু থাকতে পারে না। বিনয়ী তারাই, যারা নামাজ আদায় করেন এবং হালাল আয় থেকে আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করেন। কোরবানিও করতে হবে আল্লাহর নামে।

তিনি আরও বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ। তাই কোরবানির বর্জ্য যত্রতত্র ফেলা যাবে না, নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদ উদযাপনের মধ্যে মর্মান্তিক ঘটনা: গলায় মাংস আটকে কিশোরের মৃত্যু

কোরবানির মূল শিক্ষা একত্ববাদ ও আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ: জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব

আপডেট সময় : ১০:২২:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুল মালেক বলেছেন, দুই ঈদের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো— আল্লাহ তাঁর মহানবী (সা.)-এর উম্মতকে স্বতন্ত্র সংস্কৃতি ও সভ্যতা দান করেছেন। এই দুই ঈদ জাহেলিয়াতের সব উৎসবের চেয়ে উত্তম। পবিত্র ঈদুল আজহার মূল শিক্ষা তাওহীদ বা আল্লাহর একত্ববাদ। কোরবানির মাধ্যমে মানুষের তাকওয়া বা আল্লাহভীতি জাগ্রত হয়।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) জাতীয় ঈদগাহে নামাজের আগে ঈদুল আজহা ও কোরবানির তাৎপর্য নিয়ে আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। নামাজে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অংশ নেন। এছাড়া প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য এবং বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনীতিকরাও সেখানে নামাজ আদায় করেন।

মাওলানা আব্দুল মালেক বলেন, কোরবানি মানে ত্যাগ ও মহান আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণ। এটি বিনয়ীদের জন্য সুসংবাদ। যারা বিনয়ী, আল্লাহর নাম উচ্চারণ করলে তাদের অন্তর প্রকম্পিত হয়। আল্লাহর হুকুমের বিরুদ্ধে আমাদের কোনও কিছু থাকতে পারে না। বিনয়ী তারাই, যারা নামাজ আদায় করেন এবং হালাল আয় থেকে আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করেন। কোরবানিও করতে হবে আল্লাহর নামে।

তিনি আরও বলেন, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ। তাই কোরবানির বর্জ্য যত্রতত্র ফেলা যাবে না, নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে।