কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের দ্রুত প্রসারের ফলে বিশ্বজুড়ে কর্মসংস্থানের ধরনে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে। চ্যাটজিপিটি বা জেমিনির মতো প্রযুক্তির প্রভাবে অনেক প্রচলিত পেশা ঝুঁকির মুখে পড়লেও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি মূলত কাজের ধরন বদলে দিচ্ছে। এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে ক্যারিয়ারে টিকে থাকতে হলে নির্দিষ্ট কিছু দক্ষতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।
প্রথমত, প্রযুক্তিগত দক্ষতা বা টেক-স্যাভি হওয়া এখন সময়ের দাবি। তবে এর অর্থ এই নয় যে সবাইকে প্রোগ্রামিং শিখতে হবে। বরং এআই টুলগুলো ব্যবহারের পারদর্শিতা অর্জন করতে হবে। বিশেষ করে ‘প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং’ বা এআইকে সঠিক নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা বর্তমানে ব্যাপক চাহিদাসম্পন্ন। এছাড়া ডেটা বিশ্লেষণ করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় এআই টুলের ব্যবহার জানা এখন প্রায় বাধ্যতামূলক হয়ে দাঁড়িয়েছে।
দ্বিতীয়ত, মানবিক দক্ষতা বা সফট স্কিলসের গুরুত্ব আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা লজিক বুঝলেও মানুষের আবেগ বা সৃজনশীলতা বুঝতে পারে না। তাই জটিল সমস্যা সমাধান, একদম নতুন কোনো ধারণা তৈরি করা এবং দলগত কাজে আবেগীয় বুদ্ধিমত্তা বা ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স প্রদর্শনের ক্ষমতা মানুষকে এআই থেকে আলাদা করে রাখবে।
সবশেষে, দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা এবং প্রতিনিয়ত শেখার মানসিকতা থাকতে হবে। প্রযুক্তির এই দ্রুত পরিবর্তনের যুগে পুরোনো পদ্ধতি ভুলে নতুন প্রযুক্তি ও নিয়ম দ্রুত আয়ত্ত করার ক্ষমতাই হবে আগামীর সফল ক্যারিয়ারের মূল চাবিকাঠি।
রিপোর্টারের নাম 

























