ঢাকা ১২:৫৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

এআই ক্যামেরা জরিমানা নয়, সাইবার প্রতারণার নতুন ফাঁদ

রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে বসানো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক ক্যামেরা এখন চালকদের জন্য জরিমানার চেয়ে বড় আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতারকরা এই ক্যামেরার অজুহাতে ভুয়া এসএমএস পাঠিয়ে সাধারণ গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালকদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

সরকারি নোটিশের আদলে পাঠানো এসব মেসেজে একটি ভুয়া পেমেন্ট লিংক থাকে। অনেকেই যাচাই না করে এই লিংকে ক্লিক করছেন এবং মুহূর্তেই তাদের মোবাইল ব্যাংকিং বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খালি হয়ে যাচ্ছে। প্রতারকরা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এই কাজ চালাচ্ছে। তারা চালকদের মোবাইলে ট্রাফিক বিভাগের বার্তার মতো দেখতে এসএমএস পাঠায়, যেখানে নির্দিষ্ট সড়কে গতিসীমা অতিক্রম বা ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করার কথা উল্লেখ করে জরিমানার কথা বলা হয়।

প্রতারকরা চালকদের দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করার জন্য ২৪ বা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জরিমানা পরিশোধ না করলে অর্থদণ্ড দ্বিগুণ হওয়া বা লাইসেন্স বাতিলের মতো হুমকিও দেয়। এই আতঙ্কের সুযোগে অনেকেই বিস্তারিত যাচাই না করেই লিংকে ক্লিক করে ফেলেন। ফলে শুধু জরিমানার টাকা নয়, অনেক ক্ষেত্রে পুরো ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগী আসাদুল ইসলাম জানান, তিনি বাইক না চালিয়েও এ ধরনের মেসেজ পেয়ে জরিমানার জন্য লিংকে ক্লিক করার পর তার অ্যাকাউন্ট থেকে ১৫ হাজার টাকা উধাও হয়ে যায়। অন্য একজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটরও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কোরবানির চামড়া অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে, হতাশ বিক্রেতারা

এআই ক্যামেরা জরিমানা নয়, সাইবার প্রতারণার নতুন ফাঁদ

আপডেট সময় : ১১:০৪:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬

রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে বসানো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক ক্যামেরা এখন চালকদের জন্য জরিমানার চেয়ে বড় আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতারকরা এই ক্যামেরার অজুহাতে ভুয়া এসএমএস পাঠিয়ে সাধারণ গাড়ি ও মোটরসাইকেল চালকদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।

সরকারি নোটিশের আদলে পাঠানো এসব মেসেজে একটি ভুয়া পেমেন্ট লিংক থাকে। অনেকেই যাচাই না করে এই লিংকে ক্লিক করছেন এবং মুহূর্তেই তাদের মোবাইল ব্যাংকিং বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খালি হয়ে যাচ্ছে। প্রতারকরা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে এই কাজ চালাচ্ছে। তারা চালকদের মোবাইলে ট্রাফিক বিভাগের বার্তার মতো দেখতে এসএমএস পাঠায়, যেখানে নির্দিষ্ট সড়কে গতিসীমা অতিক্রম বা ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য করার কথা উল্লেখ করে জরিমানার কথা বলা হয়।

প্রতারকরা চালকদের দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করার জন্য ২৪ বা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জরিমানা পরিশোধ না করলে অর্থদণ্ড দ্বিগুণ হওয়া বা লাইসেন্স বাতিলের মতো হুমকিও দেয়। এই আতঙ্কের সুযোগে অনেকেই বিস্তারিত যাচাই না করেই লিংকে ক্লিক করে ফেলেন। ফলে শুধু জরিমানার টাকা নয়, অনেক ক্ষেত্রে পুরো ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছেন ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগী আসাদুল ইসলাম জানান, তিনি বাইক না চালিয়েও এ ধরনের মেসেজ পেয়ে জরিমানার জন্য লিংকে ক্লিক করার পর তার অ্যাকাউন্ট থেকে ১৫ হাজার টাকা উধাও হয়ে যায়। অন্য একজন কন্টেন্ট ক্রিয়েটরও একই ধরনের অভিজ্ঞতার কথা ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন।