ঢাকা ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২৬

ঈদের ছুটিতে সাইবার হামলার ঝুঁকি, জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির সতর্কতা

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ছুটি চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয়, আর্থিক ও গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল পরিকাঠামোর ওপর সাইবার আক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি। ছুটির সময়ে জনবল সীমিত থাকা, পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম আংশিক কমে যাওয়া এবং জরুরি প্রতিক্রিয়ায় বিলম্বের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সাইবার অপরাধী চক্র, হ্যাকটিভিস্ট গোষ্ঠী ও সংঘবদ্ধ অপরাধীরা বিভিন্ন ধরনের সাইবার আক্রমণ পরিচালনার চেষ্টা করতে পারে।

এজন্য দেশের সকল জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি ও বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ সেবাদানকারী সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কিছু নির্দেশনা অনুসরণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২৪/৭ সাইবার মনিটরিং নিশ্চিতকরণ, ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিম প্রস্তুত রাখা, সকল সিস্টেম ও নিরাপত্তা আপডেট নিশ্চিত করা, মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (এমএফএ) সক্রিয়করণ, প্রিভিলেজড অ্যাকাউন্ট পর্যবেক্ষণ, ব্যাকআপ ও ডিজাস্টার রিকভারি প্রস্তুতি, ফিশিং ও সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং অপ্রয়োজনীয় সার্ভিস ও পোর্ট নিষ্ক্রিয়করণ। এছাড়াও, ওয়েবসাইট ও পাবলিক-ফেসিং সিস্টেম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও সুরক্ষার উপর জোর দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কোরবানির চামড়া অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে, হতাশ বিক্রেতারা

ঈদের ছুটিতে সাইবার হামলার ঝুঁকি, জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির সতর্কতা

আপডেট সময় : ০১:১৫:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ছুটি চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয়, আর্থিক ও গুরুত্বপূর্ণ ডিজিটাল পরিকাঠামোর ওপর সাইবার আক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি। ছুটির সময়ে জনবল সীমিত থাকা, পর্যবেক্ষণ কার্যক্রম আংশিক কমে যাওয়া এবং জরুরি প্রতিক্রিয়ায় বিলম্বের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সাইবার অপরাধী চক্র, হ্যাকটিভিস্ট গোষ্ঠী ও সংঘবদ্ধ অপরাধীরা বিভিন্ন ধরনের সাইবার আক্রমণ পরিচালনার চেষ্টা করতে পারে।

এজন্য দেশের সকল জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামো, ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, সরকারি ও বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ সেবাদানকারী সংস্থা এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানকে কিছু নির্দেশনা অনুসরণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২৪/৭ সাইবার মনিটরিং নিশ্চিতকরণ, ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিম প্রস্তুত রাখা, সকল সিস্টেম ও নিরাপত্তা আপডেট নিশ্চিত করা, মাল্টি-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন (এমএফএ) সক্রিয়করণ, প্রিভিলেজড অ্যাকাউন্ট পর্যবেক্ষণ, ব্যাকআপ ও ডিজাস্টার রিকভারি প্রস্তুতি, ফিশিং ও সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে সতর্ক থাকা এবং অপ্রয়োজনীয় সার্ভিস ও পোর্ট নিষ্ক্রিয়করণ। এছাড়াও, ওয়েবসাইট ও পাবলিক-ফেসিং সিস্টেম নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও সুরক্ষার উপর জোর দেওয়া হয়েছে।