গাজায় হামাসকে নিরস্ত্রীকরণের লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গৃহীত পরিকল্পনা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন আশা করেছিল যে, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক চাপ ও যুদ্ধ পরিস্থিতি হামাসকে দুর্বল করবে এবং তাদের নিরস্ত্রীকরণের পথ প্রশস্ত করবে। তবে বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা; ইরান যুদ্ধে টিকে যাওয়ায় হামাস উল্টো আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে।
যুদ্ধ শুরুর আগে হামাসকে মানবিক সহায়তা ও পুনর্গঠনের টোপ দিয়ে নিরস্ত্রীকরণের একটি প্রক্রিয়া শুরু করেছিল ট্রাম্পের গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’। এমনকি ১৭ বিলিয়ন ডলারের একটি তহবিল গঠনের প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ইরান ও ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সরাসরি সংঘাত পুরো অঞ্চলের মনোযোগ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিয়েছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলো এখন গাজার পুনর্গঠনের চেয়ে নিজেদের প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াতে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানাচ্ছে, তেহরান মার্কিন ও ইসরাইলি হামলা মোকাবিলা করে টিকে থাকায় হামাস এখন তাদের অবস্থান আরও কঠোর করেছে। আগে যেখানে তারা অস্ত্র ত্যাগের কিছুটা ইঙ্গিত দিয়েছিল, এখন তারা নিরস্ত্রীকরণ সংক্রান্ত যেকোনো প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করছে। ইরানের দীর্ঘমেয়াদি কৌশল অনুসরণ করে হামাস এখন সময়ক্ষেপণের পথে হাঁটছে, যা ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য এক বড় অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























