ঢাকা ০৪:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করলেন ফারুকী

জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের বিভিন্ন কার্যক্রমে দুর্নীতির অভিযোগ সংবলিত একটি বেসরকারি টেলিভিশনের প্রতিবেদনকে ‘ভুল তথ্য’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। তিনি দাবি করেছেন, প্রকল্পের ব্যয়, তথ্যচিত্র নির্মাণ এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রতিবেদনে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘দ্য ডিসেন্ট’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফারুকী জানান, প্রকল্পের ব্যয় নিয়ে যে ১৫০ কোটি টাকার অনিয়মের কথা বলা হচ্ছে তা সঠিক নয়। তার ভাষ্যমতে, এ পর্যন্ত প্রকল্পে প্রায় ১৩০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে, যার মধ্যে ৯৬ কোটি টাকা গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে অবকাঠামোগত উন্নয়নে খরচ করা হয়েছে।

ফারুকী আরও উল্লেখ করেন, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় জিটুজি (সরকার থেকে সরকার) পদ্ধতিতে গণপূর্ত অধিদপ্তরকে অর্থ হস্তান্তর করেছে। অথচ প্রতিবেদনে ব্যয়ের সব দায় জাতীয় জাদুঘরের ওপর চাপানো হয়েছে, যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে তিনি মনে করেন। তথ্যচিত্র নির্মাণের ঠিকানা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশের তরুণ ও পরিচিত চলচ্চিত্র নির্মাতারা এই প্রকল্পের কাজ করেছেন। প্রতিটি প্রামাণ্যচিত্রের জন্য ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ের দাবিকেও তিনি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন।

তিনি আরও জানান, সময়ের স্বল্পতার কারণে ডাইরেক্ট প্রকিউরমেন্ট মেথড (ডিপিএম) অনুসরণ করে কাজ বাস্তবায়নের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। ভেন্ডর প্রতিষ্ঠানের ঠিকানার বিষয়ে তিনি বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠানই স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে মালিকের বাসার ঠিকানা ব্যবহার করে, যা প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্বহীনতার প্রমাণ নয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিজিটাল যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তথ্য মন্ত্রণালয়ের আইন আধুনিকায়নের উদ্যোগ

জুলাই স্মৃতি জাদুঘর নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করলেন ফারুকী

আপডেট সময় : ০৩:২০:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

জুলাই স্মৃতি জাদুঘরের বিভিন্ন কার্যক্রমে দুর্নীতির অভিযোগ সংবলিত একটি বেসরকারি টেলিভিশনের প্রতিবেদনকে ‘ভুল তথ্য’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। তিনি দাবি করেছেন, প্রকল্পের ব্যয়, তথ্যচিত্র নির্মাণ এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রতিবেদনে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘দ্য ডিসেন্ট’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফারুকী জানান, প্রকল্পের ব্যয় নিয়ে যে ১৫০ কোটি টাকার অনিয়মের কথা বলা হচ্ছে তা সঠিক নয়। তার ভাষ্যমতে, এ পর্যন্ত প্রকল্পে প্রায় ১৩০ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে, যার মধ্যে ৯৬ কোটি টাকা গণপূর্ত অধিদপ্তরের মাধ্যমে অবকাঠামোগত উন্নয়নে খরচ করা হয়েছে।

ফারুকী আরও উল্লেখ করেন, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় জিটুজি (সরকার থেকে সরকার) পদ্ধতিতে গণপূর্ত অধিদপ্তরকে অর্থ হস্তান্তর করেছে। অথচ প্রতিবেদনে ব্যয়ের সব দায় জাতীয় জাদুঘরের ওপর চাপানো হয়েছে, যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে তিনি মনে করেন। তথ্যচিত্র নির্মাণের ঠিকানা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশের তরুণ ও পরিচিত চলচ্চিত্র নির্মাতারা এই প্রকল্পের কাজ করেছেন। প্রতিটি প্রামাণ্যচিত্রের জন্য ২৭ লাখ টাকা ব্যয়ের দাবিকেও তিনি ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেন।

তিনি আরও জানান, সময়ের স্বল্পতার কারণে ডাইরেক্ট প্রকিউরমেন্ট মেথড (ডিপিএম) অনুসরণ করে কাজ বাস্তবায়নের অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। ভেন্ডর প্রতিষ্ঠানের ঠিকানার বিষয়ে তিনি বলেন, অনেক প্রতিষ্ঠানই স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে মালিকের বাসার ঠিকানা ব্যবহার করে, যা প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্বহীনতার প্রমাণ নয়।