সামরিক বাহিনীর দীর্ঘদিন পদোন্নতিবঞ্চিত ১৫০ কর্মকর্তার পদোন্নতির গেজেট প্রকাশকে স্বাগত জানিয়ে সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন কর্নেল (অব.) হাসিনুর। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, এখনও এমন অনেক কর্মকর্তা রয়েছেন, যারা বিভিন্ন কারণে পদোন্নতি না পেয়েই অবসরে গেছেন। তাদের বিষয়েও সরকারকে ইতিবাচক পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেল ৪টা থেকে ৪টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসে নিজ বাসভবনে বিভিন্ন ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।
সাক্ষাৎকারে চ্যানেল ২৪, বৈশাখী টিভি, এটিএন নিউজ, দেশ টিভি, যমুনা টেলিভিশন, স্টার নিউজ, বাংলাভিশন, জিটিভি, চ্যানেল আই, চ্যানেল এস ও এখন টিভির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কর্নেল (অব.) হাসিনুর বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত ১৫০ সামরিক কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দেওয়ায় তিনি সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞ। তবে এই তালিকার বাইরেও এমন অনেক কর্মকর্তা রয়েছেন, যারা বিভিন্ন সময়ে আত্মীয়স্বজনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে পদোন্নতি পাননি এবং শেষ পর্যন্ত অবসরে যেতে বাধ্য হয়েছেন।
তিনি বলেন, এসব কর্মকর্তার অনেকেই সরকারের কাছে কোনো আবেদনও করেননি। এর কারণ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য আবেদন করাকে মর্যাদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মনে করেন না। তার ভাষায়, রাজনৈতিক অবক্ষয়ের কারণেই অনেক মেধাবী কর্মকর্তা বৈষম্যের শিকার হয়েছেন।
সেনাপ্রধানের সাম্প্রতিক কিছু উদ্যোগের প্রসঙ্গ টেনে কর্নেল (অব.) হাসিনুর বলেন, চার খলিফার নামে চারটি কোম্পানির নামকরণ একটি ইতিবাচক উদ্যোগ। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতার প্রতীক। তাই কোনোভাবেই এই বাহিনীকে প্রশ্নবিদ্ধ করা উচিত নয়।
ডিজিএফআই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব দায়িত্ব ও কর্মপরিধি রয়েছে। ডিজিএফআই তাদের দায়িত্ব পালন করবে এবং সেনাবাহিনী তাদের নিজস্ব দায়িত্ব পালন করবে। এমন পরিস্থিতি যেন সৃষ্টি না হয়, যেখানে ডিজিএফআইকে দেখে সাধারণ মানুষের মধ্যে ভীতির পরিবেশ তৈরি হয়।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সময়ে ডিজিএফআই সঠিক পথে কাজ করছে বলেই তিনি মনে করেন।
রিপোর্টারের নাম 



















