ঢাকা ০১:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশ পিছিয়ে, এগিয়ে ইন্দোনেশিয়া

মাত্র চার বছরের ব্যবধানে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। একসময় দেশটিতে সবচেয়ে বেশি শ্রমিক পাঠানো দেশের তালিকায় শীর্ষে ছিল বাংলাদেশ। তবে বর্তমানে সেই অবস্থান দখল করেছে ইন্দোনেশিয়া। একই সঙ্গে বিদেশি কর্মী নিয়োগের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে এবং নিয়োগব্যবস্থা দ্রুত ডিজিটাল ও কঠোর নিয়ন্ত্রণভিত্তিক কাঠামোয় রূপ নিচ্ছে।

মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল পার্লামেন্টে জানিয়েছেন, ২০২৫ সালে দেশটিতে মোট ৭৭ হাজার ৮০৭ জন বিদেশি কর্মী প্রবেশ করেছেন, যা ২০২৩ সালের তুলনায় প্রায় ৯১ শতাংশ কম। ওই বছর বিদেশি কর্মীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি এসেছে ইন্দোনেশিয়া থেকে ৩৫ হাজার ১১ জন, যা মোট আগমনের প্রায় ৪৫ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে নেপাল, যেখান থেকে এসেছে ২৫ হাজার ২৬ জন কর্মী। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। বাংলাদেশ এবার শীর্ষ তিন উৎস দেশের তালিকায় জায়গা পায়নি।

অথচ ২০২৩ সালে পরিস্থিতি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। কোভিড-১৯ মহামারির পর শ্রমবাজার পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ থেকে রেকর্ডসংখ্যক শ্রমিক মালয়েশিয়ায় যান। ওই বছর মোট ৮ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩১ জন বিদেশি কর্মীর মধ্যে বাংলাদেশ থেকেই যান ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৫৪৮ জন, যা মোট কর্মীর প্রায় ৪৬ শতাংশ। একই সময়ে নেপাল থেকে যায় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৮৯৫ জন এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে ১ লাখ ২২ হাজার ৯০৮ জন।

তবে এই রেকর্ডসংখ্যক কর্মী পাঠানোর পেছনে নানা অনিয়মের অভিযোগও সামনে আসে। অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়, সীমিতসংখ্যক রিক্রুটিং এজেন্সির একচেটিয়া প্রভাব, চাকরি না পাওয়া, ঋণের বোঝা এবং শ্রমিক শোষণের মতো বিষয় আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ সৃষ্টি করে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের মাঝামাঝি মালয়েশিয়া সরকার নতুন বিদেশি কর্মী নিয়োগে কড়াকড়ি আরোপ করে। বিদ্যমান কোটা ব্যবহার, শ্রমবাজারের ভারসাম্য এবং নিয়োগব্যবস্থার সংস্কার সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত নতুন নিয়োগ সীমিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর ফলে ২০২৪ সালে বিদেশি কর্মী আগমন কমে দাঁড়ায় ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭২ জনে। ওই বছরও সবচেয়ে বেশি কর্মী আসে ইন্দোনেশিয়া থেকে। পাশাপাশি ভারত ও কাজাখস্তান থেকেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কর্মী প্রবেশ করেন। ২০২৫ সালে এই সংখ্যা আরও কমে মাত্র ৭৭ হাজার ৮০৭ জনে নেমে আসে।

মালয়েশিয়া সরকার বলছে, বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে এখন শুধু সংখ্যার দিকে নয়, বরং দক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নিয়োগদাতাদের জন্য কোটা আবেদন এখন পুরোপুরি অনলাইনে নেওয়া হচ্ছে। এতে সময়, ব্যয় এবং প্রশাসনিক জটিলতা কমবে বলে সরকারের দাবি।

দীর্ঘদিন ধরে বিদেশি কর্মী ব্যবস্থাপনায় ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (FWCMS) ব্যবহার করা হলেও এর স্বচ্ছতা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। সেই কারণে সরকার এখন ইউনিভার্সাল রিক্রুটমেন্ট অ্যাডভান্সড প্ল্যাটফর্ম (TURAP) চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এই নতুন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও দ্রুত, প্রযুক্তিনির্ভর এবং তথ্যভিত্তিক করার পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও এর স্বচ্ছতা নিয়ে সংসদ সদস্য ও সুশীল সমাজের একাংশ উদ্বেগ প্রকাশ করে বাস্তবায়নের আগে পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন।

এর পাশাপাশি সরকার ন্যাশনাল ইন্টিগ্রেটেড ইমিগ্রেশন সিস্টেম (NIISe) চালুরও পরিকল্পনা নিয়েছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে বিদেশি কর্মী নিয়োগ, ভিসা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং অভিবাসন-সংক্রান্ত সব সেবা একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা হবে।

অভিবাসন ও শ্রমবাজার বিশ্লেষকদের মতে, মালয়েশিয়ার এই পরিবর্তন সাময়িক নয়; এটি দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত সংস্কারের অংশ। ভবিষ্যতে শুধু বেশি সংখ্যক কর্মী পাঠানোই যথেষ্ট হবে না। আন্তর্জাতিক শ্রমমান অনুসরণ, স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থা, প্রযুক্তিনির্ভর তথ্য যাচাই এবং অভিবাসন ব্যয় কমাতে পারলেই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের জন্য এটি যেমন সতর্কবার্তা, তেমনি নতুন সুযোগও। দক্ষ জনশক্তি তৈরি, অভিবাসন ব্যয় কমানো, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং দুই দেশের মধ্যে নীতিগত সমন্বয় জোরদার করা গেলে বাংলাদেশ আবারও মালয়েশিয়ার অন্যতম প্রধান শ্রমশক্তি সরবরাহকারী দেশে পরিণত হতে পারে।

মালয়েশিয়ায় কর্মরত প্রবাসীরা মনে করেন, নিয়োগ কমে যাওয়ায় আপাতত কিছু অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও এটি স্থায়ী সংকট নয়। তাদের ধারণা, নতুন ডিজিটাল নিয়োগব্যবস্থা ও কঠোর নিয়ন্ত্রণ চালু হওয়ার পর ধীরে ধীরে শ্রমবাজার আবারও স্থিতিশীল হবে।

ব্যবসায়ী ও অভিবাসন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো কর্মী পাঠানোর খরচ কমানো, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর জনশক্তি গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। এসব ক্ষেত্রে অগ্রগতি অর্জন করা গেলে মালয়েশিয়ার পরিবর্তিত শ্রমবাজারেও বাংলাদেশ আবার শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

হিজবুল্লাহর আর্থিক নেটওয়ার্কে যুক্তরাষ্ট্র ও উপসাগরীয় দেশগুলোর কঠোর নিষেধাজ্ঞা

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশ পিছিয়ে, এগিয়ে ইন্দোনেশিয়া

আপডেট সময় : ১১:৫৯:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

মাত্র চার বছরের ব্যবধানে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। একসময় দেশটিতে সবচেয়ে বেশি শ্রমিক পাঠানো দেশের তালিকায় শীর্ষে ছিল বাংলাদেশ। তবে বর্তমানে সেই অবস্থান দখল করেছে ইন্দোনেশিয়া। একই সঙ্গে বিদেশি কর্মী নিয়োগের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে এবং নিয়োগব্যবস্থা দ্রুত ডিজিটাল ও কঠোর নিয়ন্ত্রণভিত্তিক কাঠামোয় রূপ নিচ্ছে।

মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দাতুক সেরি সাইফুদ্দিন নাসুশন ইসমাইল পার্লামেন্টে জানিয়েছেন, ২০২৫ সালে দেশটিতে মোট ৭৭ হাজার ৮০৭ জন বিদেশি কর্মী প্রবেশ করেছেন, যা ২০২৩ সালের তুলনায় প্রায় ৯১ শতাংশ কম। ওই বছর বিদেশি কর্মীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি এসেছে ইন্দোনেশিয়া থেকে ৩৫ হাজার ১১ জন, যা মোট আগমনের প্রায় ৪৫ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে নেপাল, যেখান থেকে এসেছে ২৫ হাজার ২৬ জন কর্মী। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত। বাংলাদেশ এবার শীর্ষ তিন উৎস দেশের তালিকায় জায়গা পায়নি।

অথচ ২০২৩ সালে পরিস্থিতি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। কোভিড-১৯ মহামারির পর শ্রমবাজার পুনরায় চালু হলে বাংলাদেশ থেকে রেকর্ডসংখ্যক শ্রমিক মালয়েশিয়ায় যান। ওই বছর মোট ৮ লাখ ৬৭ হাজার ৭৩১ জন বিদেশি কর্মীর মধ্যে বাংলাদেশ থেকেই যান ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৫৪৮ জন, যা মোট কর্মীর প্রায় ৪৬ শতাংশ। একই সময়ে নেপাল থেকে যায় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৮৯৫ জন এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে ১ লাখ ২২ হাজার ৯০৮ জন।

তবে এই রেকর্ডসংখ্যক কর্মী পাঠানোর পেছনে নানা অনিয়মের অভিযোগও সামনে আসে। অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়, সীমিতসংখ্যক রিক্রুটিং এজেন্সির একচেটিয়া প্রভাব, চাকরি না পাওয়া, ঋণের বোঝা এবং শ্রমিক শোষণের মতো বিষয় আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ সৃষ্টি করে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের মাঝামাঝি মালয়েশিয়া সরকার নতুন বিদেশি কর্মী নিয়োগে কড়াকড়ি আরোপ করে। বিদ্যমান কোটা ব্যবহার, শ্রমবাজারের ভারসাম্য এবং নিয়োগব্যবস্থার সংস্কার সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত নতুন নিয়োগ সীমিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর ফলে ২০২৪ সালে বিদেশি কর্মী আগমন কমে দাঁড়ায় ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭২ জনে। ওই বছরও সবচেয়ে বেশি কর্মী আসে ইন্দোনেশিয়া থেকে। পাশাপাশি ভারত ও কাজাখস্তান থেকেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কর্মী প্রবেশ করেন। ২০২৫ সালে এই সংখ্যা আরও কমে মাত্র ৭৭ হাজার ৮০৭ জনে নেমে আসে।

মালয়েশিয়া সরকার বলছে, বিদেশি কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে এখন শুধু সংখ্যার দিকে নয়, বরং দক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং নিয়ন্ত্রণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। নিয়োগদাতাদের জন্য কোটা আবেদন এখন পুরোপুরি অনলাইনে নেওয়া হচ্ছে। এতে সময়, ব্যয় এবং প্রশাসনিক জটিলতা কমবে বলে সরকারের দাবি।

দীর্ঘদিন ধরে বিদেশি কর্মী ব্যবস্থাপনায় ফরেন ওয়ার্কার্স সেন্ট্রালাইজড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (FWCMS) ব্যবহার করা হলেও এর স্বচ্ছতা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। সেই কারণে সরকার এখন ইউনিভার্সাল রিক্রুটমেন্ট অ্যাডভান্সড প্ল্যাটফর্ম (TURAP) চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এই নতুন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও দ্রুত, প্রযুক্তিনির্ভর এবং তথ্যভিত্তিক করার পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও এর স্বচ্ছতা নিয়ে সংসদ সদস্য ও সুশীল সমাজের একাংশ উদ্বেগ প্রকাশ করে বাস্তবায়নের আগে পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনার দাবি জানিয়েছেন।

এর পাশাপাশি সরকার ন্যাশনাল ইন্টিগ্রেটেড ইমিগ্রেশন সিস্টেম (NIISe) চালুরও পরিকল্পনা নিয়েছে। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে বিদেশি কর্মী নিয়োগ, ভিসা, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং অভিবাসন-সংক্রান্ত সব সেবা একটি সমন্বিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা হবে।

অভিবাসন ও শ্রমবাজার বিশ্লেষকদের মতে, মালয়েশিয়ার এই পরিবর্তন সাময়িক নয়; এটি দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত সংস্কারের অংশ। ভবিষ্যতে শুধু বেশি সংখ্যক কর্মী পাঠানোই যথেষ্ট হবে না। আন্তর্জাতিক শ্রমমান অনুসরণ, স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থা, প্রযুক্তিনির্ভর তথ্য যাচাই এবং অভিবাসন ব্যয় কমাতে পারলেই প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের জন্য এটি যেমন সতর্কবার্তা, তেমনি নতুন সুযোগও। দক্ষ জনশক্তি তৈরি, অভিবাসন ব্যয় কমানো, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং দুই দেশের মধ্যে নীতিগত সমন্বয় জোরদার করা গেলে বাংলাদেশ আবারও মালয়েশিয়ার অন্যতম প্রধান শ্রমশক্তি সরবরাহকারী দেশে পরিণত হতে পারে।

মালয়েশিয়ায় কর্মরত প্রবাসীরা মনে করেন, নিয়োগ কমে যাওয়ায় আপাতত কিছু অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও এটি স্থায়ী সংকট নয়। তাদের ধারণা, নতুন ডিজিটাল নিয়োগব্যবস্থা ও কঠোর নিয়ন্ত্রণ চালু হওয়ার পর ধীরে ধীরে শ্রমবাজার আবারও স্থিতিশীল হবে।

ব্যবসায়ী ও অভিবাসন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো কর্মী পাঠানোর খরচ কমানো, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর জনশক্তি গড়ে তোলা এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন স্বচ্ছ নিয়োগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। এসব ক্ষেত্রে অগ্রগতি অর্জন করা গেলে মালয়েশিয়ার পরিবর্তিত শ্রমবাজারেও বাংলাদেশ আবার শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।