ঢাকা ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

“সবখানেই চাঁদাবাজি হচ্ছে, কারা করছে সাংবাদিকরা অনুসন্ধান করুন”: নৌ উপদেষ্টা

নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, শুধু পরিবহন টার্মিনাল নয়, দেশের সব জায়গাতেই চাঁদাবাজি হচ্ছে। তবে কে বা কারা এই চাঁদাবাজি করছে, তা তিনি সরাসরি বলতে পারবেন না বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “আমরা তো অনুসন্ধান করি না, অনুসন্ধান করেন সাংবাদিকরা।”

সোমবার (১০ নভেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম বন্দরের বে টার্মINAলে নতুন পরিবহন টার্মিনাল উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।

এর আগে, তিনি সকাল সাড়ে ৯টায় লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালও উদ্বোধন করেন। সেসময় তিনি বলেন, দেশের স্বার্থের ক্ষতি করে এমন কাউকে বন্দরের কার্যক্রম চালাতে দেওয়া হবে না।

বন্দরের ট্যারিফ বাড়ানো নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ট্যারিফ বাড়ানোর আগে আমরা ব্যবসায়ীসহ বন্দরের সব স্টেকহোল্ডারদের (জড়িত পক্ষগুলোর) সঙ্গেই কথা বলেছি। শ্রমিকদের সঙ্গেও কথা হয়েছে। কিন্তু শ্রমিকরা এখন বলছেন যে, তাদের সঙ্গে নাকি কথা বলা হয়নি।”

উপদেষ্টা আরও জানান, “বন্দর চলছিল ১৯৮৪ সালের ট্যারিফ দিয়ে, যা প্রায় ৪০ বছরের পুরনো। ৪০ বছর পর বন্দর কর্তৃপক্ষ সেই ট্যারিফ হালনাগাদ করেছে। তারপরও যেহেতু ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অভিযোগ এসেছে, তাই আমরা বন্দর কর্তৃপক্ষকে বিষয়গুলো আবারো পর্যালোচনা করে দেখার জন্য নির্দেশনা দিয়েছি।”

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে জলদস্যুদের তাণ্ডব: গুলিতে প্রাণ হারালেন কুতুবদিয়ার এক জেলে

“সবখানেই চাঁদাবাজি হচ্ছে, কারা করছে সাংবাদিকরা অনুসন্ধান করুন”: নৌ উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ০৪:১০:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

নৌপরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, শুধু পরিবহন টার্মিনাল নয়, দেশের সব জায়গাতেই চাঁদাবাজি হচ্ছে। তবে কে বা কারা এই চাঁদাবাজি করছে, তা তিনি সরাসরি বলতে পারবেন না বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “আমরা তো অনুসন্ধান করি না, অনুসন্ধান করেন সাংবাদিকরা।”

সোমবার (১০ নভেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম বন্দরের বে টার্মINAলে নতুন পরিবহন টার্মিনাল উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় তিনি এই মন্তব্য করেন।

এর আগে, তিনি সকাল সাড়ে ৯টায় লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালও উদ্বোধন করেন। সেসময় তিনি বলেন, দেশের স্বার্থের ক্ষতি করে এমন কাউকে বন্দরের কার্যক্রম চালাতে দেওয়া হবে না।

বন্দরের ট্যারিফ বাড়ানো নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “ট্যারিফ বাড়ানোর আগে আমরা ব্যবসায়ীসহ বন্দরের সব স্টেকহোল্ডারদের (জড়িত পক্ষগুলোর) সঙ্গেই কথা বলেছি। শ্রমিকদের সঙ্গেও কথা হয়েছে। কিন্তু শ্রমিকরা এখন বলছেন যে, তাদের সঙ্গে নাকি কথা বলা হয়নি।”

উপদেষ্টা আরও জানান, “বন্দর চলছিল ১৯৮৪ সালের ট্যারিফ দিয়ে, যা প্রায় ৪০ বছরের পুরনো। ৪০ বছর পর বন্দর কর্তৃপক্ষ সেই ট্যারিফ হালনাগাদ করেছে। তারপরও যেহেতু ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অভিযোগ এসেছে, তাই আমরা বন্দর কর্তৃপক্ষকে বিষয়গুলো আবারো পর্যালোচনা করে দেখার জন্য নির্দেশনা দিয়েছি।”