ঢাকা ০৯:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

সাবেক এমপি সাদেক খানের ১২ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ

দুদকের করা দুর্নীতির মামলায় ঢাকা-১৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খানের ১২টি ব্যাংকে থাকা দুই কোটি ৯২ লাখ ৪১ হাজার ৯২৬ টাকা অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছে আদালত।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার (১০ নভেম্বর) এ আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি রিয়াজ হোসেন এতথ্য জানান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক এ কে এম মর্তুজা আলী সাগর এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ চেয়ে আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, সাদেক খানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ভূমি দস্যুতাসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ পূর্বক অর্জিত ৭ কোটি ৩০ লাখ ২০ হাজার ৬৬৪ টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেন। তিনি নিজ দখলে রেখে এবং সংসদ সদস্য থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক অসদাচারণের মাধ্যমে তার নিজ ও তার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে ২৯টি ব্যাংক হিসাবে সন্দেহজনকভাবে ৪৬৬ কোটি ৪৭ লাখ ৬২ হাজার ১৯০ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন করেন।

দুদকের করা মামলাটি বর্তমানে তসান্তাধীন রয়েছে। তদন্তকালে সাদেক খানের  নামে এসব অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়। তদন্তকালে জানা যায়, সাদেক খানের নামে অর্জিত অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তর/স্থানান্তর বা অন্য কোনও পন্থায় মালিকানা পরিবর্তন ও হস্তান্তর করে বিদেশ গমন করে আত্মগোপনের সম্ভবনা রয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে সাদেক খানের নামে অর্জিত অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করা আবশ্যক।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশ-তুরস্ক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে জোর: বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে তুর্কি রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

সাবেক এমপি সাদেক খানের ১২ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ

আপডেট সময় : ০৩:১৮:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

দুদকের করা দুর্নীতির মামলায় ঢাকা-১৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সাদেক খানের ১২টি ব্যাংকে থাকা দুই কোটি ৯২ লাখ ৪১ হাজার ৯২৬ টাকা অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছে আদালত।

তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার (১০ নভেম্বর) এ আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারি রিয়াজ হোসেন এতথ্য জানান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের সহকারী পরিচালক এ কে এম মর্তুজা আলী সাগর এসব ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ চেয়ে আবেদন করেন।

আবেদনে বলা হয়, সাদেক খানের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ভূমি দস্যুতাসহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ পূর্বক অর্জিত ৭ কোটি ৩০ লাখ ২০ হাজার ৬৬৪ টাকা মূল্যের জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জন করেন। তিনি নিজ দখলে রেখে এবং সংসদ সদস্য থাকাকালে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অপরাধমূলক অসদাচারণের মাধ্যমে তার নিজ ও তার মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের নামে ২৯টি ব্যাংক হিসাবে সন্দেহজনকভাবে ৪৬৬ কোটি ৪৭ লাখ ৬২ হাজার ১৯০ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন করেন।

দুদকের করা মামলাটি বর্তমানে তসান্তাধীন রয়েছে। তদন্তকালে সাদেক খানের  নামে এসব অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়। তদন্তকালে জানা যায়, সাদেক খানের নামে অর্জিত অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তর/স্থানান্তর বা অন্য কোনও পন্থায় মালিকানা পরিবর্তন ও হস্তান্তর করে বিদেশ গমন করে আত্মগোপনের সম্ভবনা রয়েছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে সাদেক খানের নামে অর্জিত অস্থাবর সম্পদ অবরুদ্ধ করা আবশ্যক।