ঢাকা ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

দেশের স্বার্থের সামান্য ক্ষতি করেও কাউকে বন্দর পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হবে না :নৌপরিবহন উপদেষ্টা (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৫:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

দেশের কোনো ক্ষতি হয়, এমন কাজ করে কাউকে বন্দরের কার্যক্রম চালাতে দেওয়া হবে না। এই কথাটি পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (১০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল উদ্বোধনের সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। সেসময় বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মনিরুজ্জামানও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

বন্দরের ট্যারিফ বাড়ানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ট্যারিফ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমরা ব্যবসায়ী এবং বন্দরের সাথে জড়িত সব পক্ষের (স্টেকহোল্ডার) সঙ্গেই কথা বলেছি। শ্রমিকদের সাথেও আমাদের কথা হয়েছে। যদিও এখন শ্রমিকরা বলছেন, তাদের সাথে নাকি কোনো কথা হয়নি।”

উপদেষ্টা আরও বলেন, “বন্দর চলছিল ১৯৮৪ সালের ট্যারিফ দিয়ে, যা প্রায় ৪০ বছরের পুরনো। এই দীর্ঘ সময় পর বন্দর কর্তৃপক্ষ ট্যারিফ হালনাগাদ করেছে। তারপরও যেহেতু ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ এসেছে, আমরা বন্দর কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি আবার পর্যালোচনা করে দেখার জন্য অনুরোধ জানাবো।”

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় সংরক্ষিত বনভূমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মাণের মহোৎসব

দেশের স্বার্থের সামান্য ক্ষতি করেও কাউকে বন্দর পরিচালনার সুযোগ দেওয়া হবে না :নৌপরিবহন উপদেষ্টা (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।

আপডেট সময় : ১১:১৫:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

দেশের কোনো ক্ষতি হয়, এমন কাজ করে কাউকে বন্দরের কার্যক্রম চালাতে দেওয়া হবে না। এই কথাটি পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন।

সোমবার (১০ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল উদ্বোধনের সময় তিনি এই মন্তব্য করেন। সেসময় বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এম মনিরুজ্জামানও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

বন্দরের ট্যারিফ বাড়ানোর প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ট্যারিফ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমরা ব্যবসায়ী এবং বন্দরের সাথে জড়িত সব পক্ষের (স্টেকহোল্ডার) সঙ্গেই কথা বলেছি। শ্রমিকদের সাথেও আমাদের কথা হয়েছে। যদিও এখন শ্রমিকরা বলছেন, তাদের সাথে নাকি কোনো কথা হয়নি।”

উপদেষ্টা আরও বলেন, “বন্দর চলছিল ১৯৮৪ সালের ট্যারিফ দিয়ে, যা প্রায় ৪০ বছরের পুরনো। এই দীর্ঘ সময় পর বন্দর কর্তৃপক্ষ ট্যারিফ হালনাগাদ করেছে। তারপরও যেহেতু ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ এসেছে, আমরা বন্দর কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি আবার পর্যালোচনা করে দেখার জন্য অনুরোধ জানাবো।”